Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

Euro Cup: মূলপর্বে আবির্ভাবেই ইউরো জেতার নজির আছে চারটি দেশের

রবিবাসরীয় রাতে লন্ডনের ওয়েম্বলি স্টেডিয়ামে রচিত হবে নয়া ইতিহাস। এই প্রথমবার ইউরো কাপ ফাইনাল খেলতে নামবে ইংল্যান্ড। ১৯৬৮ সালের ইউরো চ্যাম্পিয়ন ইতালির বিরুদ্ধে। ১৯৯৬ সালের পর এই প্রথম ওয়েম্বলিতে হবে ইউরো ফাইনাল। একনজরে দেখে নেওয়া যাক ইউরো সংক্রান্ত কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরিসংখ্যান।

ইউরো চ্যাম্পিয়নরা

ইউরো চ্যাম্পিয়নরা

ইউরো কাপে সবচেয়ে বেশি ৬টি ফাইনাল খেলেছে জার্মানি। ১৯৭২, ১৯৮০ ও ১৯৯৬ সালে চ্যাম্পিয়ন এবং ১৯৭৬, ১৯৯২ ও ২০০৮ সালে রানার আপ হয়েছে। স্পেন চারবার ইউরো ফাইনাল খেলেছে। চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ১৯৬৪, ২০০৮ ও ২০১২ সালে, রানার-আপ হয়েছে ১৯৮৪ সালে। ফ্রান্স তিনটি ইউরো কাপ ফাইনাল খেলেছে। ১৯৮৪ ও ২০০০ সালে চ্যাম্পিয়ন এবং ২০১৬ সালের রানার-আপ। সোভিয়েত ইউনিয়ন চারবার ইউরো ফাইনাল খেলেছে। জিতেছে ১৯৬০ সালে প্রথমবারের ইউরো কাপে (যাকে তখন বলা হতো ইউরোপিয়ান নেশনস কাপ)। রানার আপ হয়েছে ১৯৬৪, ১৯৭২ ও ১৯৮৮ সালে। ইতালি ১৯৬৮ সালে ইউরো চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। এ ছাড়া ২০০০ ও ২০১২ সালে রানার-আপ হয়। চেক প্রজাতন্ত্র ১৯৭৬ সালের ইউরোতে চ্যাম্পিয়ন হয়, রানার-আপ হয় ১৯৯৬ সালে। পর্তুগাল ২০১৬ সালে ইউরো চ্যাম্পিয়ন হয়, ২০০৪ সালে হয় রানার-আপ। নেদারল্যান্ডস একবারই ইউরো ফাইনাল খেলেছে, চ্যাম্পিয়নও হয় ১৯৮৮ সালে। ডেনমার্ক ও গ্রিস ইউরো কাপ ফাইনাল একবার করেই খেলেছে এবং চ্যাম্পিয়ন হয়েছে যথাক্রমে ১৯৯২ ও ২০০৪ সালে। ১৯৬০ ও ১৯৬৮ সালে দুটি ইউরো কাপ ফাইনালে উঠলেও চ্যাম্পিয়ন হতে পারেনি যুগোস্লাভিয়া। ১৯৮০ সালে বেলজিয়ামও ফাইনালে উঠেও সন্তুষ্ট থেকেছিল রানার-আপ হয়ে।

প্রথম চ্যাম্পিয়ন

প্রথম চ্যাম্পিয়ন

ইউরো কাপ, প্রথমে যার নাম ছিল ইউরোপিয়ান নেশনস কাপ, তাতে মূলপর্ব ধরা হতো সেমিফাইনাল থেকে। গ্রুপ পর্যায় বা কোয়ার্টার ফাইনালকে যোগ্যতা অর্জন পর্ব হিসেবে ধরা হতো। সেই নিরিখে ১৯৬০ সালে প্রথম ইউরোতে মূলপর্বে উঠেছিল ফ্রান্স, যুগোস্লাভিয়া, সোভিয়েত ইউনিয়ন ও চেকোস্লোভাকিয়া। সে বছর ইতালি, পশ্চিম জার্মানি, ইংল্যান্ডের মতো দেশগুলি ইউরোতে খেলেনি। রাজনৈতিক কারণে সোভিয়েত ইউনিয়নে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলতে যায়নি স্পেন। প্যারিসে ফাইনালে যুগোস্লাভিয়াকে ২-১ গোলে হারিয়ে প্রথম ইউরো জেতে সোভিয়েত ইউনিয়ন।

আবির্ভাবেই বাকি চ্যাম্পিয়নরা

আবির্ভাবেই বাকি চ্যাম্পিয়নরা

১৯৬৪ সালের মূলপর্বে সোভিয়েত ইউনিয়ন ছাড়া বাকি তিনটি দেশই ছিল নতুন। সেবার মূলপর্বে উঠেছিল ডেনমার্ক, আয়োজক স্পেন ও হাঙ্গেরি। মাদ্রিদে সোভিয়েত ইউনিয়কে ২-১ গোলে হারিয়ে দ্বিতীয় দেশ হিসেবে আবির্ভাবেই চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল স্পেন। ১৯৬৮ সালে যুগোস্লাভিয়া, সোভিয়েত ইউনিয়নের সঙ্গে মূলপর্বে উঠেছিল দুই নতুন দেশ ইংল্যান্ড ও ইতালি। রোমে অনুষ্ঠিত ফাইনালে যুগোস্লাভিয়াকে ২-০ গোলে পরাস্ত করে তৃতীয় দেশ হিসেবে আবির্ভাবেই চ্যাম্পিয়ন হওয়ার নজির গড়ে আজুরিরা। এরপর ১৯৭২ সালের ইউরো কাপ। সেবার মূলপর্বে উঠেছিল আরও দুই নতুন দেশ, আয়োজক বেলজিয়াম এবং পশ্চিম জার্মানি। সঙ্গে ছিল সোভিয়েত ইউনিয়ন ও হাঙ্গেরি। ব্রাসেলসে অনুষ্ঠিত ফাইনালে পশ্চিম জার্মানি ৩-০ গোলে হারিয়েছিল সোভিয়েত ইউনিয়নকে।

ইউরোর বাকি ফাইনালের ফলাফল

ইউরোর বাকি ফাইনালের ফলাফল

১৯৭৬ সালেই একমাত্র ইউরোর চ্যাম্পিয়ন নির্ধারিত হয়েছে টাইব্রেকারে। নির্ধারিত সময়ের খেলা ২-২ গোলে অমীমাংসিত থাকার পর পেনাল্টি শুটআউটে ৫-৩ গোলে পশ্চিম জার্মানিকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয় চেকোস্লোভাকিয়া। ১৯৮০ সালের ইউরোতে বেলজিয়ামকে ২-১ গোলে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয় পশ্চিম জার্মানি। ১৯৮৪ সালে স্পেনকে ২-০ গোলে হারিয়ে ইউরো জেতে ফ্রান্স। ১৯৮৮ সালে নেদারল্যান্ডস ইউরো চ্যাম্পিয়ন হয় সোভিয়েত ইউনিয়নকে ২-০ গোলে হারিয়ে। ১৯৯২ সালের ইউরোতে ডেনমার্ক জার্মানিকে ২-০ গোলে হারায় ফাইনালে। ১৯৯৬ সালে জার্মানি চেক প্রজাতন্ত্রকে ফাইনালে ২-১ গোলে হারিয়েছিল। ২০০০ সালে ইউরো ফাইনালে ইতালিকে ফান্স হারিয়েছিল ২-১ গোলে। ২০০৪ সালের ইউরো ফাইনালে ১-০ গোলে পর্তুগালকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয় গ্রিস। ২০০৮ ও ২০১২ সালে যথাক্রমে জার্মানিকে ১-০ এবং ইতালিকে ৪-০ গোলে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল স্পেন। ২০১৬ সালের ইউরো চ্যাম্পিয়ন হয় পর্তুগাল, ফ্রান্সকে ১-০ গোলে হারিয়ে। ইংল্যান্ড এবার ইতিহাস গড়তে পারে কিনা, নাকি ইতালি দ্বিতীয়বার ইউরো খেতাব জয়ের স্বাদ পায় তার জন্য প্রতীক্ষা আর কয়েক ঘণ্টার।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+