Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

রথযাত্রার দিনে এই ১২টি কাজ যা সুখ ও সমৃদ্ধি বয়ে আনতে পারে, জানুন

রথযাত্রা অত্যন্ত একটা পবিত্র দিন বলেই শাস্ত্রে উল্লিখিত রয়েছে। তাই এই দিনটিকে ধর্মপ্রাণরা যথেষ্টই গুরুত্ব সহকারে দেখেন।

রথযাত্রা অত্যন্ত একটা পবিত্র দিন বলেই শাস্ত্রে উল্লিখিত রয়েছে। তাই এই দিনটিকে ধর্মপ্রাণরা যথেষ্টই গুরুত্ব সহকারে দেখেন। কথিত রয়েছে এই দিনে জয় জগন্নাথ নামে ধ্বনি আর তার সংস্পর্শ গৃহে সুখ ও সমৃদ্ধি আসে।

এমন পবিত্র দিনে পূণ্য অর্জনের জন্য এগুলি করে দেখেতে পারেন

পুরীর রাজা প্রদ্যুম্নের হাতেই রথযাত্রা উৎসবের সূচনা। এই খানকার রথ উৎসবের জগৎজোড়া খ্যাতি। আর কী কী কাজ করলে রথযাত্রার দিনে সুখ-শান্তি ও সমৃদ্ধি আসে- তা একনজরে।

  • বলা হয় রথ দেখলে নাকি আধ্যাত্মিক জ্ঞান বৃদ্ধি পায়, চিত্তশুদ্ধি ঘটে। এমনকী প্রকৃত মানসচক্ষুর দৃষ্টি আরও প্রসারিত হয়।
  • রথ টানার সময় একজন যদি তা দাঁড়িয়ে দেখেন তাতে তাঁর অন্তরে থাকা সমস্ত পাপের মোচন ঘটে।
  • রথের রশি ধরে টান মারা একটা পূর্ণ্যের কাজ বলে মনে করা হয়। এই রশিতে হাত ছুঁইয়ে রাখলে নানা ধরনের পূণ্যার্জন হয় বলেই কথিত রয়েছে।
  • রথযাত্রার দিনে জগন্নাথের দৈব্যবিগ্রহের সামনে নৃত্য পরিবেশন ও জয়-জগন্নাথ নাম উচ্চারণ করে গেলে মানসিক শান্তি লাভ হয় ও সুখ-সমৃদ্ধি আসে।
  • রথযাত্রা উৎসবের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত কেউ অংশ নিলে এবং এর সমস্ত আচার-উপাচার পালন করলে পূণ্যার্জন হয়। এমনকী এর জন্য সারাজীবন জগন্নাথের আশীর্বাদ বর্ষিত হয়।
  • রথযাত্রায় কেউ যদি তাঁর শ্রম ও অর্থ ব্যয় করেন তাহলেও নাকি পূণ্যলাভ হয় এবং জগন্নাথের আশীর্বাদ মেলে।
  • রথযাত্রার দিনে জগন্নাথের বিগ্রহের সামনে একটি হলুদ কাপড়ে ১১টি কড়ি রাখতে হয়। কড়িগুলিতে কেশরের টিপ দিতে হয়। সারা রাত ধরে ওই হলুদ কাপড়ের মধ্যে কড়িগুলিকে ঠাকুরের আসনে রেখে দিতে হয়। পরে হলুদ কাপড়ের মধ্যে কড়িগুলোকে বেঁধে ক্যাশ বাক্স বা যেখানে টাকা-পয়সা থাকে সেখানে রেখে দিলে ধাপে ধাপে আর্থিক সমৃদ্ধি ঘটে বলে কথিত রয়েছে।
  • এছাড়াও মনস্কামনা পূরণের জন্য ১১ রকমের ফল, ১১ রকমের মিষ্টি এবং ১১টি এক টাকার কয়েন একটি হলুদ কাপড়ে করে জগন্নাথদেবের আসনে রেখে দিতে হবে।
  • রথযাত্রার দিনে জগন্নাথ ব্রত করুন- এতে সুখ মিলবে। বাড়িতে নারায়ণ থাকলে তার সামনেও এই ব্রত পালন করতে পারেন। একটি পেতলের বাটিতে একটু আতপ চাল, দুটো কাঁচা হলুদ এবং ১ টাকার একটি কয়েন দিন। এরপর এই বাটিটি জগন্নাথ দেবের সামনে রেখে দিন। উল্টো রথের শেষ লগ্নে এই বাটিটি তুলে নিন এবং বাটিতে থাকা সমস্ত ভূজ্যি কোনও মন্দির বা ভিক্ষুককে দান করলেই নাকি মনস্কামনা পূরণ হয়ে যাবে বলেই দাবি করা হয়।
  • হতাশা, দুঃখ ও কষ্ঠ থেকে রেহাই পেতে জগন্নাথের শরণের মতো আর কোনও আশ্রয় হয় না বলেই বিষ্ণুপ্রেমের আধ্যাত্মিকবাদীরা দাবি করেন। তুলসি জগন্নাথদেবের সবচেয়ে প্রিয় জিনিস। ১০৮টি তুলসী পাতা দিয়ে মালা গড়ুন। তবে তুলসি পাতা ফুটো করবেন না। তুলসি পাতার ডগাগুলিকে বেঁধে বেঁধে এই মালা তৈরি করতে হবে। ১০৮টি পাতা না থাকলে ৫৪টি পাতা দিয়ে মালা তৈরি করতে পারেন। তৈরি মালা জগন্নাথদেবের গলায় পরিয়ে দিতে হবে।
  • কথিত রয়েছে রথযাত্রার দিনে 'বিষ্ণশাস্ত্র' শব্দটি উচ্চারণ করলে স্বর্গে ঠাঁই মেলে।
  • রথের সামেন মাটিতে দণ্ডী কাটলে এবং রথে মাথা ঠুকলে স্বর্গসুখ যেমন নিশ্চিত হয় তেমনি দেব্য অনুগ্রহ মেলে বলেও দাবি করা হয়।
More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+