AIFF: আর্থিক দুর্নীতি ইস্যুতে চাপ বাড়ল কল্যাণের উপর, ফেডারেশন সভাপতির বিরুদ্ধে এবার রিপোর্ট তলব এএফসির
আর্থিক দুর্নীতি ইস্যুতে চার ক্রমশ বাড়ছে এআইএফএফ সভাপতি কল্যাণ চৌবের উপর। আগেই ফেডারেশন সভাপতির বিরুদ্ধে আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ তুলেছিলেন এআইএফএফ-র আইনি প্রধান নীলাঞ্জন ভট্টাচার্য। কিন্তু এই অভিযোগ তোলার পরই সংশ্লিষ্ট আইনজীবীকে পদ থেকে সরিয়ে দেন কল্যাণ চৌবে। কিন্তু বিষয়টি সহজে মিটছে না। এবার বিষয়টি নিয়ে আসরে নামল এএফসি।যা চাপ বাড়াল কল্যাণ চৌবের উপর।
এআইএফএফের প্রাক্তন আইনী উপদেষ্টা নীলাঞ্জন ভট্টাচার্যকে এএফসি নির্দেশ দিয়েছে, আগামী ১৮ মার্চের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট (নথি ও প্রমাণ সহ)জমা দিতে হবে। বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে দেখছে এএফসি। এএফসি-র শৃঙ্খলারক্ষা এবং এথিক্স কমিটির সহ-সচিব ব্যারি লিসাট জানিয়েছেন, চলতি মাসের ১৮ তারিখের মধ্যেই সব অভিযোগের প্রমাণ জমা দিতে হবে। সব অভিযোগের পূর্ণাঙ্গ তথ্যপ্রমাণও এএফসির পক্ষ থেকে চাওয়া হয়েছে।

এরআগে নীলাঞ্জন ভট্টাচার্য একেবারে চিঠি লিখে বিস্তারিতভাবে এই বিষয়ে অভিযোগ করেছেন। তিনি তাঁর চিঠি পাঠিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কাছে। সেই চিঠিতে তিনি বিস্তারিতভাবে লিখেছেন কোন কোন দুর্নীতির সঙ্গে কল্যান চৌবে কীভাবে যুক্ত রয়েছেন। টেন্ডার দুর্নীতি থেকে ফেডারেশনের টাকা ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহারের মতো গুরুতর অভিযোগ কল্যাণের বিরুদ্ধে তুলেছিলেন নীলাঞ্জন। কল্যাণের বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল, ইন্ডিগো এয়ারলাইন্সের সঙ্গে যে চুক্তি ফেডারেশন করছে, সেটাতেও তিনি দুর্নীতি করেছেন।
এরপর নিজের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেন সভাপতি কল্যাণ চৌবে। পাশাপাশি তিনি জানান, নীলাঞ্জন তাঁকে ফাঁসানোর জন্য এমন অভিযোগ করেছেন। এরপর বড়সড় পদক্ষেপ নেয় সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশন। নীলাঞ্জনকে প্রধান আইনি পরামর্শদাতার পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়।
কিন্তু সব কিছুকেই মিথ্যা অপপ্রচার বলে দাবি করে আসছিলেন কল্যাণ। কিন্তু বিষয়টিতে এএফসি হস্তক্ষেপ করায় কল্যাণের উপর চাপ বাড়ল। সাংবাদ সংস্থা পিটিআইকে নীলাঞ্জন বলেছেন, এএফসি যে আমার অভিযোগকে মান্যতা দিয়েছে এতে আমি খুশি। এআইএফএফ-র সকলেই বিষয়টি নিয়ে কোনও কথা বলছেন না। এই সবে শুরু। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই এএফসি-র কাছে অভিযোগের প্রমাণ পাঠিয়ে দেব। আমার কাছে সব রয়েছে।'












Click it and Unblock the Notifications