যিশুর জন্মদিনে 'একা' ব্যান্ডেল, সাধারণ মানুষের জন্যে চার্চের দরজা বন্ধ
যিশুর জন্মদিনে 'একা' ব্যান্ডেল, সাধারণ মানুষের জন্যে চার্চের দরজা বন্ধ
করোনা ধাক্কায় বড়দিনেও বন্ধ থাকছে ব্যান্ডেল চার্চ। কোভিড ১৯ ভাইরাসের সংক্রমণে অতিমারের জেরে লকডাউনের শুরু থেকে ব্যান্ডল চার্চ বন্ধ ছিল। এবার বড়দিনেও সাধারণ মানুষের জন্য চার্চের দরজা খুলছে না। প্রতিবছর বড়দিনে ও নববর্ষের সময় হুগলীর জনপ্রিয় এই চার্চে হাজার হাজার মানুষ ভিড় জমান।

বন্ধ থাকবে মধ্যরাতের প্রার্থনা
অপেক্ষার আর মাত্র ১ দিন। এরপরই বিশ্বজুড়ে বড়দিনের উৎসব। তবে করোনা পরিস্থিতিতে সেই উৎসবে জোর ধাক্কা। এবছর ২৪ ডিসেম্বর রাতে ব্যান্ডেল চার্চের মধ্যরাতের প্রার্থনা অনুষ্ঠান হচ্ছে না। কোভিড ১৯ ভাইরাসের অতিমারি পরিস্থিতির কারণেই এবার ঐতিহ্যের এই অনুষ্ঠানে ছেদ পড়তে চলেছে।

বড়দিন উপলক্ষ্য ব্যান্ডেলে উৎসব
বড়দিন উপলক্ষ্য হুগলি জেলার ব্যান্ডেল চার্চে উৎসবের চেহারা ধরা পড়ে। চার্চ সংলগ্ন মাঠে গোশালা তৈরি করে যিশুর জন্মবৃত্তান্ত তুলে ধরা হয়। যেখানে সাধারণ মানুষ মোমবাতি জ্বেলে প্রার্থনা করেন।

সাধারণ মানুষের জন্য চার্চের দরজা বন্ধ
সবমিলিয়ে আলোর উৎসবে মেতে ওঠে ব্যান্ডেল। ব্যান্ডেল চার্চও আলোয় আলোয় ঝলমল করে। কিন্তু কোভিড বিধি মেনে চলতে জনসমাগম এড়িয়ে চলতেই এবার চার্চ কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে উৎসবের দিনে সাধারণ মানুষের জন্যে চার্চের দরজা না খোলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মার্চ মাস থেকেই দর্শনার্থীদের চার্চে প্রবেশ নিষিদ্ধ ছিল।

ঐতিহ্যের অনুষ্ঠানে ছেদ পড়ল
প্রতিবছর ২৫ ডিসেম্বর যিশুর জন্মদিন উপলক্ষ্য মধ্যেরাতের প্রার্থনায় বহু মানুষ যোগ দেন। এবার সেই ঐতিহ্যে ছেদ পড়ল। তবে ফাদার ফ্রান্সিস জানিয়েছেন, আর্চবিশপ চার্চ কর্তৃপক্ষের ৫০ জনকে ভিতরে ঢোকার অনুমতি দিয়েছেন। তারাই এবছর মধ্যরাতের প্রার্থনার অনুষ্ঠান করবেন। চার্চের লোকেরা প্রার্থনাকক্ষে যিশুকে শ্রদ্ধা জানাবেন। অন্যদিকে বড়দিনে গির্জার বাইরের গেটে মোমবাতি জ্বালিয়ে সাধারণ মানুষের জন্য প্রভু যিশুকে শ্রদ্ধা জানানোর ব্যবস্থা থাকছে। সেই সঙ্গে প্রতীকি আস্তাবলেও এবছর অনেক ছোট আকারে করা হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications