সপা-বসপা জোট নিয়ে কী মত সংখ্যালঘু মুসলিম সমাজের? কী বলছে সমীক্ষা
উত্তরপ্রদেশের সংখ্যালঘু মুসলমানদের একটা বড় অংশ চাইছে বিজেপির মতো শক্তিকে আটকাতে হাত ধরাধরি করুক সমাজবাদী পার্টি ও বহুজন সমাজ পার্টি। এমনটাই উঠে আসছে নানা সমীক্ষায়।
উত্তরপ্রদেশের সংখ্যালঘু মুসলমানদের একটা বড় অংশ চাইছে বিজেপির মতো শক্তিকে আটকাতে হাত ধরাধরি করুক সমাজবাদী পার্টি ও বহুজন সমাজ পার্টি। এমনটাই উঠে আসছে নানা সমীক্ষায়। সংখ্যালঘু মুসলমান সমাজ চাইছে ত্রিশঙ্কু অবস্থা তৈরি হলে যেন কাছাকাছি আসেন অখিলেশ সিং যাদব ও মায়াবতী।
বেশিরভাগ সংস্থারই বুথ ফেরত সমীক্ষায় ইঙ্গিত রয়েছে, উত্তরপ্রদেশে এবছরের বিধানসভা নির্বাচনে ত্রিশঙ্কু অবস্থা তৈরি হবে। বিজেপি, বসপা, সপা+কংগ্রেস জোট, কেউই পূর্ণ শক্তি নিয়ে রাজ্য়ের দখল নিতে পারবে না। আর সেক্ষেত্রে দলগুলি কী সিদ্ধান্ত নেয় তা গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।

CrowdNewsing সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, সমীক্ষায় অংশ নেওয়া ৯২ শতাংশ মানুষ চাইছেন, নিজেদের মতানৈক্য ভুলে এগিয়ে আসুক সপা ও বসপা। আর একসঙ্গে সরকার গঠন করুক।
সংস্থার তরফে ১০টি মুসলমান অধ্যুসিত এসাকায় ২৬০০ জনের সঙ্গে কথা বলা হয়েছে। এই জায়গাগুলি শহর, গ্রাম দুজায়গাতেই রয়েছে। দেখা গিয়েছে, মুসলমান বা সংখ্যালঘু ভোট মূলত সমাজবাদী পার্টি ও কংগ্রেস জোট ও অন্যদিকে বহুজন সমাজ পার্টির মধ্যে ভাগ হয়েছে।
এর পাশাপাশি রাষ্ট্রীয় লোক দল, দ্য অল ইন্ডিয়া মজলিস-ই-ইত্তেহাদ-উল মুসলিমিন, ও পিস পার্টি জোটের মধ্যে সংখ্যালঘু ভোট ভাগ হয়েছে। পশ্চিম উত্তরপ্রদেশে যেমন কংগ্রেস-সপা জোট বিএসপির চেয়ে এগিয়ে রয়েছে। এদিকে মধ্য ও পূর্ব উত্তরপ্রদেশে দলিত-মুসলমান সম্প্রদায় মায়াবতীর প্রতি বেশি সদয় রয়েছে।
বিজেপির প্রতি সংখ্যালঘুদের অসন্তোষের কারণ হিসাবে উঠে এসেছে, এই সম্প্রদায়ের প্রতি বিজেপি ও তার সহযোগী দলগুলির বিরূপ মনোভাবের কথাই। এর পাশাপাশি কিছুদিন আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর শ্মশান বনাম কবরস্থান বিতর্কও বিজেপিকে কিছুটা ব্যাকফুটে ফেলে দিয়েছে। এছাড়া রাম মন্দির-বাবরি মসজিদ ইস্যু এই নির্বাচনে প্রত্যক্ষ প্রভাব না ফেললেও এর সামান্য হলেও যে প্রভাব রয়েছে তা বলাই যায়।












Click it and Unblock the Notifications