বেসরকারি হাসপাতালে রোগীকে হাত-পা বেঁধে রাখার অভিযোগ,মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ হচ্ছে পরিবার
বেসরকারি হাসপাতালে রোগীকে হাত-পা বেঁধে রাখার অভিযোগ,মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ হচ্ছে পরিবার
অমানবিক ঘটনার সাক্ষী থাকলো হুগলীর চন্দননগর। চন্দননগরের এক বেসরকারি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে গুরুতর অসুস্থ রোগীকে হাত-পা বেঁধে রাখার অভিযোগ। হাত-পা বাঁধা অবস্থায় ঐ রোগীর রক্ত জমাট বেঁধে দাগ হয়ে গিয়েছে।

রোগীর পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, চুঁচুড়ার তোলাফটক এলাকার বাসিন্দা ষাটোর্ধ্ব শোভন সাধুখাঁ। বেসরকারি ব্যাঙ্কে চাকরি করতেন তিনি। গত কয়েকদিন আগে পেটের ব্যাথার উপসর্গ নিয়ে চন্দনগরের একটি নার্সিংহোমে ভর্তি হয়েছিলেন।
পরিবার জানিয়েছে, ভর্তি হওয়ার পর রীতিমতো রোগীর করোনা পরীক্ষা করে নার্সিংহোম কর্তৃপক্ষ। রিপোর্ট নেগেটিভ আসে। এরপর আইইউসিতে রেখে ওই ব্য়ক্তির চিকিৎসা চলে বেশ কয়েকদিন। কিন্তু ততদিনে নার্সিং হোমের বিল কার্যত ধরাছোঁয়ার বাইরে চলে যায়। বাধ্য হয়েই পরিবারের লোকেরা শোভনকে চুঁচুড়ার একটি নার্সিংহোম স্থানান্তরিত করেন। সেখানে যখন ফের করোনা টেস্ট করা হয়, তখন রিপোর্ট পজিটিভ আসে।
এরপর ওই ব্যক্তিকে নিয়ে যাওয়া হয় চুঁচুড়ারই অজন্তা সেবাসদন নামে একটি করোনা হাসপাতালে। সেখানেই উঠে আসে প্রথম ভর্তি হওয়া হাসপাতালের অমানবিকতার চিত্র।
জানা গিয়েছে, করোনা হাসপাতালে পোশাক পরিবর্তনের সময়ে স্বাস্থ্যকর্মীদের নজরে পড়ে, শোভনের একটি হাতে রক্ত জমাট বেঁধে গিয়েছে। পায়েও দগদগে ঘা। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি, রোগী নিজেই জানিয়েছেন, চন্দনগরে যে নার্সিংহোমে প্রথমে ভর্তি ছিলেন, সেখানেই নাকি হাত-পা বেঁধে তাঁর চিকিৎসা করা হয়।
কিন্তু কেন? শোভন সাধুখাঁর দাবি, তিনি পেটের যন্ত্রণায় ছটফট করছিলেন। তাই হাত-পা বেঁধে রাখা হয়েছিল! বারবার বলা সত্ত্বেও কর্ণপাত করেনি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে সুবিচারের আশায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়ের দ্বারস্থ হচ্ছে রোগীর পরিবার। ইতিমধ্যেই হুগলী জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক শুভ্রাংশু চক্রবর্তী বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন।












Click it and Unblock the Notifications