Euro Cup 2024: ইউরো কাপ সবচেয়ে বেশিবার স্পেনের দখলে! ইংল্যান্ডকে হারিয়ে একাধিক ঈর্ষণীয় নজির, চুরমার বহু রেকর্ড
Euro Cup 2024: বার্লিনে ১২ বছরের মেজর জয়ের খরা কাটাল স্পেন। ২০১২ সালের পর ফের স্পেনের দখলে ইউরো কাপ। ফাইনালে ইংল্যান্ডকে হারাল ২-১ গোলে।
স্পেনের হয়ে গোলগুলি করেন নিকো উইলিয়ামস ও মিকেল ওয়ারজাবাল। ইংল্যান্ডের একমাত্র গোলটি কোল পামারের। পামার ও ওয়ারজাবাল দুজনেই নেমেছিলেন পরিবর্ত হিসেবে।
ইউরো কাপের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশিবার খেতাব দখলে রাখার রেকর্ড গড়ল স্পেন। এর আগে, ১৯৬৪ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নকে ২-১ গোলে হারিয়ে প্রথমবার ইউরো খেতাব জেতে তারা। ২০০৮ সালে জার্মানিকে ১-০ ও ২০১২ সালে ইতালিকে ৪-০ গোলে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল স্পেন।
জার্মানি তিনবার (১৯৭২, ১৯৮০ ও ১৯৯৬) ইউরো কাপ জিতেছে। ১৯৭৬, ১৯৯২ ও ২০০৮ সালে তারা রানার-আপ হয়। ইতালি ১৯৬৮ ও ২০২০ সালে ইউরো জেতে। ২০০০ ও ২০১২ সালে ইতালি ইউরোয় রানার-আপ হয়। ফ্রান্স ১৯৮৪ ও ২০০ সালে ইউরো কাপ চ্যাম্পিয়ন ও ২০১৬ সালে রানার-আপ হয়।
রাশিয়া ১৯৬০ সালে ইউরো কাপ জিতেছে, ১৯৬৪, ১৯৭২ ও ১৯৮৮ সালে তারা রানার-আপ হয়। চেক প্রজাতন্ত্র ১৯৭৬ সালে ইউরো কাপ জেতে, ১৯৯৬ সালে রানার-আপ হয়। পর্তুগাল ২০১৬ সালে চ্যাম্পিয়ন ও ২০০৪ সালে রানার-আপ হয়।
স্লোভাকিয়া ১৯৭৬, নেদারল্যান্ডস ১৯৮৮, ডেনমার্ক ১৯৯২ ও গ্রিস ২০০৪ সালে ইউরো জেতে, তাদের কেউই আর ফাইনাল খেলেনি। সার্বিয়া ১৯৬০ ও ১৯৬৮ সালে রানার-আপ হয়। ইংল্যান্ড তাদের মতোই ২ বার ফাইনালে উঠে খেতাব জিততে পারল না। ১৯৮০ সালে বেলজিয়াম একবারই ফাইনাল খেলে রানার-আপ হয়।
সাতটি ম্যাচ টানা জিতে স্পেনের আগে কোনও দেশই ইউরো খেতাব জিততে পারেনি। এবারের ইউরোয় স্পেন ১৫টি গোল করেছে, যা সর্বাধিক। ১৯৮৪ সালের ইউরো কাপে ফ্রান্স খেতাব জিতেছিল ১৪টি গোল করে। স্পেনের লামিনে ইয়ামাল ১৭ বছর ১ দিনের মাথায় ইউরো ফাইনাল খেললেন। সর্বকনিষ্ঠ ফুটবলার হিসেবে মেজর ফাইনাল খেলার নিরিখে ভাঙলেন পেলের রেকর্ড।
জার্মানির হেলমুট স্কন (১৯৭২ ও ১৯৭৬) এবং বের্টি ফোক্টসের (১৯৯২ ও ১৯৯৬) পর ইংল্যান্ডের গ্যারেথ সাউথগেট তৃতীয় ম্য়ানেজার যাঁর দল পরপর দু-বার ইউরো কাপ ফাইনাল খেলল।
নিকো উইলিয়ামস দ্বিতীয় সর্বকনিষ্ঠ (২২ বছর ২ দিন) হিসেবে ইউরো কাপ ফাইনালে গোল করলেন। যার জেরে ইংল্যান্ড এবারের ইউরো কাপে নক আউট পর্বে প্রতিটি ম্যাচেই পিছিয়ে পড়ে। এদিন সমতা ফেরালেও জয় অধরাই থাকল।
ইউরো কাপের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি বয়সের হেড কোচ হিসেবে কাপ জয়ের নিরিখে লুইস দে লা ফুয়েন্তে রইলেন তৃতীয় স্থানে। এই প্রথম ইউরো কাপের ফাইনাল খেললেন দুই টিনএজার। তাঁরা হলেন স্পেনের লামিনে ইয়ামাল (১৭ বছর ১ দিন) ও ইংল্যান্ডের কোব্বি মাইনু (১৯ বছর ৮৬ দিন)।













Click it and Unblock the Notifications