বৃষ্টি ও বন্যায় ইতিমধ্যে সাড়ে পাঁচশো জনের মৃত্যু, দেখুন দেশের বিভিন্ন রাজ্যের দুর্দশার চিত্র
সারা দেশে বৃষ্টিপাত চলছে, চলবে। আপাতত থামার লক্ষণ নেই। মহারাষ্ট্রে ১৩৯জন, কেরলে ১২৬ জন, পশ্চিমবঙ্গে ১১৬জন মারা গিয়েছেন। সারা দেশের কী অবস্থা, দেখে নেওয়া যাক একনজরে।
সারা দেশে বৃষ্টিপাত চলছে, চলবে। আপাতত থামার লক্ষণ নেই। উত্তরপ্রদেশ, বিহার, অসম, মেঘালয়, উত্তরাখণ্ড, মধ্যপ্রদেশ, ঝাড়খণ্ড, পশ্চিমবঙ্গ, সিকিম, অরুণাচলপ্রদেশ, নাগাল্যান্ড, মনিপুর, মিজোরাম ও ত্রিপুরায় ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টিপাত হচ্ছে। আগামী কয়েকদিন এভাবেই বৃষ্টিপাত চলবে। ইতিমধ্যে প্রায় সাড়ে পাঁচশো মানুষের প্রাণ গিয়েছে সারা দেশে। বৃষ্টি ও বন্যায় বিপর্যস্ত অবস্থা চারিদিকে। এক মধ্যে মহারাষ্ট্রে ১৩৯জন, কেরলে ১২৬ জন, পশ্চিমবঙ্গে ১১৬জন মারা গিয়েছেন। সারা দেশের কী অবস্থা, দেখে নেওয়া যাক একনজরে।

গাজিয়াবাদ
রাজধানীর অদূরে গাজিয়াবাদের রাস্তা ভেসে গিয়েছে বৃষ্টির জলে। তবে তার মধ্যেই রাস্তায় নেমে পড়েছে যুবকরা। রোজনামচার পাশাপাশি চলছে বৃষ্টির জলে ভিজে নানা কাজকর্ম।

গুরুগ্রাম
ভারী বৃষ্টিতে হরিয়ানার বিস্তীর্ণ এলাকা জলমগ্ন হয়ে পড়েছে। রাস্তায় জল ঠেলে যেতে হচ্ছে ছোট-বড় সমস্ত গাড়িঘোড়াকে।

পাটনা
বাংলার পাশের রাজ্য বিহারের পাটনাও জলে ডুবে গিয়েছে। কোথাও কোমর তো কোথাও বুক সমান জল রাস্তায়। তার মধ্যেই মানুষকে রোজনামচার কাজ করতে হচ্ছে।

মেরঠ
উত্তরপ্রদেশের অনেক জায়গাই প্লাবিত হয়েছে বৃষ্টির জলে। তার মধ্যে রয়েছে মেরঠও। তুমুল বৃষ্টি ও তার সঙ্গে জমা জলে যেন থমকে গিয়েছে জনজীবন। তবে। তার মধ্যেই আনন্দ খুঁজে নেওয়ার চেষ্টা একদল যুবপ্রাণের। চলছে বৃষ্টি ও হাঁটু পর্যন্ত জলের মধ্যেই খুনসুটি।

গুয়াহাটি
উত্তর-পূর্বের রাজ্য অসমের গুয়াহাটিতেও বৃষ্টির ফলে বিপর্যস্ত জনজীবন। গুয়াহাটিতেও জল জমেছে সর্বত্র। তার মধ্যেই রুজি রোজগারের তাগিদে রাস্তায় নেমেছেন সাধারণ মানুষ।

আগ্রা
আগ্রায় বিস্তীর্ণ এলাকা যমুনার জল ও বৃষ্টিতে প্লাবিত। অবস্থ এমনই যে বোট নিয়ে উদ্ধার কার্যে নামতে হয়েছে। এই ছবি আগ্রার মীরা বিহার কলোনির। স্থানীয়দের উদ্ধার কার্যের পালা চলছে।

প্লাবিত যমুনা
চারপাশের রাজ্যে তুমুল বৃষ্টি হওয়ায় দিল্লিতে ফুলেফেঁপে উঠেছে যমুনার জল। একেবারে বিপদসীমার উপর দিয়ে বইছে। যার ফলে প্রশাসন আলাদা করে সতর্কবার্তা জারি করেছে।

কলকাতা
কলকাতায় ফের নতুন করে কয়েকদিন ধরেই বৃষ্টিপাত হচ্ছে। পিছিয়ে নেই বিভিন্ন জেলাও। টানা বৃষ্টিতে বিভিন্ন জায়গায় প্লাবনের আশঙ্কা দেখা গিয়েছে। কলকাতার বিস্তীর্ণ এলাকা জলে ডুবে রয়েছে। জেলার অবস্থাও তথৈবচ।

মথুরা
কোথাও বুক, কোথাও কোমর পর্যন্ত জল। রাস্তায় চলাফেরা করা দায়। যার ফলে মথুরায় ভ্যানে করে চলছে পারাপার। গুরুত্বপূর্ণ সামগ্রীও সব আসছে ভ্যানে চাপিয়েই। এককথায় গোটা জেলায় বিপর্যস্ত জনজীবন।

জব্বলপুর
মধ্যপ্রদেশর জব্বলপুরে নর্মদা নদীও ভেসে গিয়েছে বৃষ্টির জলে। ডুবে গিয়েছে মন্দির। তার পাশেই নৌকা নিয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে এক ব্যক্তি। ফেরি পারাপারই তাঁর লক্ষ্য। এদিকে মন্দির প্রায় ডুবতে বসেছে। এভাবেই রাস্তা পরিণত হয়েছে নদীতে।












Click it and Unblock the Notifications