বর্ণবৈষম্যের শিকার দুই ফরাসি ফুটবলার, নিন্দায় সরব ফেডারেশন, বায়ার্ন মিউনিখ, কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত

বিশ্বকাপ ফাইনালে পেনাল্টি মিস করায় বর্ণবৈষম্যের শিকার দুই ফরাসি ফুটবলার, নিন্দায় সরব ফেডারেশন, বায়ার্ন মিউনিখ

আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে বিশ্বকাপ ফাইনালে টাই ব্রেকারে স্বপ্ন ভঙ্গ হয়েছে ফ্রান্সের। দুরন্ত প্রত্যাবর্তন ঘটিয়েও বিশ্বকাপের মঞ্চে ব্যাক টু ব্যাক চ্যাম্পিয়ন হওয়া হয়নি দিদিয়ের দেশঁচ্যাম্পের। কিলিয়ান এমবাপে, হুগো লরিসদের মাথা নীচু করে ছাড়তে হয়েছে স্টেডিয়াম।

ফ্রান্সের হারের জন্য অনেকটাই দায়ী কোম্যান-চুয়ামেনির পেনাল্টি মিস:

ফ্রান্সের হারের জন্য অনেকটাই দায়ী কোম্যান-চুয়ামেনির পেনাল্টি মিস:

ফ্রান্সের এই হারের ক্ষেত্রে সব থেকে বেশি যে দুই ফুটবলার দায়ী তাঁরা হলেন কিংসলে কোম্যান এবং অউরেলিয়েন চুয়ামেনি। কোম্যানের পেনাল্টি কিক দুর্দান্ত দক্ষতায় বাঁচিয়ে দেন আর্জেন্টিনার গোলরক্ষক এমানুয়েল মার্টিনেজ এবং চুয়ামেনির শট লক্ষ্যভ্রষ্ঠ হয়। এই দুইটি পেনাল্টি মিস ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণের ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা পালন করে। এই হারের পর থেকেই সামাজিক মাধ্যমে বর্ণবৈষম্যের শিকার হয়েছেন এই দুই ফুটবলার। ফরাসি সমর্থকদের কাছে তাঁরাই এই হারের জন্য প্রধান দায়ী এবং তাঁদের ঘিরে না না রকমের বিরোধ এবং কটূ মন্তব্য করা হচ্ছে সামাজিক মাধ্যমে।

বৈষম্যমূলক মন্তব্য করা সমর্থকদের ধিক্কার জানিয়েছে ফরাসি ফুটবল ফেডারেশন:

দলের দুই ফুটবলারের প্রতি এই ধরনের আচরণ দেখে এগিয়ে এসেছে ফ্রান্স ফুটবল ফেডারেশন এবং যেই ফুটবলাররা একটা দলকে ফাইনাল পর্যন্ত নিয়ে যাওয়ার জন্য নিজেদের নিংড়ে দিল সেই ফুটবলারদেরই এই ধরনের বর্মবৈষম্যমূলক সমর্থকদের তীব্র ধিক্কার জানিয়েছে ফরাসি ফুটবলের নিয়ামক সংস্থা। তাদেক পক্ষ থেকে এই আচরণের প্রতিবাদ করে জানানো হয়েছে দোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুতই অভিযোগ দায়ের করা হবে।

ফাইনালের সংক্ষিপ্তসার:

ফাইনালের সংক্ষিপ্তসার:

রুদ্ধশ্বাস বিশ্বকাপ ফাইনালে লিওনেল মেসির পেনাল্টি গোল এবং অ্যাঞ্জেল ডি মারিয়ার দুর্ধর্ষ গোলে এগিয়ে যায় আর্জেন্টিনা। ম্যাচে যখন আর কোনও আশা নেই ধরে নিয়েছেন ফ্রান্সের সমর্থকেরা তখনই জ্বলে ওঠেন এমবাপে। ওটামেন্ডে বক্সের মধ্যে কোলো মুয়ানিকে ফাউল করলে পেনাল্টি পায় ফ্রান্স। স্পট কিক থেকে গোল শোধ করেন কিলিয়ান এমবাপে। এই গোলের দুই মিনিটের মধ্যে দুর্দান্ত শটে দ্বিতীয় গোল করে ফ্রান্সকে ম্যাচে ফিরেয় আনেন তরুণ এমবাপেই। ম্যাচ গড়ায় অ্যাডেড টাইমে। অ্যাডেড টাইমের দ্বিতীয়ার্ধে ১০৮ মিনিটে মেসির ডান পায়ের শটে ৩-২ গোলে এগিয়ে যায় আর্জেন্টিনা। এটি ছিল ডান পায়ে মেসির শততম গোল। কিন্তু অ্য়াডেড টাইমের শেষ লগ্নে ১১৮ মিনিটে ফের পেনাল্টি পায় ফ্রান্স। গঞ্জালো মন্তিয়ালের হাতে বক্সের মধ্যে বল লাগায় ২০১৮ সালের চ্যাম্পিয়নরা পেনাল্টি পায়। স্পট কিক থেকে গোল করে দলকে সমতায় ফেরাতে ভুল করেননি এমবাপে। একই সঙ্গে বিশ্বকাপের ফাইনালে দ্বিতীয় ফুটবলার হিসেবে হ্যাটট্রিক করেন তিনি। ম্যাচ গড়ায় টাই ব্রেকারে, সেখানে শেষ পর্যন্ত ৪-২ গোলে জিতে ৩৬ বছরের প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে তৃতীয় বারের জন্য বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন হয় আর্জেন্টিনা।

বায়ার্ন মিউনিখ নিন্দা করেছে এই আচরণের:

রবিবার ছিল বিশ্বকাপ ফাইনাল। সোমবারই ইংলিশ সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয় কোম্যান এবং চুয়ামেনি সমাজিক মাধ্যমে বর্ণবৈষম্যের শিকার হচ্ছেন পেনাল্টি মিস করায়। বাধ্য হয়ে এই দুই ফুটবলার ইনস্টাগ্রামে মন্তব্য করার জায়গাই বন্ধ করে দেন। ফরাসি ফুটবল ফেডারেশনের পাশাপাশি বর্ণবৈষম্য মূলক মন্তব্যের তীব্র বিরোধিতা করেছে বায়ার্ন মিউনিখ। এই বায়ার্নেই খেলেন কোম্যান।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+