আজ মাদার'স ডে, জেনে নিন এই দিনটি নিয়ে কিছু অজানা তথ্য
আজ আন্তর্জাতিক মাদার'স ডে। মাতৃত্বকে সম্মান জানাতে ওবং মায়ের সঙ্গে তাঁর সন্তানের সম্পর্ককে আরও নিবিড় করতে বিশ্ব জুড়ে মে মাসের দ্বিতীয় রবিবার সাধারণভাবে বিশ্ব মাতৃদিবস পালন করা হয়। তবে সারা বিশ্বে কিছু দেশে অন্য দিনেও তা পালন করা হয়।
কীভাবে এল এই দিনটির ভাবনা? প্রাচীন গ্রিক সভ্যতায় দেবতাদের মা 'রিয়া' (Rhea)-কে অর্চনা করা হত। তবে আধুনিক যুগে জুলিয়া ওয়ার্ড ও অ্যানা জারভিস নামে দুই মহিলার নামই মাদার'স ডে দিনটির সঙ্গে জুড়ে গিয়েছে।

১৮৭০ সালে আমেরিকায় মাদার'স ডে পালনের ডাক দেন জুলিয়া ওয়ার্ড। জীবিত থাকাকালীন তাঁর পৃষ্ঠপোষকতায় দশ বছর তা পালন করা হয়। এরপর ১৯০৮ সালে অ্যানা জারভিস নামে একজন তাঁর মা মারিয়া জারভিসের স্মৃতিকে বাঁচিয়ে রাখতে পশ্চিম ভার্জিনিয়া শহরে স্মৃতিসৌধ তৈরি করে বেসরকারিভাবে মাদার'স ডে পালন শুরু করেন। একইসঙ্গে তিনি এই দিনটিকে ছুটির দিন হিসাবে স্বীকৃতির দাবিতে আমেরিকা জুড়ে প্রচার শুরু করেন।
অবশেষে ১৯১৪ সালে তাঁর এই প্রয়াস সফল হয়। মে মাসের দ্বিতীয় রবিবার আমেরিকায় মাদার'স ডে স্বীকৃতি পায়। কালক্রমে অন্য দেশেও মাদারস ডে পালন শুরু হয়।
মার্কিন মুলুকে মাদার'স ডে উৎযাপন শুরু হলেও তার বাণিজ্যিকীকরণ দেখে অ্যানার মন বিরক্তিতে ভরে ওঠে। এদিন মায়েদের উপহার দেওয়ার জন্য নানা ধরনের সুসজ্জিত গ্রিটিংস কার্ড, ফুল, চকোলেট দেওয়ার প্রচলন শুরু হয়। যা পছন্দ ছিল না অ্যানার। তিনি তৎকালীন মার্কিন ফার্স্ট লেডি এলেনর রুজভেল্টকে তাঁর আপত্তির কথাও জানান, তীব্র বিরোধিতা করেন। এর ফলে অ্যানাকে জেলেও যেতে হয়েছিল।
বিরক্ত অ্যানা মাদার'স ডে-র বাণিজ্যিকীকরণ নিয়ে বলেছিলেন, "ছাপানো কার্ড দেওয়ার অর্থ সেই সন্তান এতটাই অলস যে সেই মহিলাকে নিজের হাতে কিছু লিখে দেওয়ার সময় নেই, যিনি পৃথিবীর সবার চাইতে সবচেয়ে বেশি কিছু তাঁর জন্য করেছেন।"












Click it and Unblock the Notifications