তফশিলি জাতি-উপজাতি ও সংখ্যালঘুদের বিপক্ষে! মুখ্যমন্ত্রীর সভার পরে কল্যাণকে নিয়ে বিস্ফোরক অপরূপা
আরামবাগে তৃণমূলের প্রার্থীর সমর্থনে মুখ্যমন্ত্রীর সভায় উঠতে দেওয়া হলো না বিদায়ী সাংসদ অপরূপা পোদ্দারকে। মঞ্চে উঠতে না পেরে বললেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় ও হরিপালের দাদা বৌদির দল তাঁকে মঞ্চে উঠতে দেয়নি।
মুখ্যমন্ত্রীর সভা শেষের পরে এব্যাপারে আরামবাগের বিদায়ী সাংসদকে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, সবই ক্যামেরা বন্দি রয়েছে। তারপরেই অপরূপা পোদ্দার বিস্ফোরক অভিযোগ করেন। তিনি বলেন, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় তফশিলি জাতি, উপজাতি ও সংখ্যালঘুদের বিপক্ষে। এই মুহূর্তে তিনি দলের সাংসদ বলেও জানান অপরূপা। তারপর তিনি গাড়ির দিকে এগিয়ে যান।

তফশিলি জাতি, উপজাতি ও সংখ্যালঘুদের অপমান করে
গাড়িতে ওঠার পরে তাঁকে জিজ্ঞাসা করা হলে, অপরূপা পোদ্দার বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সাধারণ মানুষের আশীর্বাদে তিনি দু'বারের সাংসদ। কিন্তু কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় ও হরিপালের দাদা বৌদির দল তাঁকে মঞ্চে উঠতে দেয়নি। তারপরেও তিনি আরও একবার বলেন, এইভাবে এরা তফশিলি জাতি, উপজাতি ও সংখ্যালঘুদের অপমান করে।
তিনি এখন পদে নেই
সেই সময় দলের এক কর্মী একটি .কাগজ দিয়ে কিছু করার অনুরোধ করেন। সেই সময় অপরূপা পোদ্দার বলেন, তিনি এখন পদে নেই। তাই বিষয়টি জেলা সভাপতিকে বলুন।
সভা মঞ্চে উঠতে পারেননি
বুধবার আরামবাগে তৃণমূলের প্রার্থী মিতালী বাগের সমর্থনে সভা করতে যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে আগে থেকেই উপস্থিত ছিলেন আরামবাগের বিদায়ী সংসদ অপরূপা পোদ্দার। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রীর সভা মঞ্চে উঠতে পারেননি তিনি। সভা শেষ হলে সেখান থেকেই পিরে যান অপরূপা। সেখান থেকে ফেরত যাওয়ার পথেই শ্রীরামপুরের সাংসদ তথা এবারেরও তৃণমূল প্রার্থী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি ক্ষোভ উগরে দেন তিনি।
কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতিক্রিয়া
এর উত্তরে পাল্টা কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, এদিন মুখ্যমন্ত্রীর মঞ্চে কে থাকবে কে কে থাকবে না সেটা ওখানকার সভাপতি রামেন্দু সিংহ রায় ঠিক করেছেন। আর এদিন তিনি সভায় যেতে দেরি করে ফেলেছিলেন। তারপর তিনি লিস্ট দেখেই মঞ্চে উঠেছেন। ফলে তাঁকে এসব কথা বলে লাভ নেই। তফশিলি বা সংখ্যালঘু বলে যদি কেউ যদি সহানুভূতি আদায়ের চেষ্টা করে তাহলে তাঁর কিছু করার নেই। তাঁর (কল্যাণ) প্রতি এঁদের ব্যক্তিগত রাগ রয়েছে, সেই রাগ এরা মেটাচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়।
এদিনের ঘটনা সম্পর্কে প্রতিক্রিয়া জিজ্ঞাসা করা হলে তৃণমূল নেতা শান্তনু সেন বলেন, নিজেকে কেউ বড় নেতা বলে ভাবতেই পারেন, কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি সরে গেলে তিনি শূন্য।












Click it and Unblock the Notifications