Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

Euro 2020: টাইব্রেকারে হেরে বিদায় বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ফ্রান্সের, শেষ আটে সুইজারল্যান্ড

স্পেন-ক্রোয়েশিয়ার আট গোলের থ্রিলার শেষে আরও একটি নাটকীয় প্রি কোয়ার্টার ফাইনালের সাক্ষী থাকল ইউরো কাপ। বড় অঘটন ঘটাল সুইসরা। বুখারেস্ট বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ফ্রান্সকে টাইব্রেকারে হারিয়ে ইউরোর শেষ আটে স্পেনের মুখোমুখি হওয়া নিশ্চিত করে ফেলল সুইজারল্যান্ড। গতবারের চ্যাম্পিয়ন পর্তুগালের পর এবার ইউরোয় শেষ হয়ে গেল বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের অভিযান। টাইব্রেকারে কিলিয়ান এমবাপের শট রুখে ইতিহাস গড়লেন ইয়ান সমার।

টাইব্রেকারে হেরে বিদায় বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ফ্রান্সের

প্রথমার্ধে এক গোলে এগিয়ে ছিল সুইজারল্যান্ড। দ্বিতীয়ার্ধে সুইজারল্যান্ডের দুই গোলে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ থাকলেও পেনাল্টি মিস করেন রডরিগেজ। এরপর করিম বেঞ্জেমার জোড়া গোল ও পল পগবার গোলে এগিয়ে যায় ফ্রান্স। ৮১ মিনিট অবধি ৩-১ গোলে এগিয়ে ছিল। কিন্তু ৮১ মিনিটে ম্যাচে সেফেরোভিচের দ্বিতীয় গোলের পর ৯০ মিনিটে গাভরানোভিচের গোলে সমতা ফেরায় সুইসরা।

ম্যাচের ১৫ মিনিটের মাথায় জুবারের ক্রস থেকে হেডে গোল করে সুইজারল্যান্ডকে এগিয়ে দিয়েছিলেন হারিস সেফেরোভিচ। পিছিয়ে পড়ার পর এমবাপে, বেঞ্জেমা, গ্রিজম্যানরা আক্রমণে গেলেও গোল আসছিল না। প্রথমার্ধে অবশ্য বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের চেনা ছন্দে পাওয়াও যায়নি। প্রথমার্ধে এক গোলে পিছিয়েই ছিল ফ্রান্স। ৫২ মিনিটে পেনাল্টি পায় সুইজারল্যান্ড। জুবারকে বক্সের মধ্যে অবৈধভাবে বাধা দেন এমবাপে, ভার প্রযুক্তির সাহায্য নিয়ে পেনাল্টি দেন রেফারি। যদিও রডরিগেজের পেনাল্টি মিসের ধারা এই ম্যাচে সুইজারল্যান্ডের অভিশাপ হয়েই চিহ্নিত হয়ে রইল। ৫৫ মিনিটে রডরিগেজের শট রুখে দেন স্পেনের গোলকিপার হুগো লরিস।

এরপরই করিম বেঞ্জেমার ঝড়। ৫৭ মিনিটে এমবাপের পাস ধরে অনবদ্য গোল করেন তিনি। সমতা ফেরায় ফ্রান্স। ৫৯ মিনিটে গ্রিজম্যানের শট ইয়ান সমার রুখে দিলে ফিরতি বলে শট নিয়ে তা জালে জড়়িয়ে ফ্রান্সকে ২-১ গোলে এগিয়ে দেন বেঞ্জেমা। এই গোলটি দেশের হয়ে তাঁর ৩১তম গোল, ফ্রান্সের হয়ে সর্বাধিক গোল করার নিরিখে জিনেদিন জিদানের রেকর্ড স্পর্শ করলেন তিনি।

এরপর ৭৫ মিনিটে ব্যবধান বাড়ান পল পগবা দুরন্ত গোল করে। ফ্রান্স ৩-১-এ এগিয়ে যাওয়ার পরও শেষ অবধি মরণপণ লড়াই চালাতে থাকে সুইজারল্যান্ড। ৮১ মিনিটের মাথায় এমবাবুর ক্রস থেকে হেডে গোল করেন সেফেরোভিচ। ম্যাচে এটি তাঁর দ্বিতীয় গোল। এরপর ৯০ মিনিটে মাথায় গোল করে সুইসদের টিকিয়ে রাখেন মারিও গাভরানোভিচ। ৭৩ মিনিটে শাকিরির পরিবর্ত হিসেবে নামেন তিনি। ইনজুরি টাইমের তিন মিনিটের মাথায় ফ্রান্সের কিংসলে কোমনের দুরন্ত শট ক্রসবারে লেগে ফিরে আসতেই ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে।

দুই দলই সতর্কভাবে খেলতে থাকে। তবে অতিরিক্ত সময়ের দ্বিতীয়ার্ধে ফ্রান্স আধিপত্য নিয়েই খেলে, কয়েকটি সুযোগও তৈরি হয়। পরপর দুটো সুযোগ পেলেও কাজে লাগাতে পারেননি। ১১০ মিনিটে সহজতম সুযোগ নষ্ট করেন এমবাপে। অতিরিক্ত সময় গোলশূন্য থাকায় ফয়সালা হয় টাইব্রেকারে।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+