H3N2 Influenza A Virus: জ্বর, সঙ্গে গলায় ব্যাথা! নয়া এই ভাইরাসে আক্রান্ত নন তো?
করোনায় রক্ষা নেই আর এর মধ্যে দেশে নয়া ভাইরাসের বাড়বাড়ন্ত। আর তাতে ২৪ ঘন্টাতে দেশে ছয়জনের মৃত্যু হয়ে গিয়েছে। এই অবস্থয় কতটা ভয়ঙ্কর নয়া এই ভাইরাস
H3N2 Influenza A Virus: করোনা ভাইরাসের রেশ কাটতে না কাটতেই ফের এক ভাইরাসের দাপট! এটি একটি ইনফ্লুয়েঞ্জা A সাবটাইপ H3N2 ভাইরাস। কর্নাটকে নয়া এই ভাইরাসে প্রথম মৃত্যুর খবর সামনে এসেছে। সে রাজ্যে এক বৃদ্ধের মৃত্যুর খবর সামনে এসেছে।
শুধু তাই নয়, হরিয়ানাতেই একজনের মৃত্যুর খবর সামনে এসেছে বলে জানা যাচ্ছে। দেশের এই ভাইরাসে দুজনের মৃত্যুর পরেই সচেতনতা বাড়ানোর কথা বলছেন চিকিৎসকরা। কিন্তু ইনফ্লুয়েঞ্জা A সাবটাইপ H3N2 ভাইরাস আদৌতে কি ধরণের ভাইরাস? কতটা ভয়ঙ্কর এটি। সমস্ত তথ্য এই প্রতিবেদনে আলোচনা করা হল।

H3N3 ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস আসলে কি
H3N2 Virus আসলে একটি Influenza। যেটি কিনা মূলত শ্বাসতন্ত্রকে প্রভাবিত করে। বিশেষজ্ঞদের কথা ঠিক হলে এই ভাইরাস পাখি, এমনকি স্তন্যপায়ী প্রাণীকেও সংক্রমিত করতে পারে। রোগ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র ( সিডিএস) এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংগঠনের তথ্য অনুসারে, H3N2 হল ইনফ্লুয়েঞ্জা A ভাইরাসের একটি উপ-প্রকার, যা মানুষের ইনফ্লুয়েঞ্জার একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ। সাধারণভাবে ইনফ্লুয়েঞ্জাকে A, B, C, D এই চারভাগে ভাগ করা হয়ে থাকে। এর মধ্যে ইনফ্লুয়েঞ্জা A ও B সাধারণভাবে বার্ষিক মরসুমী মহামারীর জন্য দায়ী। H3N2 হল ইনফ্লুয়েঞ্জা A-এর একটি সাবটাইপ।

এই ভাইরাসের লক্ষ্মণগুলি কি
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুসারে, মূলত এই ধরণের ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাসের লক্ষ্মণ কাশি এবং জ্বর। এমনকি গভীর নিমোনিয়া, তীব্র শ্বাসকষ্ট এমনকি হঠাত চমকে ওঠার মতো সম্ভাবনা থাকতে পারে। এমনকি এই ভাইরাসের অন্যান্য লক্ষ্মণগুলি হল- ঠান্ডা লাগা, বমি বমি ভাব। এমনকি জ্বর এবং বমি হলেও এই ভাইরাসে আক্রান্ত বলে ধরে নিতে হবে। এছাড়াও গলায় ব্যাথা, শরীর জুড়ে ব্যাথা, পেশীতে ব্যাথা, এমনকি ডায়রিয়াও এই ভাইরাসের লক্ষ্মণ হিসাবে দেখা যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। এমনকি হাঁচি এবং নাক দিয়ে জল পড়াটাও এই রোগে আক্রান্ত বলে জানা গিয়েছে।

কতটা ভয়ঙ্কর হতে পারে এই ভাইরাস
যদি কোনও ব্যক্তির শ্বাস নেওয়ার ক্ষেত্রে সমস্যা হয়, কিংবা বুকে ব্যথা বা অস্বস্তি অনুভব করেন সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসকদের পরামর্শ নেওয়ার কথা বলা হচ্ছে। শুধু তাই নয়, যদি জ্বর না কমে, গলায় ব্যাথা থাকে তাহলেও চিকিৎসকদের পরামর্শের কথা বলা হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে এই ভাইরাসে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। বিশেষ করে গর্ভবতী মহিলা, ছোট বাচ্চা, বয়স্ক ব্যক্তিদের নানা ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে। এমনকি এই ভাইরাস ফুসফুসে ব্যাপক ভাবে ক্ষতি করছে। ভয়ঙ্কর ভাবে এই ভাইরাস ছড়াতে পারে। কাঁচি-কাশির মাধ্যমে এই ভাইরাস ছড়াতে পারে। ফলে মাস্ক পড়ার নিদান দিচ্ছেন চিকিৎসকরা।

কীভাবে বাঁচবেন এই ভাইরাস থেকে
এই ভাইরাস থেকে বাঁচতে সবসময় হাত ধোঁয়ার কথা বলছেন চিকিৎসকরা। এমনকি ফের একবার মাস্ক পড়ার কথাও বলা হচ্ছে। এমনকি যতটা সম্ভব ভিড় এলাকা এড়িয়ে যাওয়ারও পরামর্শ চিকিৎসকদের। যতটা সম্ভব মুখ কিংবা নাকে হাত না দেওয়ার কথা বলছেন বিশেষজ্ঞরা। শুধু তাই নয়, চিকিৎসকরা হাইড্রেটেড থাকার পরামর্শ দিচ্ছেন। এমনকি প্রচুর পরিমাণে তরল খাওয়ার কথাও বলা হচ্ছে।
ছবি সৌ:পিটিআই












Click it and Unblock the Notifications