ISL 2023-24: ফাইনাল হেরেও কোটিপতি মোহনবাগান, আগামী মরশুমের লক্ষ্য জানিয়ে দিলেন কামিংস-দিমিত্রিরা
ত্রিমুকুট জযের স্বপ্ন অধরাই থেকেই মোহনবাগান এসজির। ঘরের মাঠে মুম্বই সিটি এফসির কাছে হেরে আইএসএল ট্রফি জয়ের স্বপ্নভঙ্গ হয়েছে সবুজ মেরুনের। এর আগে ডুরান্ড কাপ এবং আইএসএল লিগ শিল্ড জিতেছিল মোহনবাগান এসজি, কিন্তু ফাইনালে হেরে এক রাশ হতাশা নিয়েই মাঠ ছাড়তে হল সবুজ মেরুনকে। ফাইনাল ম্যাচ হারলেও আগামী মরশুমে আরও শক্তিশালী হয়ে ফিরে আসার কথা জানিয়েই যুবভারতী ছাড়লেন কামিংস-দিমিত্রিরা।
গোটা টুর্নামেন্টে তাঁর নামের পাশে ১২ গোল। ফাইনালে গোল করলেও দলকে জেতাতে ব্যর্থ হলেন। স্টেডিয়াম ছাড়ার আগে কামিংস বললেন, 'ফাইনাল ম্যাচে দিনটাই আমাদের ছিল না। অবশ্যই হতাশার আমাদের জন্য। তবে এই ফাইনাল ম্যাচ আমাদের কাছে অতীত। আগামী কয়েকদিন পরিবার ও বন্ধুদের সঙ্গে ছুটি কাটিয়ে আবার আমরা ফিরে আসব। আগামী মরশুমে আরও শক্তিশালী হয়ে মাঠে নামব। অবশ্যই আমাদের লক্ষ্য থাকবে এএফসি কাপে ভালো খেলা।'

টুর্নামেন্টের সেরা ফুটবলার হয়ে সোনার বল জিতেছেন মোহনবাগান এসজির দিমিত্রি। গোটা টুর্নামেন্টে ১০ গোল করার পাশাপাশি সাতটি অ্যাসিস্ট আছে অজি তারকার। ফাইনাল ম্যাচের পর দিমিত্রি বলেন, 'আমি অত্যন্ত গর্বিত এই দলের সদস্য হওয়ার জন্য। আমাদের এই মরশুম শেষ এবার আমাদের আগামী নিয়ে ভাবতে হবে।'
ফাইনাল ম্যাচের আগে হাবাসকে নিয়ে তীব্র জল্পনা তৈরি হয়। যদিও ফাইনাল হারের পর সবুজ মেরুন সমর্থকদের স্বস্তি দিলেন স্প্যানিশ কোচ। আগামী মরশুম সম্পর্কে হাবাস বলেন, 'প্রথমেই মোহনবাগানে থাকা প্রসঙ্গে আমি যে কথা বলেছিলাম, সেটার ব্যাখ্যা দিতে চাই। আমি বোঝাতে চেয়েছিলাম যে, ভারতেই আমি নিজের কোচিং কেরিয়ার শেষ করতে চাই। এটাই আমার শেষ ম্যাচ বলিনি। ভারতেই যে আমার কোচিং জীবন শেষ করতে চাই এটা আগেই বলেছি। আপাতত ক্লাবের সঙ্গে আলোচনা চলছে। আরও একটা বছর কোচ হিসাবে থাকতে পারি কি না সেটা নিয়ে কথাবার্তা শুরু করেছি।"
ফাইনালের লড়াইয়ে হারের পর বলছেন সবুজ-মেরুন কোচ বলেছেন, 'আমরা নাগাড়ে পাঁচটা ফাইনাল খেলেছি। আমাদের ছেলেরা তাই মানসিক ভাবে ক্লান্ত হয়ে পড়ে'।
আইএসএল-এর ফাইনালে হারলেও রানার্স হিসেবে মোটা অঙ্কের প্রাইজ মানি পেল মোহনবাগান এসজি। ম্যাচ শেষে আড়াই কোটি টাকার চেক তুলে দেওয়া হয় মোহনবাগান এসজিকে। অন্যদিকে চ্যাম্পিয়ন হওয়ায় মুম্বই সিটি এফসি পেল ৬ কোটি টাকা।
অনেক আশা নিয়ে প্রায় ৬২,০০০ দর্শক মাঠে এলেও, শেষ বাঁশি বাজার আগেই মাঠ ফাঁকা হতে শুরু করে। হতাশ সবুজ-মেরুন সমর্থকরা একরাশ শূন্যতা নিয়েই বাড়ি ফিরলেন। সেই সঙ্গে আগামী মরশুমে আরও ভালো খেলার স্বপ্ন দেখছে মেরিনার্স।












Click it and Unblock the Notifications