পরাস্ত পাঞ্জাব এফসি, সুপার কাপের ফাইনালে পৌঁছে গেল ইস্টবেঙ্গল
সুপার কাপের ফাইনালে পৌঁছে গেল ইস্টবেঙ্গল। আজ ফতোরদার জওহরলাল নেহরু স্টেডিয়ামে পাঞ্জাব এফসিকে ৩-১ গোলে হারিয়ে।
দৃঢ়চেতা মনোভাব ও দক্ষতার ছাপ রেখে এই জয় ছিনিয়ে নেয় লাল-হলুদ ব্রিগেড। চলতি মরশুমে এই নিয়ে দ্বিতীয় কোনও ফাইনালে পৌঁছল ইস্টবেঙ্গল। এর আগে তারা আইএফএ শিল্ডের ফাইনালে মোহনবাগান এসজি-র কাছে হেরেছিল।

ম্যাচের ১২ মিনিটে মহম্মদ বাশিম রশিদের গোলে ইস্টবেঙ্গল এগিয়ে যায়। ৩৪ মিনিটে পেনাল্টি থেকে পাঞ্জাবকে সমতায় ফেরান ড্যানিয়েল রামিরেজ। প্রথমার্ধের অতিরিক্ত সময়ে (৪৫+৩) কেভিন সিবিলের গোলে ইস্টবেঙ্গল আবার এগিয়ে যায়। ৭১ মিনিটে ক্রেসপোর গোলে ৩-১ ব্যবধানে এগিয়ে যায় অস্কার ব্রুজোঁর দল।
দুই দলই সাবধানী থেকে খেলা শুরু করেছিল। দশম মিনিটেই পাঞ্জাব প্রথম সুযোগ পায়, যখন প্রমবীরের হেড লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। মহাম্মদ উবাইসের অনুপস্থিতি পাঞ্জাবের রক্ষণভাগকে কিছুটা নড়বড়ে করে তোলে, যার সুযোগ কাজে লাগায় ইস্টবেঙ্গল।
১২ মিনিটে ইস্টবেঙ্গল শর্ট কর্নার থেকে গোল পায়। ফেরেইরার কর্নার ক্লিয়ার হলেও বক্সের বাইরে বল রশিদের কাছে পড়ে। রশিদ প্রথম ছোঁয়ায় বল নিয়ন্ত্রণ করে গোলরক্ষক মুহিত শাবিরের গ্লাভসের নীচ দিয়ে জোরালো শট জালে জড়ান। ইস্টবেঙ্গলের হয়ে রশিদের এটিই প্রথম গোল।
এই গোলের পর পাঞ্জাব উজ্জীবিত হয়ে আক্রমণ শুরু করে। ইস্টবেঙ্গলের ভুলেই সমতাসূচক গোল আসে। রিকি শাবংয়ের ক্রস বিপিন সিংয়ের হাতে লাগলে রেফারি পেনাল্টির নির্দেশ দেন। রামিরেজ নির্ভুল দক্ষতায় পেনাল্টি থেকে প্রভসুখান সিং গিলকে পরাস্ত করেন।
তবে তাতে ইস্টবেঙ্গল ভেঙে পড়েনি, সেট-পিস আক্রমণে জোর দেয়। প্রথমার্ধের অতিরিক্ত সময়ে ফেরেইরা বাঁ-দিক থেকে চমৎকার কর্নার নেন। কেভিন সিবিলে মার্কসম্যানের উপর দিয়ে লাফিয়ে শক্তিশালী হেডে বল জালে জড়ান। উদযাপনের অতিরিক্ত উচ্ছ্বাসের কারণে ইস্টবেঙ্গল কোচ ব্রুজোঁ দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখেন।
দ্বিতীয়ার্ধে ইস্টবেঙ্গল আরও আধিপত্য বিস্তার করে। ৫৬ মিনিটে বিপিন সিংয়ের জোরালো শট শাবির প্রতিহত করলেও ব্যবধান বাড়েনি। ফার পোস্টে হিরোশি ইবুসুকি হেড লক্ষ্যে রাখতে পারেননি। পাঞ্জাব সুহাইল ও রামিরেজের মাধ্যমে সুযোগ খুঁজলেও ইস্টবেঙ্গলের সুসংগঠিত রক্ষণ ভেদ করতে ব্যর্থ হয়।
৭১ মিনিটে ফেরেইরার একক নৈপুণ্যে ম্যাচের চূড়ান্ত গোলটি আসে। বক্সের ভেতর একাধিক পাঞ্জাব ডিফেন্ডারকে এড়িয়ে তিনি বল দেন অধিনায়ক সল ক্রেসপোকে। ক্রেসপো বাঁ-পায়ের নিখুঁত শটে বল জালে জড়িয়ে জয় নিশ্চিত করেন।












Click it and Unblock the Notifications