আপনার স্মার্ট ফোনেই গোপনীয়তা লঙ্ঘন! ব্যবহৃত ফোনই প্রকাশ করছে পরিচয়
অধিকাংশ মানুষের হাতেই এখন স্মার্টফোন (smart phone)। আর স্মার্টফোন ব্যবহারকারীরা বিভিন্ন অ্যাপের (app) পিছনেও প্রচুর সময় ব্যয় করেন। এই সময় ব্যয়ই প্রতি তিনজনের মধ্যে একজনেরও বেশি ক্ষেত্রে ব্যবহারকারীকে চিহ্নিত কিংবা
অধিকাংশ মানুষের হাতেই এখন স্মার্টফোন (smart phone)। আর স্মার্টফোন ব্যবহারকারীরা বিভিন্ন অ্যাপের (app) পিছনেও প্রচুর সময় ব্যয় করেন। এই সময় ব্যয়ই প্রতি তিনজনের মধ্যে একজনেরও বেশি ক্ষেত্রে ব্যবহারকারীকে চিহ্নিত কিংবা সনাক্তকরণের পক্ষে যথেষ্ট। এমনটাই মনে করছেন গবেষকরা। ব্যবহারকারীর নিরাপত্তা এবং গোপনীয়তা নিয়েও সতর্ক করেছেন তাঁরা।

বিদেশের মাটিতে গবেষণা
ল্যাঙ্কাস্টার এবং বাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা এব্যাপারে পরীক্ষা চালিয়েছেন। তাঁরা ৭৮০ জনের স্মার্টফোনের ডেটা বিশ্লেষণ করেছেন। পরিসংখ্যান মডেলে তাঁরা ৪৬৮০ দিনের অ্যাপের তথ্য ব্যবহার করেছেন। প্রত্যেক দিনের সঙ্গে সংযুক্ত করে দেওয়া হয়েছিল ৭৮০ জন স্মার্টফোন ব্যবহারকারীর একজনকে। এই পরিসংখ্যানে মানুষের প্রতিদিনের অ্যাপ ব্যবহারের বিভিন্ন পদ্ধতিও দেওয়া হয়েছিল।

অ্যাপ ব্যবহার থেকে ব্যক্তি সনাক্তকরণ
গবেষকরা এর পরে পরীক্ষা করেছেন, তাদের নির্ধারিত মডেলগুলি কোনও ব্যক্তিকে চিহ্নিত করতে পারে কিনা। সেখানে একটি দিনের স্মার্টফোন ব্যবহারের তথ্য দেওয়া হয়েছিল। যা বেনামি ছিল এবং ব্যবহারকারীর সঙ্গে যুক্ত করা হয়নি। একটি সর্বভারতীয় সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, বাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক ডেভিড এলিস বলেছেন, তাদের মডেলে কোনও ব্যক্তির ছয়দিনের অ্যাপ ব্যবহারের ডেটা দেওয়া ছিল। যা কোনও বেনামি ব্যক্তিকে সনাক্ত করেছে একতৃতীয়াংশ সময়ে। এই সংক্রান্ত গবেষণা প্রকাশিত হয়েছে সাইকোলজিক্যাল সায়েন্স জার্নালে।

তদন্তকারীরা যেভাবে তদন্ত করেন
৭৫ শতাংশ সময়ে সঠিক ব্যবহারকারী এই ধরনের প্রথম ১০-এর মধ্যে চলে যান। কোনও অপরাধের তদন্তের ক্ষেত্রে তদন্তকারী সংস্থা অপরাধকারীর নতুন ফোন ব্যবহার বিষয়টি ধরেন তাদের আগেকার ফোন ব্যবহার জ্ঞান থেকে। এইভাবেই তারা ১০০০ ফোন ব্যবহারকারীর মধ্যে থেকে ১০ জনের মধ্যে নামিয়ে আনেন তাঁরা। তবে এর মধ্যে ২৫ শতাংশ ক্ষেত্রে ভুল হওয়ার সম্ভাবনাও থেকে যায় বলে জানিয়েছেন ল্যাঙ্কাস্টার বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা।
এই ফলাফল থেকে গবেষকরা সতর্ক করে বলেছেন, সফটঅয়্যারটি অ্যাকাউন্ট থেকে লগআউট হওয়ার পরেও, স্মার্টফোনের স্ট্যান্ডার্ড অ্যাক্টিভিটি লগিং-এ অ্যাক্সেসের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর পরিচয় সম্পর্কে তথ্যপ্রদান করতে পারে।

সনাক্তকরণ সম্ভব
অ্যাপের মধ্যে কোনও রকমের কথোপকথন কিংবা আচরণের পর্যবেক্ষণ ছাড়াই ব্যবহারকারীর সনাক্তকরণ সম্ভব বলেও জানিয়েছেন গবেষকরা। তাঁরা বলেছেন, সাধারণ মানুষের প্রতিদিনের অ্যাপ ব্যবহারে একটি সামঞ্জস্যপূর্ণ আচরণ করে থাকেন। এক্ষেত্রে ফেসবুক সব থেকে বেশি এবং ক্যালকুলেটর অ্যাপ সব থেকে কম ব্যবহার করা হয়।
এক্ষেত্রে গবেষকরা আরও দেখিয়েছেন, দুই বিভিন্ন ব্যক্তির থেকে একইব্যক্তির দুদিনের স্মার্টফোনের ডেটা অ্যাপ ব্যবহারের ক্ষেত্রে বেশি সাদৃশ্য দেখিয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications