গঙ্গার নীচ দিয়ে যাত্রা, জন সংযোগ বাড়াতে প্রথম দিনেই মেট্রো সওয়ারি বিজেপি প্রার্থী রথীন চক্রবর্তী
শুক্রবার আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রীদের জন্য চালু হল হাওড়া ময়দান এসপ্লানেড মেট্রো পরিষেবা। এদিন সকাল থেকেই বহু মানুষ মেট্রোতে সওয়ারি হতে এসেছিলেন। আর প্রথম দিনেই মেট্রো চেপে মেট্রোর মধ্যেই অভিনব প্রচার সারলেন হাওড়া সদর বিজেপি প্রার্থী রথীন চক্রবর্তী।
যাত্রীদের সঙ্গে আলাপচারিতা ও চকোলেট দেওয়ার মাধ্যমে জন সংযোগের নতুন মাধ্যম বেছে নিলেন বিজেপি প্রার্থী। প্রতিদিন হাওড়া থেকে কলকাতায় নিজস্ব চেম্বারে যান চিকিৎসক রথীন চক্রবর্তী। নিজস্ব গাড়িকেই যাতায়াত করেন তিনি। তবে এদিন আর গাড়ি নেননি৷

শুক্রবার মেট্রো চালু হওয়ায় গাড়ি ব্যবহার না করে মেট্রোকেই তিনি বেছে নেন। পাশপাশি মেট্রোর বাইরে ও ভিতরে উপস্থিত যাত্রীদের প্রতি বিজেপি সহ প্রার্থীদের জয়ী করার আবেদন জানান। হাওড়া ময়দান মেট্রো চালু হওয়ার কারণে ভোর থেকে অসংখ্য মানুষ ভিড় করেন মেট্রোর গেটের সামনে। নির্ধারিত সময়ে গেট খুললে প্রথমবারের জন্য মেট্রো চড়ার জন্যই উৎসাহ ও উদ্দীপনা ছিল চোখে পড়ার মতো।
বিজেপি প্রার্থী রথীন চক্রবর্তীও মেট্রো স্টেশনে পৌঁছে যান। তাঁর সঙ্গে আরও কয়েক জন ছিল। টিকিট কাটার পর তিনি প্ল্যাটফর্মে পৌঁছান। সাধারণ মানুষজন তাঁকে চিনতে পারেন। উষ্ণ অভ্যর্থনা বিনিময় হয় জন সাধারণের সঙ্গে। আগামী দিনের জন্য তাঁকে শুভেচ্ছাও জানিয়েছেন সাধারণ মানুষজন।
মেট্রো এলে তিনিও অন্যান্য যাত্রীদের সঙ্গে সওয়ারি হন। সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথাবার্তা বলেন তিনি। একাধিক বিষয়ে আলোচনাও হয়। বাচ্চাদের হাতে তিনি চকোলেটও তুলে দেন।
হাওড়ার বিজেপি প্রার্থী রথীন চক্রবর্তী জানান, "আজকের এই দিনটি এক ঐতিহাসিক দিন। আমরা গর্বিত নরেন্দ্র মোদী এটা সকলের জন্য করেছেন। আমাদের কাছে কোনও বাধাই বাধা নয়। আমরা নরেন্দ্র মোদীর গর্বিত সৈনিক।"
বিজেপি নেতা উমেশ রাই দাবি করেন, "দেশের মধ্যে কলকাতাতেই প্রথম মেট্রোর সূচনা হয়েছিল। এরপর অনেক সরকার এসেছে, বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। যদিও নরেন্দ্র মোদীর হাত দিয়েই প্রথম গঙ্গার নীচ দিয়ে মেট্রো চালু হল। মোদী যেটা বলেন সেটাই করে দেখান, এটাই মোদীর গ্যারান্টি।"












Click it and Unblock the Notifications