ট্রাম্প জমানায় মার্কিন-পাকিস্তান সম্পর্কে উন্নতির আশা বিশেষ নেই, বললেন পাক কূটনীতিক
ভারতের অর্থিনীতি এবং প্রবাসী ভারতীয়দের প্রভাবের কারণে রিপাবলিকান নেতৃত্ব ভারতের দিকেই ঝুঁকবে বেশি, বললেন প্রাক্তন পাক রাষ্ট্রদূত
বারাক ওবামা-পরবর্তী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রও কি পাকিস্তানের প্রতি বিমুখই থাকবে? এই প্রশ্ন ইসলামাবাদের অলিতেগলিতে ঘুরপাক খাচ্ছে গত ৮ নভেম্বর রিপাবলিকান প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁর প্রতিপক্ষ হিলারি ক্লিন্টনকে নির্বাচনে হারানোর পর থেকেই।
পাকিস্তানের পক্ষ থেকেও বেশ কিছু মহলে আশঙ্কা করা হয়েছে যে ট্রাম্প শেষ পর্যন্ত যাবেন ভারতের পক্ষেই যদিও আফগানিস্থান সহ কিছু কৌশলগত প্রশ্নে আমেরিকার পাকিস্তানকে এখনও প্রয়োজন। কিনতু বড় চিত্রটির কথা ভাবলে ইসলামাবাদ নয়, নয়াদিল্লিই এখন ওয়াশিংটনের বেশি কাছের।

আর এবার সেই আশঙ্কায় সিলমোহর লাগলেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রাক্তন পাকিস্তানী রাষ্ট্রদূত শেরি রহমান। বুধবার (নভেম্বর ১৬) তিনি পাকিস্তানের প্রথম সারির দৈনিক 'ডন'-এ একটি নিবন্ধে অদূর ভবিষ্যতে পাক-মার্কিন-ভারত ত্রিকোণমিতির সমীকরণ কী হতে চলেছে, তা ব্যক্ত করেন।
রিপাবলিকান-হিন্দু ভালো মিশ খাবে; অতএব ট্রাম্পের চোখে ভারত এগিয়ে
শেরির প্রথম যুক্তি: ট্রাম্প প্রশাসন তার এশীয় নীতির মাঝখানে রাখবে ভারতকেই। এবং সে অর্থে, ওবামা প্রশাসন যে অবস্থান নিয়েছিল, তা থেকে খুব পৃথক তাঁর উত্তরসূরির প্রশাসন হবে না। এনএসজি প্রসঙ্গেও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ভারতকে সমর্থন করবে আগামী দিনেও বলে জানান শেরি। তিনি বলেন যে ভারতের বাজার ছাড়াও রিপাবলিকানদের উপর প্রবাসী ভারতীয়দের প্রভাব যথেষ্ট। তিনি বলেন যে অতি-জাতীয়তাবাদী দেশগুলির সঙ্গে ট্রাম্পের মিল হবে সহজেই কারণ তিনি নিজেও ওই ধরণের রাজনৈতিক মতাদর্শে বিশ্বাসী। এবছরের মার্কিন নির্বাচনের আগে হিন্দু জাতীয়তাবাদীদের তরফে ট্রাম্পের গুণগান এবং ট্রাম্পেরও হিন্দিতে কথা বলা ইত্যাদির প্রসঙ্গে শেরি বলেন ভবিষ্যতে এই দৃশ্য আরও দেখা যাবে।












Click it and Unblock the Notifications