একটা কক্ষেই চলছে পাঁচটি শ্রেণীর ক্লাস, করুণ ছবি গ্রামীন স্কুলে

একটা কক্ষেই চলছে পাঁচটি শ্রেণীর ক্লাস, করুণ ছবি গ্রামীন স্কুলে

রয়েছে স্কুল, রয়েছে ছাত্রছাত্রী, কিন্তু নেই উপযুক্ত শ্রেণীকক্ষ। বাধ্য হয়ে একটি শ্রেণীকক্ষেই কার্যত ঠেসাঠেসি করে চলছে পাঁচটি শ্রেণীর পঠনপাঠন। এমনই করুণ চিত্র হাওড়ার ধুলোগড় ওয়েস্ট মুসলিম পাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। জানা গেছে, ধুলোগড় ওয়েস্ট মুসলিম পাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পাঁচটি শ্রেণীকক্ষ থাকলেও তিনটির ভগ্নদশা।

কোনওমতে ক্লাস

কোনওমতে ক্লাস

রয়েছে স্কুল, রয়েছে ছাত্রছাত্রী, কিন্তু নেই উপযুক্ত শ্রেণীকক্ষ। বাধ্য হয়ে একটি শ্রেণীকক্ষেই কার্যত ঠেসাঠেসি করে চলছে পাঁচটি শ্রেণীর পঠনপাঠন। এমনই করুণ চিত্র হাওড়ার ধুলোগড় ওয়েস্ট মুসলিম পাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। জানা গেছে, ধুলোগড় ওয়েস্ট মুসলিম পাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পাঁচটি শ্রেণীকক্ষ থাকলেও তিনটির ভগ্নদশা।

কী বলছেন প্রধান শিক্ষক?

কী বলছেন প্রধান শিক্ষক?

স্কুলের প্রধান শিক্ষক জানান, এই স্কুলে একসময় অনেক পড়ুয়া ছিল। এখন এই অবস্থায় অনেকেই আর ছেলেমেয়েদের স্কুলে পাঠাচ্ছেন না। সমস্ত আইনি জটিলতা কাটিয়ে দ্রুত স্কুলের পরিকাঠামোর উন্নয়ন চাইছেন অভিভাবকরা। স্থানীয় এক ব্যক্তি জানান, আমরা খেটে-খাওয়া মানুষ।

আর্থিক অবস্থা

আর্থিক অবস্থা

প্রাইভেট স্কুলে ছেলেমেয়েদের পড়ানোর ক্ষমতা নেই। স্কুলের এই অবস্থার উন্নতি হোক। বিষয়টি প্রসঙ্গে হাওড়া জেলা প্রাথমিক বিদ্যালয় সংসদের চেয়ারম্যান কৃষ্ণ ঘোষ জানান, বিষয়টি তারা জানেন।

আইনি জটিলতা

আইনি জটিলতা

আইনি জটিলতায় স্কুলের শ্রেণীকক্ষ তৈরির কাজ আটকে রয়েছে। তবে এ নিয়ে তাদের আইনি সেল কাজ করছে বলে জানান কৃষ্ণবাবু। দ্রুত সমস্যা সমাধান হবে বলেই তিনি আশাবাদী। কয়েকদিন আগে জলের তোড়ে ভেঙে গিয়েছিল মুন্ডেশ্বরী নদীর উপরে থাকা কুলিয়া ঘাট, গায়েনপাড়া ও আজানাগাছির তিনটি বাঁশের সাঁকো। এর জেরে হাওড়া জেলার একমাত্র দ্বীপাঞ্চল আমতা-২ ব্লকের ভাটোরার সাথে মূল ভূখন্ডের যোগাযোগ কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছিল।


প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে প্রতিদিন ইঞ্জিন চালিত নৌকায় যাতায়াত করতে হচ্ছিল দ্বীপাঞ্চলের হাজারো মানুষকে৷ ভেঙে যাওয়া বাঁশের সাঁকো ফের নতুন করে তৈরি করে দীপাবলিতে খুলে দেওয়া হল। সোমবার থেকে আবারও চালু হল বাঁশের সাঁকো। আমতা-২ পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতি দেলুয়ার হোসেন মিদ্দ্যা জানান, প্রায় ছ'লক্ষ টাকা ব্যয়ে নতুন সাঁকোটি তৈরি করা হয়েছে। এখন উপকৃত হচ্ছেন দ্বীপাঞ্চলের কয়েক হাজার মানুষ। যদিও, দ্বীপাঞ্চলের মানুষের ব্রিজের দাবি দীর্ঘদিনের। কিছুদিন আগেই প্রস্তাবিত কুলিয়া ব্রিজের এলাকা পরিদর্শন করেন রাজ্যের পূর্তমন্ত্রী পুলক রায়, স্থানীয় বিধায়ক সুকান্ত পাল সহ অন্যান্যরা। স্থানীয় মানুষের আশা, র্দীর্ঘদিনের জমিজট কাটিয়ে হয়ত খুব শীঘ্রই চালু হবে কুলিয়ায় ব্রিজ তৈরির কাজ।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+