Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

মমতার পদত্যাগের সঙ্গে অরূপ, সুজিত ও শতদ্রুর গ্রেফতারি চান শুভেন্দু, কুণালের দাবি অশান্তির নেপথ্যে বিজেপিই

যুবভারতীতে লিওনেল মেসির অনুষ্ঠান ঘিরে চূড়ান্ত বিশৃঙ্খলা। শুরু রাজনৈতিক তরজা। ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস, দমকলমন্ত্রী সুজিত বোস ও স্পোর্টস প্রোমোটার শতদ্রু দত্তর গ্রেফতারি দাবি করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

এদিনের আয়োজন ঘিরে রাজ্য সরকার দূরত্ব বাড়িয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেস মুখপাত্র কুণাল ঘোষ দাবি করেছেন, প্রয়োজনে বেসরকারি এই উদ্যোগের মূল উদ্যোক্তাকে আটক করা হোক।

শুভেন্দু এক্স হ্যান্ডলে লিখেছেন, "ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস ও সুজিত বসুর ব্যবসা, দর্শকদের দুরবস্থা !!! যুবভারতীতে লিওনেল মেসির অনুষ্ঠানে চরম বিশৃঙ্খলা, মেসির গায়ে জোঁকের মতো চিটে রইলেন নেতা-মন্ত্রী-তারকারা, আর যাদের পিঠে কাঁঠাল ভেঙে মেসিকে দেখতে পাওয়ানোর লোভ দেখিয়ে হাজার হাজার টাকার টিকিট কাটানো হলো, সেই ফুটবলপ্রেমীদের ভাগ্যে জুটলো ৫-৭ মিনিটের জায়ান্ট স্ক্রিনের দর্শন !!!

ফুটবলের রাজপুত্র লিয়োনেল মেসি যুবভারতীতে ঢোকা মাত্র অন্তত ১০০ জন নেতা মন্ত্রী ও তাদের আত্মীয় পরিজন সাগরেদদের ভিড় ঘিরে ধরে তাঁকে। ফলে গ্যালারি থেকে তাঁকে দেখার কোনো উপায় ছিল না।

মোটা টাকায় টিকিট কেটে গিয়েও প্রিয় তারকাকে দেখতে পেলেন না দর্শকরা যাদের জলের বোতল পর্যন্ত নিয়ে যেতে দেওয়া হয় নি, আর বাধ্য করা হয় ২০ টাকার জল ২০০ টাকায় কিনতে। অথচ তৃণমূল নেতা মন্ত্রীরা ব্যবসা করে নিলেন এই সুযোগে। এদের থেকে শকুনও ভালো !

দর্শকবন্ধু ফুটবলপ্রেমীদের সাথে এই বিশ্বাসঘাতকতার প্রেক্ষাপটে আমার দাবী হলো:- ১) গ্যালারির সমস্ত দর্শকদের ১০০% টিকিটের দাম ফেরত দিতে হবে। ২) ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস, মন্ত্রী সুজিত বসু এবং প্রধান আয়োজক শতদ্রু দত্তকে এই বিশৃঙ্খলা, আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির দায়ে গ্রেফতার করতে হবে। ৩) গোটা বিশ্বের সামনে পশ্চিমবঙ্গের সম্মানহানির জন্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে অবিলম্বে পদত্যাগ করতে হবে।

ভোটের আগে লিওনেল মেসির সাথে ছবি তুলে 'খেলা হবে' করতে গেছিলেন ! উল্টে প্রতারিত দর্শক খেলা দেখিয়ে দিয়েছে..."

তৃণমূল কংগ্রেস মুখপাত্র কুণাল ঘোষ মেসি-কেন্দ্রিক ঘটনাবলী প্রসঙ্গে লিখেছেন, "ঘটনা দুর্ভাগ্যজনক। কতিপয় ব্যক্তির দায়িত্বজ্ঞানহীন, অপরিকল্পিত আচরণের জন্য সাধারণ টিকিট কেটে আসা দর্শকরা মেসিকে সেভাবে দেখতে পেলেন না। বঞ্চিত হলেন। ক্ষুব্ধ হলেন। তাঁদের আবেগ ন্যায্য। মুখ্যমন্ত্রী তাঁর বক্তব্য জানিয়ে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতির নেতৃত্বে তদন্তকমিটি গঠন করে দিয়েছেন। মেসিপ্রেমীদের কাছে দুঃখপ্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী।

এটি সম্পূর্ণভাবে আয়োজকদের চরম অব্যবস্থাপনার ফল-যাঁরা একটি বেসরকারি সংস্থা। রাজ্য সরকারের সঙ্গে এর কোনও সম্পর্ক নেই। ওই ব্যক্তিকে দরকারে আটক করে তদন্ত চলুক। ওদের কাছ থেকে স্টেডিয়াম ও জনতার ক্ষতিপূরণ নেওয়া হোক। সরকারের পক্ষ থেকে অরূপ বিশ্বাস কেবলমাত্র ক্রীড়ামন্ত্রী হিসেবে আমন্ত্রিত ছিলেন। সেটা খুবই স্বাভাবিক। তাঁর উপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তোলার কোনো অবকাশ নেই। তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে এর কোনও সম্পর্ক নেই।

স্বাভাবিকভাবেই রাজ্য সরকার এমন কোনও অনুষ্ঠানের অনুমতি দেবে। অনুমতি না দিলে সেই একই বাংলা-বিরোধীরাই সরকারকে দোষ দিত। মুখ্যমন্ত্রী বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য একটি কমিটি গঠন করেছেন। তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজের বক্তব্যও দিয়েছেন। এটি একটি ফিফা-স্বীকৃত স্টেডিয়াম। এর আগে এখানে বহু অনুষ্ঠান হয়েছে, কখনও কোনও সমস্যা হয়নি। কিন্তু আজ আমরা দেখেছি বিজেপি-সমর্থিত দুষ্কৃতীরা মাঠে ঢুকে উসকানি দিতে ও অশান্তি সৃষ্টি করার চেষ্টা করেছে। তারা গেরুয়া পতাকা বহন করছিল এবং স্লোগান দিচ্ছিল।

দর্শকদের ক্ষোভের সুযোগ নিয়ে এরা বিশৃঙ্খলা করছিল। শকুনের রাজনীতি করেছে। বাংলা-বিরোধী বিজেপি বাংলাকে বদনাম করতে যেকোনও সীমা ছাড়াতে পারে। পুলিশের উচিত এই ধরনের অসামাজিক তৎপরতার সঙ্গে জড়িতদের ভূমিকা খতিয়ে দেখা।
নবান্ন অভিযান হোক বা অন্য কোনও কর্মসূচি-বিজেপির কুখ্যাত অপরাধীরাই বরাবর রাজ্যে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অশান্ত করেছে।"

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+