আকাশগঙ্গা ছায়াপথে আরও চার ভিনগ্রহী সভ্যতা রয়েছে, দাবি গবেষকদের
আকাশগঙ্গা ছায়াপথে আরও চার ভিনগ্রহী সভ্যতা রয়েছে, দাবি গবেষকদের
মানুষের সবচেয়ে বেশি উৎসাহের বিষয়গুলোর একটি হল মহাবিশ্ব ও এলিয়েন বা ভিনগ্রহী! সত্যিই কী এই মহাবিশ্বের আরও কোথাও কোনও পৃথিবী আছে? সেখানের অধিবাসীরা কেমন দেখতে? কি খায়? কেমনই বা তাদের পোশাক-আশাক? কিংবা ভিনগ্রহীদের সভ্যতাই বা কেমন? এ প্রশ্নের উত্তর খোঁজার চেষ্টা করে গিয়েছেন বিজ্ঞানীরা, খরচ হয়েছে লক্ষ কোটি ডলার! বারবার ব্যর্থ হয়েছে গবেষণা কিন্তু মানুষ থামেনি! তবে এবার কী সেই শুভক্ষণ উপস্থিত? মানুষ কি সত্যি এবার অন্য গ্রহের জীবদের সঙ্গে বসে আড্ডা দিতে পারবে? স্পেনের গবেষকদের দাবি অবশ্য ততটা উৎসাহ না দিলেও আশা জাগায় বৈকি!
আকাশগঙ্গা গ্যালাক্সিতে পৃথিবীর ঠিকানা চিহ্ন তৈরি করার চেষ্টায় রয়েছেন বিজ্ঞানীরা৷ উদ্দেশ্য একটাই যদি কোনও ভিনগ্রহী সভ্যতার খোঁজ মেলে। তবে এবার বোধহয় সেরকমই সম্ভাবনার খোঁজ মিলেছে৷ স্পেনের গবেষকরা দাবি করছেন যে গ্যালাক্সিতে পৃথিবী অবস্থিত সেখানেই রয়েছে আরও চারটি এলিয়েন সভ্যতা! একটি নতুন গবেষণা দাবি করে যে আমাদের পৃথিবীর বিপরীতে প্রতিকূল উদ্দেশ্য সহ কমপক্ষে চারটি এলিয়েন সভ্যতা থাকতে পারে। যদিও গবেষকরা উপসংহারে এসেছেন যে এই সভ্যতাগুলির পৃথিবী আক্রমণের সম্ভাবনা খুবই কম।

কে রয়েছেন এই নতুন গবেষণার পিছনে?
এই নতুন অধ্যয়নটি আলবার্তো ক্যাবলেরো নামের একজন পিএইচডি ছাত্র দ্বারা পরিচালিত হয়েছে। স্পেনের ভিগো ইউনিভার্সিটিতে দ্বন্দ্ব সমাধানের ছাত্র তিনি। ভিনগ্রহী সংক্রান্ত অন্য তিনি একটি পৃথক গবেষণার লেখক ক্যাবলেরো তার অন্য গবেষণাটিতে বিশ্লেষণ করার চেষ্টা করেছিলেন বিখ্যাত ডব্লিউওডব্লিউ সংকেত আসা নিয়ে৷ যা কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের পিয়ার-রিভিউ ইন্টারন্যাশনাল জার্নাল অফ অ্যাস্ট্রোবায়োলজিতে প্রকাশিত হয়েছিল।

ভিনগ্রহীরা ইতিমধ্যেই এক ছায়াপথ থেকে অন্য ছায়াপথে যেতে সক্ষম!
ক্যাবলেরো, তার সাম্প্রতিক গবেষণাপত্রে, প্রতিকূল বহির্জাগতিক সভ্যতার প্রসারের একটি অনুমানিক ছবি দেওয়ার চেষ্টা করেছেন৷ তিনি গবেষণা পত্রে বলেছেন যে আমরা মানব সভ্যতা হিসাবে, কাছাকাছি আন্তঃনাক্ষত্রিক ভ্রমণে সক্ষম টাইপ-১ সভ্যতায় পরিণত হলে তারপরই ভিনগ্রহী আক্রমণ বা লড়াইয়ের সম্ভাবনা তৈরি হবে৷ তবে তিনি এও বলেছেন, যে মিল্কিওয়েতে একাধিক দূষিত ভিহগ্রহী সভ্যতা থাকতে পারে যারা ইতিমধ্যেই আন্তঃনাক্ষত্রিক ভ্রমণেও দক্ষতা অর্জন করেছে।

ভিনগ্রহীদের মানুষের মতো সহানুভূতি নাও থাকতে পারে!
এ প্রসঙ্গে ক্যাবলেরো বলেছেন, আমি শুধুমাত্র জীবনের উপর ভিত্তি করে এই গবেষণাটি করেছি৷ আমরা ভিনগ্রহীদের মন জানি না। ভিনগ্রহীদের বিভিন্ন রাসায়নিক সংমিশ্রণ সহ একটি মস্তিষ্ক থাকতে পারে এবং তাদের আমাদের মতো সহানুভূতি নাও থাকতে পারে আবার তাদের আরও জটিল মনস্তাত্ত্বিক আচরণ থাকতে পারে। যদিও জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা ১৯৭৪ সালে আরেসিবো টেলিস্কোপ দ্বারা গভীর মহাকাশে সম্প্রচারিত প্রথম আন্তঃনাক্ষত্রিক রেডিও বার্তাটির উপযোগিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন! বিজ্ঞানীদের বড় অংশের দাবি শুধুমাত্র জিযে২৭৩বি (যা পৃথিবী থেকে ১৯ আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত) সম্ভাব্য বাসযোগ্য গ্রহ বলে বিবেচিত হয়। যার সঙ্গে পৃথিবীর সাদৃশ্য ৮৫ শতাংশ বলে অনুমান করেন বিজ্ঞানীরা!












Click it and Unblock the Notifications