মোদী একজন কবি-লেখকও! নেহরু-ইন্দিরা-অটলের থেকেও বেশি বই লিখেছেন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী
২৬ মে শুক্রবার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নরেন্দ্র মোদী কার্যকালের মেয়াদ নয় বছর পূর্ণ হবে। ২০১৪ সালের ২৬ মে তিনি প্রথমবার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন। বর্তমানে তাঁর দ্বিতীয় মেয়াদ চলছে। অন্যদিকে নরেন্দ্র মোদী স্বাধীন ভারতে জন্মগ্রহণকারী প্রথম প্রধানমন্ত্রী।
নরেন্দ্র মোদী শুধু একটি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী থেকে দেশের প্রধানমন্ত্রী হয়ে বিশ্ব নেতাই হয়ে যাননি। তিনি সময় পেলেই বই লেখেন এবং কবিতার চর্চাও করে থাকেন। সাহিত্যের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক বেশ গভীর। বই লেখা এবং কবিতা চর্চায় তাঁর সংবেদনশীলতা, মানসিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক প্রকাশও ঘটেছে।

নরেন্দ্র মোদীর লেখা বই ইংরেজি-সহ বিভিন্ন ভারতীয় ভাষায় অনুবাদ করা হয়েছে। অন্যদিকে নিজের নিজের কবিতা সংসদে পাঠ করেছেন। তবে তিনি শুধু নিজের কবিতাই নয়, অন্য কবি ও লেখকদের রচনাও তাঁকে আবৃত্তি করতে দেখা গিয়েছে। এছাড়াও মোদী জননেতা হিসেবে বক্তৃতা ও অভিব্যক্তিতে পারদর্শী।
সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজের কবিতা শেয়ার করতে দেখা গিয়েছে নরেন্দ্র মোদীকে। লন্ডনের ওয়েস্ট মিনিস্টার হলে ভারত কি বাত, সবকে সাথ অনুষ্ঠানে ভারতীয় সম্প্রদায়ের সামনে নিজের লেখা রামতা রাম আকেলা কবিতা আবৃত্তি করেছেন। এটি গুজরাতি ভাষায় লেখা। কবিতা পাঠের পরে হাতেতালিও পেয়েছেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ২০১৮ সালে স্কুলের ছাত্রছাত্রীদের জন্য এগজাম ওয়ারিয়র্স বই লিখেছিলেন। প্রধানমন্ত্রী হওয়ার চারবছর পরে প্রকাশিত হয়েছিল তাঁর লেখা 'আপতকাল মে গুজরাত' বইটি। ১৯৭৫-এ সারা দেশে জরুরি অবস্থার মধ্যে তিনি প্রতিবাদে সামিল হয়েছিলেন। সেই সময়ে তিনি সংঘে যোগ দেন।

'আপতকাল মে গুজরাত' বই-এ নরেন্দ্র মোদী জরুরি অবস্থার সময়ের বর্ণনা করেছেন। এই বইটি প্রথমে গুজরাতি ভাষায় প্রকাশিত হয়। পরে সেটি হিন্দিতেও প্রকাশিত হয়। যার শিরোনাম সংঘর্ষ মে গুজরাত। নরেন্দ্র মোদী এই বই লেখার সময় কার্যত খাবারও ছেড়ে দিয়েছিলেন।
তিনি ২৩ দিন ধরে লেমনেড খেয়ে এই বই লিখেছিলেন। এই বই-এ তিনি ইন্দিরা গান্ধীর জারি করা জরুরি অবস্থা নিয়ে ব্যক্তি কথা লিখেছেন। বইটি উদ্বোধন করেছিলেন, গুজরাতের তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী বাবুভাই প্যাটেল। নরেন্দ্র মোদী সরসঙ্ঘচালক মাধব সদাশিব গোলওয়ালকরকে নিয়েও একটি বই নিখেছেন। সেই বইটি অনেকগুলি ভাষায় অনুবাদ করা হয়েছে।
বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এখনও পর্যন্ত হওয়া প্রধানমন্ত্রীদের মধ্যে সব থেকে বেশি সংখ্যক বই লিখেছেন। যেখানে বাজপেয়ীর প্রকাশিত বইয়ের সংখ্যা ১১, সেখানে নরেন্দ্র মোদীর প্রকাশিত বইয়ের সংখ্যা ২৩। সে জায়গায় জওহরলাল নেহরু ৩ টি বই লিখেছিলেন। আর তাঁর কন্যা ইন্দিরা গান্ধী ৪ টি বই লিখেছিলেন।
বই ছাড়াও নরেন্দ্র মোদীর কাব্য সংকলন 'আঁখ আ ধান্য ছে' লিখেছেন। যা হিন্দি-সহ অন্য ভাষাতেও অনুবাদ করা হয়েছে। এব্যাপারে উল্লেখ করা প্রয়োজন প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পরে মন কি বাতের মাধ্যমে তিনি জনগণের সৎঙ্গে সরাসরি মত বিনিময়ও করে থাকেন। যার ১০০ টি পর্ব ইতিমধ্যেই হয়ে গিয়েছে। এছাড়াও এই অনুষ্ঠানটি ইতিহাস তৈরি করেছে।
-
মালদহের অশান্তি নিয়ে বিজেপিকে কাঠগড়ায় তুলল মমতা, সুতির সভা থেকে শান্তির বার্তা -
মালদহের ঘটনা তৃণমূলের পরিকল্পিত ও সংগঠিত, কালীঘাটে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে অসন্তোষ ব্যক্ত করে দাবি শুভেন্দুর -
ভবানীপুরে আজ শক্তি প্রদর্শনে বিজেপি, শুভেন্দুর মনোনয়নে সঙ্গী অমিত শাহ -
কালিয়াচক কাণ্ডের পর ফের অশান্তি! অমিত শাহ-র রোড শো ঘিরে ভবানীপুরে ধুন্ধুমার, হাতাহাতি তৃণমূল-বিজেপির -
প্রবল ৭.৪ মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল ইন্দোনেশিয়া, আতঙ্কে পথে মানুষ -
কালিয়াচক কাণ্ডে উত্তেজনা চরমে! বিচারকদের ঘেরাও-ভাঙচুরে তৃণমূলকে নিশানা সুকান্তর, কী বললেন দিলীপ? -
ভবানীপুর ও নন্দীগ্রামে উত্তাপ চরমে, শুভেন্দুর বিরুদ্ধে ভয়ের রাজনীতির অভিযোগে মনোনয়ন বাতিলের দাবি তৃণমূলের -
ইডেনে প্রথম জয়ের সন্ধানে কেকেআর-সানরাইজার্স, দুই দলের একাদশ কেমন হতে পারে? -
যুদ্ধ নয়, আলোচনায় সমাধান! হরমুজ ইস্যুতে বৈঠক ডাকল ব্রিটেন, যোগ দিচ্ছে ভারত -
কালিয়াচক কাণ্ডে কড়া বার্তা সুপ্রিম কোর্টের! 'রাজনীতি নয়, বিচারকদের নিরাপত্তাই...', কী কী বলল শীর্ষ আদালত? -
ভোটার তালিকা ইস্যুতে ফের অগ্নিগর্ভ মালদহ, সকালে ফের অবরোধ -
মালদহের ঘটনার তদন্তভার নিল সিবিআই, মমতার তোপে কমিশন












Click it and Unblock the Notifications