Thomas Tuchel: সাউথগেটের পরিবর্ত জার্মান টুখেল, বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্নকে তাড়া করার বার্তা ইংল্যান্ডের হেড কোচের
Thomas Tuchel: ইংল্যান্ড ফুটবল দলের হেড কোচ হলেন টমাস টুখেল। গ্যারেথ সাউথগেটের স্থলাভিষিক্ত হলেন তিনি। তারপরই ২০২৬ সালে ইংল্যান্ডকে বিশ্বকাপ জেতানোর আশা জাগালেন টুখেল।
জানুয়ারির ১ তারিখ থেকে দায়িত্ব নিচ্ছেন। আপাতত ১৮ মাসের জন্য চুক্তি। পিএসজি, চেলসি, বায়ার্ন মিউনিখের মতো ক্লাবগুলিতে কোচিং করানোর অভিজ্ঞতা রয়েছে টুখেলের।
স্ভেন-গোরান এরিকসন ও ফ্যাবিও ক্যাপেলোর পর টুখেলই হলেন থ্রি লায়ন্সের তৃতীয় হেড কোচ যিনি ইংল্যান্ডের নাগরিক নন। ইংল্য়ান্ড কয়েক দশক ধরে মেজর খেতাব জিততে পারছে না। গ্য়ারেথ সাউথগেটের প্রশিক্ষণাধীন ইংল্যান্ড পরপর দুবার ইউরোর ফাইনালে উঠলেও খেতাব স্পর্শের লক্ষ্য অধরাই থেকে গিয়েছে। ইতালি ও স্পেনের কাছে হারায়।
মেইনজ, বরুসিয়া ডর্টমুন্ডে কোচিং করানো টুখেল ইংল্যান্ড দলের ফুটবলারদের সঙ্গে কাজ করার সুযোগ পেয়ে আত্মবিশ্বাসী। তিনি ভরসা দিচ্ছেন খেতাব জেতানোরও। ওয়েম্বলিতে সাংবাদিক বৈঠকে তিনি জানিয়ে দিলেন, জার্সিতে দুটি তারা লাগাতে চাই। ২০২৬ সালে বিশ্বকাপ জেতার স্বপ্নপূরণে কঠোর পরিশ্রম করতে তৈরি।
টুখেলের কথায়, যে কোনও কাজকেই সবচেয়ে বড় ভাবি। তুলনায় যাই না। সুযোগ এলে তাকে বড় ভেবে সদ্ব্যবহারকেই গুরুত্ব দিতে চান ইংল্যান্ডের নয়া হেড কোচ। নতুন দায়িত্ব তাঁকে কিছুটা আবেগপ্রবণ করে তুলেছে। সামনে বড় টাস্ককে টিনএজার হিসেবে যেভাবে তাড়া করতেন, ইংল্যান্ড দলকে নিয়ে তেমন কিছুই করতে চান টুখেল। জানুয়ারি থেকে বিশ্বকাপ অবধি দায়িত্ব পেয়ে তিনি রীতিমতো উত্তেজিত।
১৯৬৬ সালে শেষবার ইংল্যান্ড বিশ্বকাপ জিতেছিল। পশ্চিম জার্মানিকে হারিয়ে। এবার জার্মান কোচ টুখেলের হাত ধরেই ফের বিশ্বজয়ের স্বপ্ন। টুখেল ইংল্যান্ডের ফুটবলারদের নিয়ে ধারাবাহিকতা বজায় রেখে বিশ্বকাপ জেতার পরিকল্পনা করবেন এবং জার্সিতে তারার সংখ্যা বাড়িয়ে ২ করবেন বলেও জানালেন।
ইংল্যান্ড ফুটবল দলের অন্তর্বর্তীকালীন হেড কোচ লি কার্সলি আপাতত দায়িত্ব পালন করে যাবেন। নেশনস লিগ অভিযানে। তারপর টুখেল দায়িত্ব নেবেন। চেলসিতে ২০২১ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২২ সালের সেপ্টেম্বর অবধি হেড কোচ ছিলেন টুখেল। তাঁর কোচিংয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ও ক্লাব বিশ্বকাপও জেতে চেলসি। ফলে ইংল্যান্ডের ফুটবলারদের সম্পর্কেও ভালোই ধারণা রয়েছে টুখেলের।
টুখেল থ্রি লায়ন্স সমর্থকদের আশ্বস্ত করে বলেন, ইংল্যান্ড দলের দায়িত্ব নিয়ে তিনি গর্বিত। এই পদের সম্মানরক্ষায় তিনি সেরাটাই দেবেন। ক্লাব ফুটবলে যেমন কোচিং করেন, ঠিক তেমনই প্যাশন ও ইমোশন নিয়ে কাজ করবেন। স্বপ্নপূরণে যা যা করণীয় সব কিছুই করবেন।













Click it and Unblock the Notifications