বালির বাসিন্দা সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় খুনে সিরিয়াল কিলার? গুজরাট গেলেন তদন্তকারীরা
হাওড়া স্টেশনে কাটিহার এক্সপ্রেসের কামরা থেকে উদ্ধার হয়েছিল তবলা বাদক সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের মৃতদেহ। সেই ঘটনার তদন্তে রেল পুলিশ ও রাজ্যের সিআইডি টিম। এবার তদন্তের স্বার্থে আধিকারিকরা গুজরাট রওনা হলেন।
এই খুনের নেপথ্যে কী ঘটনা? সেই সম্পর্কে এখনও পরিষ্কার ছবি আসেনি। সূত্র খুঁজে মেলানোর চেষ্টা করছেন তদন্তকারীরা। এই অবস্থায় একজনকে সম্প্রতি ভিন রাজ্যে গ্রেফতার করা হয়েছে৷ ধৃতের নাম রাহুল ওরফে ভোলু।

গুজরাট পুলিশের হেফাজতে রয়েছে এই রাহুল ওরফে ভোলু। তাকে রাজ্যে নিয়ে আসার জন্য প্রস্তুতি চলছে৷ ইতিমধ্যেই এই ঘটনায় সিআইডি ও হাওড়া জিআরপির একটি টিম গুজরাটের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছেন। সেখান থেকেই অভিযুক্ত রাহুল ওরফে ভোলুকে ট্রানজিট রিমান্ডে নিয়ে আসা হবে কলকাতায়। কিন্তু এই সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের খুনের সঙ্গে ভোলুর সম্পর্ক ঠিক কী?
জানা গিয়েছে, রাহুল ওরফে ভোলু মূলত সিরিয়াল কিলার। ধৃতের বিরুদ্ধে আরও একটি খুনের মামলা রয়েছে। ধৃতের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে সৌমিত্রবাবুর ফোন, টাকাপয়সা এবং তবলার সরঞ্জাম। সেখানেই উঠছে প্রশ্ন। সৌমিত্রবাবুকে খুনের জন্য কি সিরিয়াল কিলার নিয়োগ করা হয়েছিল? না কি লুটপাটের উদ্দেশ্যে এই খুন করা হয়? ভোলু কি সেই রাতে কাটিহার এক্সপ্রেসে ওই কামরার যাত্রী ছিল? না কি অন্য কোনও কারণে সে ট্রেনে উঠেছিল? সে নিজেই কি ওই খুন করেছে? তদন্তকারীরা তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চান।
কাটিহার এক্সপ্রেস ট্রেনের প্রতিবন্ধী কোচে বালির তবলাবাদক সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় খুন হন। উপরের আসনে তার মৃতদেহ চাদর জড়ানো অবস্থায় রাখা ছিল। হাওড়া স্টেশনে ট্রেন থামার পর সেই মৃতদেহ উদ্ধার হয়। এক প্রৌঢ় তবলা বাদক কেন খুন হলেন? সেই নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। পাশাপাশি রেলের যাত্রী সাধারণের নিরাপত্তা নিয়েও ফের প্রশ্ন উঠছে।
রেল পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। রাতের ট্রেনে রেল পুলিশ থাকার পরেও কীভাবে এমন ঘটনা ঘটতে পারে! প্রশ্ন উঠেছে। মৃতদেহ উদ্ধারের পর রাজ্যের তরফে সিআইডিও এই খুনের তদন্ত করছে।












Click it and Unblock the Notifications