সরকারি কর্মীরা মানছেন না তাঁর সিস্টেম, দলের বিধায়ক মানছেন না কালচার! প্রশাসনিক বৈঠকে হুঁশিয়ারি ক্ষুব্ধ মমতার
সরকারি কর্মীরা মানছেন না তাঁর সিস্টেম, দলের বিধায়ক মানছেন না কালচার! প্রশাসনিক বৈঠকে হুঁশিয়ারি ক্ষুব্ধ মমতার
তিনি অনেক প্রতিশ্রুতি দেন। অনেকগুলিতে কাজ হলেও, অনেক কিছুতে বাধা পড়ে। এর পিছনে আর যাই হোক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) কোনওভাবেই দায়ী নন। দায়ী প্রতিশ্রুতি রূপায়ণকারী সরকারি কর্মী-আধিকারিকরা (Govt Officials) । সেই কারণে তিনি ক্ষিপ্ত আধিকারিকদের একাংশের ওপরে। পাশাপাশি কোনও কোনও সময় দলের বিধায়করাও (MLA) যে সঠিক ভূমিকা পালন করেন না, তাই তিনি সর্বসমক্ষে জানিয়েছেন।

সিস্টেম মানছেন না সরকারি আধিকারিকরা
তিনি চান দ্রুত শিল্পায়ন। কিন্তু এর জন্য প্রথমেই যা দরকার, সেই জমি পাওয়াতেই অসুবিধা তৈরি হচ্ছে। হাওড়ায় তিনি অভিযোগ করেন, সেখানকার ভূমি সংস্কার দফতরের কাজে গাফিলতি হচ্ছে। এর পরেই মুখ্যমন্ত্রী ক্ষিপ্ত হয়ে বলেন, কারা এত বড় বড় নেতা দেখি একটু। তিনি অভিযোগ করে বলেন, ল্যান্ড ডিপার্টমেন্টের অনেকে ইচ্ছা করে কাজে দেরি করিয়ে দিচ্ছে। আগে একটা সিস্টেম তিনি তৈরি করে দিয়েছিলেন, তা মানা হচ্ছে না। তা কেন বন্ধ হয়েছে, কার নির্দেশে বন্ধ হয়েছে, সেই প্রশ্ন করেন তিনি। দীর্ঘদিন ধরে পড়ে থাকা কাজ নিয়ে তিনি প্রশ্ন করেন। পাশাপাশি সরকারি কাজ দ্রুত করার জন্য অবসরপ্রাপ্তদের নিয়োগ করা হলেও, আশানুরূপ কাজ হয়নি বলেও মন্তব্য করতে শোনা যায় তাঁকে।

বিধায়কের আচরণে ক্ষুব্ধ
এদিনের প্রশাসনিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী তোপের মুখে পড়েন দলের বিধায়ক গৌতম চৌধুরী। অতিবৃষ্টিতে এলাকা জলমগ্ন হয়ে পড়ার কারণে ওই বিধায়ক প্রতিবাদ দেখাতে গিয়ে রাস্তায় বসে পড়েছিলেন। যা নিয়ে এদিন প্রশ্ন করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কেন রাস্তায় বসে বড়েছিলেন, সেই প্রশ্ন করেন মুখ্যমন্ত্রী। বিধায়ক কারণ জানালে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, প্রকৃতি তো সরকারের হাতে নেই। গত ৮০ বছরে এত বৃষ্টি হয়নি বলে জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, তৃণমূলের একটা তালচার রয়েছে। মানুষ টিভিতে দেখে তা মনে রাখে বলেও জানান মুখ্যমন্ত্রী। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, প্রয়োজন মনে করলে জল নিজে সরানোর চেষ্টা করতে হবে। এরপরেই মুখ্যমন্ত্রী বলেন, হাওড়ার জল জমার সমস্যা পুরনো। যে কাজ গত ৭০ বছরে কেউ করেনি, সেই কাজের প্রথম ধাপ তারা শেষ করেছেন।

৩০ নভেম্বরের মধ্যে চালু হবে বাংলার ডেয়ারি
এই রাজ্যে সরকারি উদ্যোগে নতুন একটি দুগ্ধজাত পণ্যের সংস্থা চালু হতে চলেছে। এর নাম বাংলার ডেয়ারি। ৩০ নভেম্বরের মধ্যেই তার কাজ শুরু হবে। সেখানে খোলা এবং পাউচপ্যাকে দুধ পাওয়া যাবে। পাশাপাশি অন্য দুগ্ধজাত পণ্যও পাওয়া যাবে।

হাঁসের পালক সংগ্রহ করে শাটল কক
উলুবেড়িয়ায় শাটল ককে ক্লাস্টার রয়েছে, যা ভারতে আর কোথাও নেই। প্রয়োজনে তা দেশের বাইরে থেকে আনতে হয়। শাটল কক তৈরি করতে প্রয়োজন হয় হাঁসের পালক। এদিনের প্রশাসনিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী বলেন সেলফ হেল্প গ্রুপকে হাঁসের পালন সংগ্রহ করে এই ক্লাস্টারকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। সেলফ হেল্প গ্রুপকে হাঁসের পালন সংগ্রহ করার আইডিয়াও তিনিই বালতে দেন।












Click it and Unblock the Notifications