Indian Football: ভারতীয় ফুটবলে পশ্চিমবঙ্গ পিছিয়ে যাচ্ছে! অগ্রগতি পাঞ্জাবের, সমীক্ষায় চমকপ্রদ তথ্য
Indian Football: নববর্ষে চিরাচরিত রীতি মেনে সাড়ম্বরে হলো বারপুজো। কিন্তু ভারতীয় ফুটবলের সাপ্লাই লাইনের নিরিখে পশ্চিমবঙ্গের হাল ক্রমেই খারাপ হচ্ছে।
একটি সমীক্ষার ফলে প্রকাশ, ভারতীয় ফুটবলারদের মধ্যে ৬৫ শতাংশের বেশি আসছেন ৫টি রাজ্য থেকে। বাংলা ও গোয়া কিন্তু ক্রমেই পিছিয়ে পড়ছে।

সমীক্ষাটি চালিয়েছেন উয়েফা এ ও এএফসি প্রো লাইসেন্সধারী কোচ রিচার্ড হুড, যিনি আবার এআইএফএফের প্লেয়ার ডেভেলপমেন্টের প্রাক্তন প্রধানের দায়িত্ব সামলেছেন। ১৪০ কোটি দেশে প্রচুর প্রতিভা থাকার উপলব্ধি রয়েছে অনেকের। যদিও বাস্তবে তা নিয়ে প্রশ্নচিহ্ন থাকছেই।
২০১১ সালের জনগণনা অনুযায়ী মণিপুর, মিজোরাম, পশ্চিমবঙ্গ, পাঞ্জাব ও গোয়ার সম্মিলিত জনসংখ্যা ১২.৪৩ কোটি। এলিট লেভেলে খেলা ফুটবলারদের ৬৫ শতাংশের বেশিই এসেছেন এই পাঁচ রাজ্য থেকে। বিগত ২২ বছরে জুনিয়র ও সিনিয়র পর্যায়ে জাতীয় দলে এবং ঘরোয়া লিগের দুটি সেরা ডিভিশনে খেলা এই পুরুষ ফুটবলারদের সংখ্যা ১,১১২।
সমীক্ষায় জানা গিয়েছে, ভারতীয় ফুটবল দলের বিভিন্ন পর্যায়ে খেলা ফুটবলারদের ৯০ শতাংশ আসছেন ৯টি রাজ্য ও একটি শহর থেকে। উপরোল্লিখিত রাজ্যগুলির সঙ্গে এই তালিকায় রয়েছে- গ্রেটার মুম্বই, কেরল, তামিলনাড়ু, মেঘালয় ও সিকিম। ২০১১-র জনগণনা অনুযায়ী যার সম্মিলিত জনসংখ্যা ২৫ কোটির সামান্য বেশি।
ভারতীয় ফুটবল দলে ফুটবলার উপহার দেওয়ার নিরিখে মণিপুর ও মিজোরাম রয়েছে সকলের আগে। দেশের এলিট লেভেল ফুটবলারদের ৩১ শতাংশই এই দুই রাজ্যের। পশ্চিমবঙ্গ ১৩.৫৫, পাঞ্জাব ১১.৪৬ ও গোয়া ৯.৭১ শতাংশ নিয়ে রয়েছে যথাক্রমে তৃতীয় থেকে পঞ্চম স্থানে।
২০০২ থেকে যে ১৫২ ফুটবলার ভারতীয় দলে খেলেছেন তাঁদের ৮০ শতাংশই ৬টি রাজ্যের এবং একটি শহরের (গ্রেটার মুম্বই)। এই তালিকায় অবশ্য এগিয়ে পাঞ্জাব। হিন্দিভাষী অধ্যুষিত সিংহভাগ রাজ্যের অবস্থা শোচনীয়। আইএসএল, আই লিগের পাশাপাশি ভারতের সিনিয়র, অনূর্ধ্ব ২৩, অনূর্ধ্ব ২০ ও অনূর্ধ্ব ১৭ দলের ২২,৬৫,০১৫ মিনিটে ভারতীয়দের খেলার বিশ্লেষণ করা হয়েছে সমীক্ষায়।
২০০২ থেকে ভারতীয় দলে সবচেয়ে বেশি খেলার নিরিখে প্রায় ৮০ শতাংশ ফুটবলার সাতটি রাজ্যের। সম্মিলিত মিনিটের ১৬.৬৯ শতাংশই পাঞ্জাবের ফুটবলাররা খেলেছেন। ২০০৬ বিশ্বকাপ কোয়ালিফায়ারে বাংলার প্লেয়াররা যেখানে মোট সময়ের ৩৬.৩ শতাংশ খেলেছেন, ২০২৬ বিশ্বকাপের কোয়ালিফায়ারে তা নেমে এসেছে ৫ শতাংশে।
খেলার মোট সময়ের নিরিখে ২০০৪ সালেও গোয়ার ফুটবলাররা ৩০ শতাংশ খেলতেন, সেটাই এখন নেমে এসেছে ০.৪ শতাংশে। অনূর্ধ্ব ১৭ ফুটবল দলে কেরলের ফুটবলারদের খেলতে দেখাই যায় না। বয়সভিত্তিক টুর্নামেন্টে খেলার সময়ের নিরিখে মণিপুর অনেকটাই এগিয়ে (৩৮.৫৪ শতাংশ)।
প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্লাব ফুটবলে খেলার সময়ের নিরিখে অবশ্য এগিয়ে পশ্চিমবঙ্গ, তার পরেই মণিপুর ও পাঞ্জাব। আইএসএল ও আই লিগে অভিষেকের নিরিখে বাকি রাজ্যগুলিকে টেক্কা মণিপুর ও মিজোরামের। মণিপুরের ১৫৭ ও মিজোরামের ১৩০ জনের অভিষেক হয়েছে এই দুই সেরা লিগে।












Click it and Unblock the Notifications