Euro Cup 2024: লড়াই করেও সুইসদের জয় অধরাই, টাইব্রেকারে জিতে ইউরো কাপের শেষ চারে ইংল্যান্ড
ইংল্যান্ডকে চাপে রাখলেও অঘটন ঘটাতে ব্যর্থ সুইৎজারল্যান্ড। কোয়ার্টার ফাইনালে সুইসদের হারিয়ে শেষ চারের টিকিট নিশ্চিত করল ইংল্যান্ড। ১২০ মিনিট ফল ১-১ থাকার পর ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারিত হল টাইব্রেকারে।
শুক্রবার রাতে ফ্রান্স বনাম পর্তুগালের ম্যাচের ফয়শালা হয়েছিল টাইব্রেকারে। তারই রেশ পড়ল ইংল্যান্ড বনাম সুইৎজারল্যান্ড ম্যাচেও। ১২০ মিনিটের ম্যাচের চূড়ান্ত ফলাফল হল না। ফলে পেনাল্টি শুট আউটের খেলার ভাগ্য নির্ধারিত হল।

ম্যাচের প্রথমার্ধে বারবার আক্রমণ শানাচ্ছিল হ্যারি কেন, বেলিংহামরা। কিন্তু কিছুতেই কাঙ্ক্ষিত সেই গোল পাচ্ছিল না। হাফটাইম হওয়ার আগে বেশ কয়েক মিনিট আক্রমণের ঝাঁজ বাড়িয়েছিল ইংল্যান্ড। প্রথমার্ধ ছিল গোলশূন্য। দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই দুই দলই গোলের লক্ষ্যে আক্রমণের ধার বৃদ্ধি করে। ৫১ মিনিটের মাথায় কনসার শট বাঁচান ইংল্যান্ডের গোলরক্ষক জর্ডন পিকফোর্ড। ব্রিল এমবোলো, গ্রানিট জ়াকা, রুবেন ভারগাসেরা সুযোগ তৈরি করছিলেন। অন্য দিকে মাঠে খুঁজেই পাওয়া যাচ্ছিল না হ্যারি কেনকে।
ম্যাচের ৭৫ মিনিটে চমকে দিয়েই লিড নিয়ে নেয় সুইসরা। এমবোলোর গোলে এগিয়ে যায় তারা।ইংল্যান্ড বক্সের মধ্যে আসা গ্রাউন্ডেড বলে পা ঠেকিয়ে জালে জড়িয়ে দেন সুইস ফুটবলার। কিন্তু গোল খাওয়ার পরই যেন খোঁচা খাওয়া বাঘ হয়ে উঠে ইংল্যান্ড। ৫ মিনিটের ব্যবধানে ম্যাচের ফল ১-১ করলেন সাকা।
সুইৎজারল্যান্ড পেনাল্টি বক্সের ঠিক বাইরে থাকা মারা তাঁর কার্ভড শট বুঝে উঠতে পারেননি প্রতিপক্ষ দলের গোলকিপার সোমার। বার ছুঁয়ে তা গোলে ঢুকে যায়। এরপর দুই দল সুযোগ পেলেও গোল সংখ্যা বাড়েনি। ফলে নির্ধারিত ৯০ মিনিট শেষ হল ১-১ গোলেই।
এরপর খেলা গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। কিন্তু এই ৩০ মিনিটেও ইংল্যান্ডের যাবতীয় আক্রমণ রুখে দিল সুইসরা। ফলে ম্যাচ গড়াল টাইব্রেকারে। সেখানেই চাপ ধরে রাখতে ব্যর্থ হল সুইসরা। ৫-৩ ফলে ম্যাচ জিতে সেমিফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করল হ্যারি কেনের দল। টাইব্রেকারে নায়ক হয়ে উঠলেন পিকফোর্ড। সুইসদজের প্রথম পেনাল্টি নিতে যান ম্যানুয়েল আকাঞ্জি। ইংল্যান্ডের পাঁচ ফুটবলার বল গোলে রাখেন।












Click it and Unblock the Notifications