AIFF: বড় স্টেডিয়ামে ম্যাচ খেলতে চান স্টিমাচ, সুনীলদের ম্যাচ আয়োজনের দৌড়ে এগিয়ে কলকাতা
এএফসি এশিয়ান কাপে চূড়ান্ত ব্যর্থ হয়েছে ভারতীয় দল। একটি ম্যাচে জয় পাওয়া বা ড্র করা তো দূরের কথা, একটি গোলও করতে পারেনি ভারত। এই পরিস্থিতিতে কোচ ইগর স্টিমাচের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠে। কিন্তু ক্রোয়েশিয়ান কোচের উপর যে আস্থা হারাচ্ছেন ফেডারেশন তা স্পষ্ট করে দিলেন এআইএফএফ সভাপতি কল্যাণ চৌবে।
এএফসি এশিয়ান কাপের ব্যর্থতা এখন অতীত। বিশ্বকাপের যোগ্যতা অর্জন পর্বই এখন পাখির চোখ ভারতীয় দলের কাছে। কাতারের ব্যর্থতা ভুলে বিশ্বকাপের যোগ্যাতা অর্জন পর্বে নতুন উদ্যেমে ঝাঁপাতে চাইছেন কোচ স্টিমাচ। মার্চ থেকে জুন মাস পর্যন্ত ২০২৬ সালের ফিফা বিশ্বকাপের যোগ্যাতা অর্জন পর্বে হোম অ্যান্ড অ্যাওয়েতে চারটি ম্যাচ খেলতে হবে ভারতকে।

ভারতীয় দলের কোচ স্টিমাচ চাইছেন ঘরের মাঠে ম্যাচগুলি বড় স্টেডিয়ামে খেলতে যাতে বেশি জনসমর্থন পাওয়া যায়। সম্প্রতি এআইএফএফের টেকনিক্যাল কমিটির সঙ্গে আলোচনায় বসেছিলেন স্টিমাচ। সেখানেই ঘরের মাঠে ম্যাচ গুলি বড় স্টেডিয়ামে আয়োজন করার আবেদন করেন জাতীয় দলের কোচ।
এই প্রসঙ্গে ফেডারেশন সভাপতি কল্যাণ চৌবে জানিয়েছেন, হায়দরাবাদ, মহারাষ্ট্র এবং কলকাতা কুয়েত ম্যাচ আয়োজনের জন্য আগ্রহ প্রকাশ করেছে। কল্যাণ চৌবে বলেন, জাতীয় দলের ক্ষেত্রে প্রধান কোচের পরামর্শই সর্বোচ্চ। ফেডারেশন সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলি সমস্ত স্টেকহোল্ডারদের সাথে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায়িত্ব নেবে।
আইএফএ সচিব অণির্বান দত্ত একটি সর্বভারতীয় সংবাদ মাধ্যমে জানিয়েছেন, 'আমরা জাতীয় দলের ম্যাচ আয়োজনের জন্য সম্পূর্ণ তৈরি। যুবভারতীতে ৬৭ হাজার দর্শকাসন রয়েছে। এখানে ফিফা অনূর্ধ্ব ১৭ বিশ্বকাপের ফাইনাল সহ গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ আয়োজন হয়েছে।'
একটি ম্যাচ না জিতেই এএফসি এশিয়ান কাপে অভিযান শেষ করেছে ভারত। এটাই ভারতের সবথেকে খারাপ পারফরম্যান্স এশিয়ান কাপে। এরআগে ২০১১ এবং ২০১৯ সালে গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নিলেও এতটাও হতাশাজনক পারফরম্যান্স করেনি ভারত।
এবারের এশিয়ান কাপে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথমার্ধে আশাব্যঞ্জক পারফরম্যান্স দিয়ে যাত্রা শুরু হয়েছিল, কিন্তু সেই ম্যাচে ভারত হারে ২-০ ব্যবধানে। উজবেকিস্তানের কাছে ৩-০গোলে লজ্জাজনক পরাজয় এবং সিরিয়ার কাছে ১-০ গোলে হেরে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নেয় ভারত।
হতাশাজনক এই পারফরম্যান্সের ফলে ভারত ফিফা ক্রম তালিকায় ১১৭ নম্বরে নেমে গিয়েছে। বিগত ৭ বছরে এটাই হবে ভারতের সবথেকে খারাপ ফল। এরআগে সাম্প্রতিককালে ভারতের সর্বোচ্চ ক্রম তালিকায় ভারতের স্থান ছিল ৯৬।












Click it and Unblock the Notifications