গ্রামে থাকতে গেলে যোগ দিতে হবে তৃণমূলে, নয়তো ২ লক্ষ টাকা! হুমকি নিয়ে থানায় অভিযোগ সিপিএম নেতার
ভোট পরবর্তী হিংসা বলে রাজ্যে সেরকম কিছু নেই। বিজেপির অভিযোগের প্রেক্ষিতে এমনটাই মন্তব্য করেছে রাজ্য সরকার। এব্যাপারে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের রিপোর্টও মানতে চায়নি তৃণমূল। এরই মধ্যে অবশ্য গ্রামে ফেরার সময় তৃণমূলের (
ভোট পরবর্তী হিংসা বলে রাজ্যে সেরকম কিছু নেই। বিজেপির অভিযোগের প্রেক্ষিতে এমনটাই মন্তব্য করেছে রাজ্য সরকার। এব্যাপারে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের রিপোর্টও মানতে চায়নি তৃণমূল। এরই মধ্যে অবশ্য গ্রামে ফেরার সময় তৃণমূলের (trimanool congress) বিরুদ্ধে হুমকির অভিযোগ তুলে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন হুগলির খনেখালির সিপিএম (cpim) নেতা।

দলত্যাগের জন্য চাপ
সিপিএম নেতা জসীমুদ্দিন মণ্ডল দাবি করেছেন, অনেকদিন ধরেই তাঁকে দলবদল করানোর জন্য চাপ দিচ্ছে তৃণমূল। এবারের বিধানসভা নির্বাচনের পরে সেই চাপ আও বেড়েছে। এরমধ্যে একদিন বাড়ি ফেরার সময় তাঁকে দুষ্কৃতীরা হুমকি দেয় বলে অভিযোগ। তিনি বলেছেন রাতে বাড়ির ফেরার সময় রাস্তায় ঘিরে ধরে বেশ কয়েকজন তৃণমূল কর্মী। অভিযোগ তারা বলে, গ্রামে থাকতে গেলে সিপিএম করা চলবে না।

২ লক্ষ টাকা দাবি
তাঁর আরও অভিযোগ সেই তৃণমূলের কর্মীরা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলে সিপিএম করতে গেলে ২ লক্ষ টাকা ঘুষ দিতে হবে। তিনি টাকা দিতে অস্বীকার করায় তাঁকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। এরপরেই তিনমি থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। তিনি ধনেখালির ব্লক আধিকারিককেও বিষয়টি লিখিতভাবে জানিয়েছেন।

অভিযোগ অস্বীকার তৃণমূলের
সিপিএম নেতার করা অভিযোগ অস্বীকার করেছে স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব। তাদের অভিযোগ সিপিএম নেতা বলে পরিচিত জসীমুদ্দিন এলাকায় নেশাগ্রস্ত অবস্থায় ঘোরাফেরা করেন। তাদের আরও অভিযোগ, লোককে চাকরি দেবেন বলে তোলা আদায় করেন তিনি।

তৃণমূলের অভিযোগ নিয়ে প্রশ্ন
তৃণমূলের এই অভিযোগ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সিপিএম নেতা জসীমুদ্দিন মণ্ডল। তিনি বলেন, তাঁর বিরুদ্ধে যদি তোলাবাজির অভিযোগ থেকে থাকে, তাহলে বিষয়টি নিয়ে কেন থানায় অভিযোগ করছে না তৃণমূল। তিনি সংবাদ মাধ্যমে বলেছেন, বিধানসভা নির্বাচনে সিপিএম শূন্য, সব ক্ষমতা এখন তৃণমূলের হাতে। তাহলে কেন প্রশাসনকে দিয়ে ব্যবস্থা নিচ্ছে না তৃণমূল প্রশ্ন করেছেন তিনি।












Click it and Unblock the Notifications