Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

মমতার সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনে কংগ্রেস, সোনিয়ার সমর্থনে জাতীয় রাজনীতিতে জল্পনা

মমতার সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনে কংগ্রেস, সোনিয়ার সমর্থনে জাতীয় রাজনীতিতে জল্পনা

মমতার সরকারের বিরুদ্ধে প্রদেশ কংগ্রেস জোরদার আন্দোলনের ডাক দিয়েছে। সেই আন্দোলনকে এবার সরাসির সমর্থন করে বসলেন কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধী। এভাবে আগে মমতার বিরুদ্ধে সম্মুখ সমরে দেখা যায়নি সোনিয়া গান্ধীকে। এবার সরাসরি তিনি মমতার বিরুদ্ধে আন্দোলনকে সমর্থন করে বসলেন। তাতেই জল্পনা তৈরি হয়েছে জাতীয় রাজনীতির অন্দরে।

মমতার বিরুদ্ধে আন্দোলনে পূর্ণ সম্মতি সোনিয়ার

মমতার বিরুদ্ধে আন্দোলনে পূর্ণ সম্মতি সোনিয়ার

মমতার সরকারের বিরুদ্ধে প্রদেশ কংগ্রেস আপাতত দুটি ইস্যু খাঁড়া করেছে। প্রথম দেউচা-পাচামি খনি ইস্যু আর দ্বিতীয় ইস্যু হল ছাত্র-নেতা আনিস খান হত্যার প্রতিবাদ। প্রদেশ কংগ্রেস চাইছে এই দুটি ইস্যুতে লাগাতার আন্দোলন চালিয়ে যেতে। প্রবীণ কংগ্রেস নেতা আবদুল মান্নানের এই মর্মে পূর্ণ সমর্থন চেয়ে চিঠি দিয়েছিলেন কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধীকে। সেই চিঠির জবাবে পূর্ণ সম্মতি জানিয়েছেন সোনিয়া।

আবদুল মান্নানকে লেখা চিঠিতে সোনিয়া গান্ধী

আবদুল মান্নানকে লেখা চিঠিতে সোনিয়া গান্ধী

আমতার ছাত্র নেতা আনিস খানের মর্মান্তিক মৃত্যুতে আমি গভীরভাবে ব্যথিত ও উদ্বিগ্ন। তিনি আনিসের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন আবদুল মান্নানকে লেখা চিঠিতে। তাঁর চিঠিতে সোনিয়া আরও লিখেছেন, দেউচা-পাচামি খনির কাজের জন্য জমি হস্তান্তরের কারণে বিপুল সংখ্যক উপজাতি পরিবারকে বাস্তুচ্যুত করবে, তাও গুরুতর উদ্বেগের বিষয়।

রাহুল-প্রিয়াঙ্কাকে পাঠানোর বার্তা সোনিয়ার কাছে

রাহুল-প্রিয়াঙ্কাকে পাঠানোর বার্তা সোনিয়ার কাছে

প্রাক্তন বিরোধী দলনেতা আবদুল মান্নান গত সপ্তাহে কংগ্রেস সভানেত্রীর কাছে একটি বার্তায় তাঁকে বাংলার পরিস্থিতি সম্পর্কে অবহিত করেছিলেন। তিনি কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধী এবং উত্তর প্রদেশের দায়িত্বে থাকা কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক প্রিয়াঙ্কা গান্ধীকে বাংলায় পাঠানোর অনুরোধও করেছিলেন। তারপরই এল সোনিয়ার বার্তা।

দুটি ইস্যুকে তুলে ধরে মমতার সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন

দুটি ইস্যুকে তুলে ধরে মমতার সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন

কংগ্রেস সূত্রে জানা গিয়েছে সোনিয়া গান্ধী আশ্বস্ত করেছেন প্রবীণ নেতা আবদুল মান্নানকে। তিনি জানান, তাঁর পরামর্শগুলি অবশ্যই মনে রাখবেন। যদিও আবদুল মান্নানের দাবিগুলির বিষয়ে এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে সোনিয়া গান্ধীর পক্ষ থেকে জানানো হয়নি কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকে পাঠানো হবে কি না। তবে তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আবদুল মান্নানকে। যে দুটি বিষয়ে সম্প্রতি বাংলাকে নাড়া দিয়েছে, সেই দুটি ইস্যুকেই তুলে ধরা হবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনে।

কংগ্রেসের জায়গা হারানোর কারণ, পুনরুদ্ধারের চেষ্টা

কংগ্রেসের জায়গা হারানোর কারণ, পুনরুদ্ধারের চেষ্টা

কংগ্রেসের শীর্ষসারির এক নেতা জানিয়েছেন, "মান্নান দা-র পরামর্শ গ্রহণ করলে তা বাংলায় পার্টি ইউনিটের জন্য একটি বড় উৎসাহ হবে। আমরা গত দুই দশকে অনেক জায়গা হারিয়েছি বাংলায়। প্রাথমিকভাবে তৃণমূলের আক্রমণাত্মক শিকার হয়েছি। তারপর আমরা জায়গা হারিয়েছে আমাদের প্রদেশ নেতাদের অলসতার কারণে। সেই জায়গা পুনরুদ্ধার করতে হবে।

পশ্চিমবঙ্গে বর্তমানে কংগ্রেসের হাল-হকিকৎ

পশ্চিমবঙ্গে বর্তমানে কংগ্রেসের হাল-হকিকৎ

বর্তমানে রাজ্যসভা ও লোকসভায় প্রদেশ কংগ্রেসের দু'জন সদস্য রয়েছেন। রাজ্যের বৃহত্তম নাগরিক সংস্থা কলকাতা মিউনিসিপ্যাল ​​কর্পোরেশনে দু'জন কাউন্সিলর রয়েছে। রাজ্য বিধানসভায় কোনও বিধায়ক নেই। একমাত্র পুরসভা যেখানে কংগ্রেস ক্ষমতায় ছিল, রবিবারের পুরসভা নির্বাচনের পর সেই জয়নগর-মজিলপুরও হাত থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

কংগ্রেস নির্ভর করছে ভাই-বোনের জুটির উপর

কংগ্রেস নির্ভর করছে ভাই-বোনের জুটির উপর

বর্তমানে কংগ্রেসের ভবিষ্যৎ অনেকাংশের নির্ভর করছে ভাই-বোনের জুটির উপর। প্রদেশ কংগ্রেসও মনে করছে রাহুল গান্ধী ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী যদি রাজ্য ইউনিটের দিকে একটু বিশেষ গুরুত্ব দেন, এ রাজ্যেও হাল ফিরবে কংগ্রেসের। আবদুল মান্নানও তাঁর চিঠিতে সেই কথা উল্লেখ করেছেন। প্রদেশ কংগ্রেস তাঁদের দিকে পথ চেয়ে রয়েছেন।

কংগ্রেসকে আবার প্রাসঙ্গিক করে তোলা কঠিন কাজ

কংগ্রেসকে আবার প্রাসঙ্গিক করে তোলা কঠিন কাজ

এটা অস্বীকার করার উপায় নেই যে, প্রদেশ কংগ্রেসে নেতার অভাব সত্ত্বেও দলে দলাদলি এখনও প্রবল। প্রদেশ কংগ্রেসের প্রধান অধীর চৌধুরী এবং অন্যান্য সিনিয়র নেতাদের মধ্যে মতানৈক্য রয়েছে। যোগাযোগও প্রায় বিচ্ছিন্ন রয়েছে। শেষ কবে তাঁদের সবাইকে একই প্ল্যাটফর্মে দেখা গেছে, তা নিয়ে জল্পনা। তার মধ্যে কংগ্রেসকে আবার প্রাসঙ্গিক করে তোলা খুবই কঠিন কাজ।

যিনি কংগ্রেসের মধ্যে সেতুবন্ধন করতে পারবেন

যিনি কংগ্রেসের মধ্যে সেতুবন্ধন করতে পারবেন

কংগ্রেসের একটি বড় অংশ মনে করে, রাজ্য ইউনিটকে পরিচালিত করার জন্য হাইকমান্ডের প্রতিনিধিত্বকারী একটি শক্তিশালী কেন্দ্রীয় ব্যক্তিত্বের প্রয়োজন, যা সমস্ত দলকে ফের একত্রিত করতে পারে। দিল্লি থেকে পাঠানো কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষকদের কেউই সেই সেতু তৈরি করতে সক্ষম হননি। এবার এমন একজনকে দরকার, যিনি কংগ্রেসের মধ্যে সেতুবন্ধন করতে পারবেন।

দিনের শেষে নিজেদের যুদ্ধ নিজেদেরই লড়তে হবে

দিনের শেষে নিজেদের যুদ্ধ নিজেদেরই লড়তে হবে

প্রিয়াঙ্কা গান্ধীকে এর আগে বাংলায় খুব একটা দেখা যায়নি। তবে রাহুল গান্ধী ও সোনিয়া গান্ধী বিধানসভা ও লোকসভা নির্বাচনের প্রচারে নেমেছেন। তবে তাঁদের উপস্থিতি এখন পর্যন্ত দলের জন্য তেমন কার্যকর হয়নি। প্রদেশ কংগ্রেসের এক নেতা বলেন, "আমরা প্রতিটি বিষয়ে হাইকমান্ডের কাছে ছুটে যেতে পারি না। দিনের শেষে আমাদের নিজেদের যুদ্ধ নিজেদেরই লড়তে হবে।"

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+