CFL 2024: কলকাতা প্রিমিয়ার লিগে ধাক্কা মোহনবাগান সুপার জায়ান্টের, আটকে দিল ভবানীপুর
CFL 2024: কলকাতা প্রিমিয়ার লিগে মহমেডান স্পোর্টিং ৬ ও ইমামি ইস্টবেঙ্গল ৭বার প্রতিপক্ষের জালে বল জড়িয়ে দারুণভাবে অভিযান শুরু করেছে। সে তুলনায় তার ধারেকাছে যেতে পারল না মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট।
ব্যারাকপুরে মোহনবাগান এসজি খেলল ভবানীপুর এফসির বিরুদ্ধে। খেলা শেষ হলো ১-১ ফল নিয়ে। বৃষ্টিভেজা মাঠে দুই দলেরই একাধিক ফুটবলার চোট পেয়েছেন।

মোহনবাগান সুপার জায়ান্টের রিজার্ভ টিমের তরুণ ফুটবলাররা কলকাতা প্রিমিয়ার লিগে খেলছেন নবাগত কোচ ডেগি কার্ডোজোর তত্ত্বাবধানে। গোলে রাজার সঙ্গে বাগানের যে ১০ জন এদিন শুরু থেকে ছিলেন তাঁরা হলেন রাজ, আমন, সায়ন, সৌরভ, এঙ্গসন, শিবাজিৎ, টাইসন, ফারদিন, সালাহ ও অধিনায়ক সুহেল।
শিবাজিতের ফ্রি কিক থেকে এগিয়ে গিয়েছিল সবুজ মেরুন। এ ক্ষেত্রে কিছুটা দোষ ছিল মোহনবাগানের প্রাক্তনী তথা ভবানীপুরের গোলরক্ষক শংকর রায়ের। যদিও বেশিক্ষণ এই অগ্রগমন ধরে রাখতে পারেনি মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট।
জিতেন মুর্মুর গোলে সমতা ফেরায় ভবানীপুর। সামগ্রিক ম্যাচ বিশ্লেষণ করলে এই ম্যাচ জেতা উচিত ছিল ভবানীপুরের। তাদেরই বাগানের চেয়ে বেশি সঙ্ঘবদ্ধ দেখিয়েছে। বেশ কয়েকটি ভালো আক্রমণ তুলে আনলেও গোলমুখ খুলতে না পারার ব্যর্থতাতেই তিন পয়েন্ট আদায় করতে পারেনি ভবানীপুর।
শেষের দিকে গোল পেতে যে মরিয়াভাব দেখা গিয়েছে বাগানের তরুণ ব্রিগেডের মধ্যে, তা আরও আগে কেন দেখা গেল না, সেই প্রশ্নই ঘুরপাক খাচ্ছে বাগান সমর্থকদের মধ্যে। ম্যাচ চলাকালীন প্রথমার্ধে ভবানীপুরের সফিউল রহমান চোট পান। তাঁকে মাঠে সিপিআর দিতে হয়। স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় অ্যাম্বুল্যান্সে করে। শেষ পাওয়া খবরে, তিনি ভালো আছেন। উদ্বেগের কিছু নেই।
বৃষ্টিভেজা মাঠে খেলার অভিজ্ঞতা মোহনবাগান সুপার জায়ান্টের তুলনায় ভবানীপুরের ফুটবলারদেরই বেশি ছিল। ফলে দুই দলেরই কয়েকজন চোট পেলেও বল দখলের লড়াইয়ে আধিপত্য দেখিয়েছে ভবানীপুরই। যদিও বাগান কর্তাদের আশা, সবে শুরু হলো। লিগ যত এগিয়ে যাবে ততই চেনা ছন্দে দেখা যাবে পালতোলা নৌকাকে।












Click it and Unblock the Notifications