ISL: লক্ষ্মীকান্তের বিশ্বস্ত দস্তানায় ভারত সেরার শিরোপা দখল হায়দরাবাদের, গোটা মরসুমে কী লেখাঝোকা তাঁর দেখে নিন
লক্ষ্মীকান্তের বিশ্বস্ত দস্তানায় ভারত সেরার শিরোপা দখল হায়দরাবাদের, গোটা মরসুমে কী লেখাঝোকা তাঁর দেখে নিন
আইএসএল-এ পা রাখার তিন বছরের মধ্যেই ভারতীয় ফুটবলের সর্বোচ্চ খেতাব ঘরে তুলেছে হায়দরাবাদ এফসি। নিজাম শহরের এই দলের সাফল্যের নেপথ্যে যতটা অবদান রয়েছে গোল্ডেন বুট জয়ী বার্থেলমিউ ওগবেচের, ততটাই অবদান রয়েছে গোটা মরসুম তেকাঠির তলায় দাঁড়িয়ে হায়দরাবাদের গোলদূর্গকে নির্ভরতা দেওয়া লক্ষ্মীকান্ত কাট্টিমনির।

ফাইনালে কেরল ব্লাস্টার্সের আক্রমণকে নির্ধারিত নব্বই মিনিট এবং পরবর্তী অতিরিক্ত ৩০ মিনিট রুখে দেওয়া পর টাইব্রেকারে হায়দরাবাদকে ট্রফি এনে দেয় কাট্টামনির বিশ্বস্ত দস্তানা। তিনটি শট তিনি বাঁচান টাইব্রেকারে।
কাট্টিমনি এই মরসুমে ২২টি ম্যাচেই হায়দরাবাদের গোল দূর্গ রক্ষা করেছেন। ৩২ বছর বয়সী এই গোলরক্ষক ২২ ম্যাচে হজম করেছে মাত্র ২৩টি গোল। সদ্য সমাপ্ত আইএসএল-এ সব থেকে কম গোল হজম করার বিচারে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন লক্ষ্মীকান্ত । গোটা মরসুমে তিনি সেভ করেছেন মোট ৬১টি। গোলের নীচে অনবদ্য পারফরম্যান্সের সুবাদে গোল্ডেন গ্লাভস জিতে নিয়েছেন গোয়ার এই ফুটবলার। ২২ ম্যাচের মধ্যে তিনটিতে ক্লিন শিট রেখেছেন লক্ষ্মীকান্ত । ১১৯টি ক্ষেত্রে বল হাই ক্লেম (ক্যাচ) করেছেন তিনি।
ফুটবলে অ্যাটাক তৈরি হয় গোলরক্ষকের কাছ থেকে। গোটা মরসুমে ৬৭৯টি টাচ নিয়েছে কাট্টিমনি। ঠিক পাস খেলেছেন ২৩৮টি। ৫৫.০৪ শতাংশ পাস ঠিক খেলিয়েছেন কাট্টিমানি। মোট ২০৫টি শট এই মরসুমে ফেস করেছেন লক্ষ্মীকান্ত কাট্টিমনি। যার মধ্যে টার্গেটে ছিল ৮৪টি। গোটা মরসুমে একটি মাত্র হলুদ কার্ড দেখেছেন প্রায় পাঁচ ফুট সাড়ে আট ইঞ্চির এই গোলরক্ষক।
২০১৪ সালে উদ্বোধনী আইএসএল-এ এফসি গোয়ার জার্সিতে প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন লক্ষ্মীকান্ত কাট্টিমনি। আইএসএল-এর দ্বিতীয় সংস্করণে অর্থাৎ ২০১৫ আইএসএল ফাইনালে এফসি গোয়া দলের সুযোগ পাওয়ার নেপথ্যেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান ছিল কাট্টিমনির। ওই ফাইনালে চেন্নাইয়ান এফসির বিরুদ্ধে দু'টি পেনাল্টি বাঁচিয়ে ছিলেন তিনি কিন্তু অন্য সতীর্থরা যোগ্যতা অনুযায়ী পারফর্ম করতে না পারায় তাঁর অবদান জলে যায়। পরবর্তী দুই মরসুমেও এফসি গোয়ার ফার্স্ট চয়েস গোলরক্ষক ছিলেন গোয়ার এই তারকা। গোয়ার হয়ে দু'বার রানার্স হওয়ার পর ২০১৯-২০ মরসুমে হায়দরাবাদ এফসি'র চুক্তি পত্রে সই করেন তিনি। তবে, ওই মরসুমে মাত্র ছয়টি ম্যাচেই সুযোগ পেয়েছিলেন লক্ষ্মীকান্ত । ২০২০-২১ মরসুমে দলের ফার্স্ট চয়েস গোলরক্ষক হিসেবে দলে নিজের জায়গা করে নেন তিনি। অল্পের জন্য গত মরসুমে সেমিফাইনালে জায়গা হাতছাড়া হলেও ম্যানুয়েল মার্কুইজের ছেলেরা সদ্য সমাপ্ত আইপিএল-এ দুরন্ত পারফর্ম করলেন।












Click it and Unblock the Notifications