তারকেশ্বরের 'বাবা'র পুজো! পূণ্যার্থীর আশায় বৈদ্যবাটির ব্যবসায়ীরা
শ্রাবণ মাসের প্রথম রবিবার, বৈদ্যবাটির বিভিন্ন ঘাট থেকে জল তুলে পায়ে হেঁটে তারকেশ্বরের উদ্দেশ্যে রওনা দিচ্ছেন রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা পূণ্যার্থীরা। তবে এবার পূণ্যার্থীদের ঢল কিছুটা কম, জানাচ্ছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা।
সকাল থেকেই, দূর দূরান্ত থেকে পুণ্যার্থীরা আসছেন বৈদ্যবাটিতে। বৈদ্যবাটি নিমাইতীর্থ ঘাট থেকে জল তুলে কাধে বাঁক নিয়ে ২৭ কিলোমিটার পথ পায়ে হেঁটে তারকেশ্বর এর পথে রওনা দিচ্ছেন পূর্ণার্থীরা। শ্রাবণ মাস উপলক্ষে বৈদ্যবাটি নিমাই তীর্থ ঘাট এবং আশেপাশে ঘাট সহ গোটা এলাকাজুড়ে রয়েছে কড়া নিরাপত্তা। পুলিশি নজদারীর পাশাপাশি রয়েছে সিসিটিভি ক্যামেরা।

কড়া নিরাপত্তা থাকলেও অন্যান্য বছরের থেকে এ বছর পুণ্যার্থীর ঢল কিছুটা হলেও কম রয়েছে বলে দাবি স্থানীয় ব্যবসায়ীদের। যার জেরে অনেকটাই আর্থিক ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। প্রতিবছর গোটা রাজ্য থেকে প্রায় দশ পনেরো লক্ষ পূণ্যার্থীর সমাগম হয় তারকেশ্বরে।
বেশির ভাগ পূর্ণার্থী শনিবার ও বরিবার নিমাইতীর্থ ঘাট থেকে জল নিয়ে রওনা দেয়, যাতে সোমবার বাবার মাথায় জল ঢলতে পারেন। অনেকেই নিমাইতীর্থ ঘাটের পাশের দোকান থেকে বাঁক, জলের কলস সহ বিভিন্ন সরঞ্জাম কিনে নিয়ে যান।
নিমাইতীর্থ ঘাটের ব্যবসায়ী অরূপ কুমার জানান, এ বছর বাজার ভাল না, লোক অন্যান্য জায়গা থেকে বাক সাজিয়ে নিয়ে আসছে এখান থেকে জল তুলে নিয়ে চলে যাচ্ছে। অন্য বছরের থেকে ভিড় অনেক কম, তারা শ্রমিক নিয়ে বসে রয়েছেন। অনেক টাকার জিনিপত্র তুলেছেন, জানেন না কী হবে। তারা বলছেন, কথায় আছে আশায় চাষা মরে, তাই আশা নিয়ে বসে আছেন।
আর এক ব্যবসায়ী জানান, এবারে বাজার খুব খারাপ। শ্রাবণ মল মাস পড়ে গেছে বলে মানুষ বাবার কাছে কম যাচ্ছে। সকাল থেকে যা ভিড় হওয়ার কথা তার ৫০ শতাংশ হয়েছে।
দূর দূরান্ত থেকে আসা পুণ্যার্থীরা কেউ এসেছেন মেদিনীপুর, কেউ এগরা তো কেউ হাওড়া থেকে। আবার অনেকেই এসেছেন অন্য রাজ্য থেকে।












Click it and Unblock the Notifications