Neymar On MSN: মেসি-সুয়ারেজের পাশে খেলতে চান, বিশ্বকাপ জেতার আগে বড় সিদ্ধান্তের পথে নেইমার
Neymar On MSN: লিওনেল মেসি ও লুই সুয়ারেজের পাশে দেখা যাবে নেইমারকে! ইংরেজি নতুন বছরে তেমন সম্ভাবনার কথা জিইয়ে রাখলেন খোদ ব্রাজিলীয় তারকাই।
বার্সেসোনায় মেসি ও সুয়ারেজের সঙ্গে খেলেছেন। এবার সেই ত্রিফলা আক্রমণ দেখা যেতেই পারে মেজর লিগ সকারে।
নেইমার সৌদি প্রো লিগে আল হিলালের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ রয়েছেন। সেই চুক্তির মেয়াদ ফুরোচ্ছে আগামী জুনে। ২০২৩ সালে আল হিলালে যোগ দেওয়ার পর চোটের কারণে সিংহভাগ সময়ই মাঠের বাইরে থাকতে হয়েছে নেইমারকে। খেলেছেন মাত্র সাতটি ম্যাচ।
ফেব্রুয়ারির ৫ তারিখ ৩৩ বছর পূর্ণ করে ফেলবেন নেইমার। ফলে তিনিও আকৃষ্ট হচ্ছেন মেজর লিগ সকারের দিকে। ইউরোপীয় ফুটবলে মেসি-সুয়ারেজ-নেইমার ত্রিফলাকে বলা হয় এমএসএন। আক্রমণভাগে এই ত্রিফলা ফেরাতে সাপোর্টার্স শিল্ডজয়ী ইন্টার মায়ামি পরিকল্পনা করছে বলেই খবর।
বার্সেলোনায় ২০১৪ সাল থেকে একসঙ্গে খেলেছেন মেসি, সুয়ারেজ ও নেইমার। নেইমার ২০১৭ সালে চলে যান প্যারিস সাঁ জাঁ-তে। ২০১৪-১৫, ২০১৫-১৬ ও ২০১৬-১৭ মরশুমে মেসি ১৫৩টি, সুয়ারেজ ১২১টি ও নেইমার ৯০টি গোল করেন। অর্থাৎ এমএসএনের সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে তিন মরশুমে অবদান ৩৬৪টি গোল।
গোল করানোর ক্ষেত্রে অবদানের মোট সংখ্যা ৫৩৭। মেসি যুক্ত থেকেছেন ২১৯টি ক্ষেত্রে, সুয়ারেজ ১৮০টিতে, নেইমার ১৩৮টিতে। এই সময়কালে বার্সেলোনা দুবার লা লিগা খেতাব জিতেছে। তিনবার জিতেছে কোপা দেল রে। চ্যাম্পিয়ন্স লিদ, ক্লাব ওয়ার্ল্ড কাপ, সুপারকোপা দে এস্পানা ট্রফি জয়েও অবদান রেখেছে ত্রিফলা এমএসএন!
২০২৫ অবধি মেজর লিগ সকারে ইন্টার মায়ামির সঙ্গে চুক্তি রয়েছে মেসি ও সুয়ারেজের। সেই মেয়াদ বৃদ্ধি করে নেইমারকেও যুক্ত করা হতে পারে। নেইমার সিএনএন স্পোর্টকে বলেন, মেসি ও সুয়ারেজের সঙ্গে ফের খেলতে পারলে দারুণ ব্যাপার হবে। আমরা তিনজন ভালো বন্ধু। একে অপরের সঙ্গে কথাও হয়। এই ত্রিফলা ফের দেখা গেলে খুব চিত্তাকর্ষক বিষয় হবে।
নেইমার বলেন, আমি আল হিলাল, সৌদি আরবে ভালোই আছি। তবে পরে কী হবে কেউ জানে না। ফুটবলে অনেক রকম অবাক করার মতো ঘটনা ঘটে। আমি পিএসজি ছাড়ার সময় ট্রান্সফার উইন্ডো খোলা ছিল না। ফলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে যেতে পারিনি। তবে পরিবার নিয়ে সৌদি আরবে থাকার বিকল্প তাঁর কাছে সেই সময় সেরা বিকল্প ছিল বলে জানান নেইমার।
ব্রাজিলের হয়ে আগামী বছর বিশ্বকাপ জেতার স্বপ্নপূরণ করার ব্যাপারেও আশাবাদী নেইমার। কনমেবল যোগ্যতা অর্জন পর্বে ব্রাজিল আপাতত পাঁচে থাকলেও বিশ্বকাপে ভালো ফল করার বিষয়ে আত্মবিশ্বাসী তিনি। তিনি বলেন, আমি জাতীয় দলে থাকার জন্য সর্বস্ব উজাড় করে দেব। যে কোনও মূল্যে বিশ্বকাপ খেলতে চাই। এটাই আমার শেষ বিশ্বকাপ হতে চলেছে। দলের উপর আস্থা রয়েছে। তরুণ ফুটবলাররা যথেষ্ট ভালো। সঠিক দিশা নিয়ে এগোলে বিশ্বকাপ জেতা সম্ভব।













Click it and Unblock the Notifications