Bhaichung Bhutia: ভারতের হেড কোচ হিসেবে মানোলোকে নিয়োগ পদ্ধতি মেনে হয়নি! ফেডারেশন থেকে পদত্যাগ ভাইচুংয়ের
Bhaichung Bhutia: ভারতের পুরুষ দলের হেড কোচ হিসেবে মানোলো মার্কুয়েজকে দায়িত্ব দিয়েছে এআইএফএফ। ফেডারেশনের এগজিকিউটিভ কমিটি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
এরপরই কোচ নিয়োগের পদ্ধতিতে আপত্তি জানিয়ে ফেডারেশনের এগজিকিউটিভ কমিটি থেকে পদত্যাগ করলেন ভাইচুং ভুটিয়া। যাতে কল্যাণ চৌবের সঙ্গে ভাইচুংয়ের সংঘাতে অন্য মাত্রা যোগ হলো।

ভাইচুংয়ের অভিযোগ, টেকনিক্যাল কমিটিকে এড়িয়ে মানোলোকে হেড কোচ হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে। জানা যাচ্ছে, মানোলো মার্কুয়েজের সঙ্গে আপাতত তিন বছরের চুক্তি হলেও তিনি ২০২৪-২৫ মরশুম অবধি এফসি গোয়া ও ভারতের কোচের দায়িত্বে থাকবেন।
স্বাভাবিকভাবেই এমন নিয়োগ নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। স্বার্থের সংঘাতের গুরুতর অভিযোগও ধেয়ে আসতে পারে মানোলোর দিকে। ফেডারেশন তারপরও কেন এমন সিদ্ধান্ত নিল তা জানা যায়নি। ভাইচুং তোপ দেগেছেন গোটা প্রক্রিয়াটি নিয়েই।
ভাইচুং ফুটবলারদের তরফে ফেডারেশনের কর্মসমিতিতে কো-অপ্ট মেম্বার হিসেবে আসেন। আজ ফেডারেশনের বৈঠকেও তিনি ছিলেন। তারপরই পদত্যাগের কথা জানান সংবাদমাধ্যমের কাছে। তাঁর দাবি, সাধারণ নিয়মে টেকনিক্যাল কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেয় কর্মসমিতি।
এআইএফএফের টেকনিক্যাল কমিটির শীর্ষে রয়েছেন আইএম বিজয়ন। ভাইচুং বলেন, আমি টেকনিক্যাল কমিটির চেয়ারম্যান ছিলাম ২০১৩ থেকে ২০১৭ অবধি। স্টিফেন কনস্টানটাইনকে ভারতের কোচ নিয়োগের সময় আমি প্রক্রিয়ায় যুক্ত ছিলাম। যাঁরা আবেদন করেন তাঁদের মধ্যে থেকে যোগ্যকে বাছার দায়িত্ব থাকে টেকনিক্যাল কমিটির।
সেই কমিটির সুপারিশকেই গুরুত্ব দেওয়া হয় কোচ নিয়োগের সময়। যদিও মানোলোকে দায়িত্ব দেওয়ার আগে টেকনিক্যাল কমিটির একটি বৈঠকও হয়নি বলে দাবি ভাইচুংয়ের। কতজন আবেদন করেছেন, কাদের প্রথমে বাছাই করা হয়, এ সব বিষয় এখনও অন্ধকারে।
ভাইচুংয়ের কথায়, যদি হেড কোচ নিয়োগে টেকনিক্যাল কমিটিকে এড়িয়ে যাওয়া হয়, এই কমিটিকে গুরুত্বহীন করে দেওয়া হয় তাহলে আমাদের থাকার দরকার কী? আমি বৈঠকেও সে কথা বলেছি। পদত্যাগের কথা বৈঠকেও জানিয়েছি। ভাইচুং বলেন, ফেডারেশনের সহ সভাপতি এনএ হ্যারিসের নেতৃত্বাধীন এক বিশেষ কমিটি কোচ বাছাই করেছে। এর বিরোধিতা করেন ভাইচুং।
ভাইচুং বলেন, যেখানে টেকনিক্যাল কমিটি রয়েছে, সেখানে হেড কোচ নিয়োগে স্পেশ্যাল কমিটির কোন দরকার? গোটা প্রক্রিয়াটিই ভুল। কোচকে আনা, ছাঁটাই করা, মেয়াদ বৃদ্ধি করার সব সিদ্ধান্তই নিচ্ছে ফেডারেশনের কর্মসমিতি, টেকনিক্যাল কমিটির সঙ্গে কোনও আলোচনা না করেই।
ফেডারেশনের সভাপতি কল্যাণ চৌবের প্রস্তাবিত দু-একজনের নামের মধ্যে থেকেই একটি নামে এগজিকিউটিভ কমিটি সিলমোহর দেয় বলে অভিযোগ ভাইচুংয়ের। বিজয়ন আজকের বৈঠকে যোগ দেন ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে। ফেডারেশনের সেক্রেটারি জেনারেল এম সত্যনারায়ণের পাল্টা দাবি, টেকনিক্যাল কমিটির চেয়ারম্যানের সঙ্গে আলোচনা করেই সিদ্ধান্ত হয়েছে। বিতর্কের প্রয়োজনীয়তা নেই।












Click it and Unblock the Notifications