ভারতের এই বিলাসবহুল ট্রেন কোচগুলি বিমানের চেয়ে চোখধাঁধানো, দেখুন ছবি
শতাব্দি এক্সপ্রেস ট্রেনে যুক্ত হতে চলেছে 'অনুভূতি কোচ'। এই কোচগুলি বিলাসবহুল ও বিশ্বমানের।
চারবছর আগে প্রস্তাব হওয়ার পর এবার শতাব্দি এক্সপ্রেস ট্রেনে যুক্ত হতে চলেছে 'অনুভূতি কোচ'। এই কোচগুলি বিলাসবহুল ও বিশ্বমানের। সব ধরনের আধুনিক সুযোগসুবিধা এই কোচে পাবেন আপনি। বিমানে যতরকমের সুবিধা পাওয়া যায়, তার চেয়ে বেশি শৌখিনভাবে যাত্রা করতে পারবেন এই ট্রেন কোচগুলিতে । কেমন এই ট্রেন তা দেখে নেওয়া যাক।

বিলাসবহুল
দেখেই বোঝা যাচ্ছে যে অনুভূতি কোচের ব্যবস্থাপনাও অনেকটা তেজস এক্সপ্রেসের মতোই। এক্সিকিউটিভ ক্লাস চেয়ারগুলি আপনার সফরকে ক্লান্তিহীন করে দেবে। পাশাপাশি পায়ের বিশ্রামের জন্য আলাদা পা দানিও রয়েছে।

চেন্নাইয়ে তৈরি
এই ধরনের কোচে সবমিলিয়ে মোট ৫৬ জনের বসার জায়গা রয়েছে। প্রতিটি কোচ বানাতে খরচ পড়েছে তিন কোটি টাকা। এটি তৈরি হয়েছে চেন্নাইয়ে। এবছরে মোট ১০টি এমন বিলাসবহুল কোচ তৈরি করা হবে বলে রেলসূত্রে জানা গিয়েছে।

এলসিডি টাচ স্ক্রিনের সুবিধা
প্রতিটি সিটের পিছনে এলসিডি টাচ স্ক্রিন রয়েছে। ঠিক যেমন বিমানে থাকে। সেখানে গান ও সিনেমা ডাউনলোড করা রয়েছে। এছাড়া নানা ধরনের রেল সম্পর্কিত তথ্য ওখানেই পেয়ে যাবেন যাত্রীরা।

জিপিএস সংযোগ
সিটের পিছনের স্ক্রিনের ডিসপ্লে বোর্ডটিতে জিপিএস সংযোগ করা। ফলে পরপর স্টেশনের নাম আগে থেকে জানতে পেরে যাবেন আপনি। স্ক্রিনের নিচের অংশে ট্রেন কত স্পিডে যাচ্ছে সেটাও দেখানো হবে। এছাড়া প্রতিটি সিটের সঙ্গে হেডফোনও দেওয়া হবে।

বিমানের মতো ব্যবস্থাপনা
অনুভূতি কোচে আলোকসজ্জাও এলইডি লাইট দিয়ে হবে। বিমানের মতো প্রতিটি সিটের উপরে আলো থাকবে। পাশাপাশি বিমানে যেমন মাথার উপরে আলো দেওয়া কল বাটন থাকে, তেমনই এটাতেও সেই ফিচার্স থাকছে।

স্বচ্ছ্বতায় নজর
স্বচ্ছ্বতা অটুট রাখতে ভারতীয় রেল চেষ্টার কোনও ত্রুটি রাখছে না। ভারতীয় রেলকে স্বচ্ছ্ব রাখতে বায়ো টয়লেট ব্যবহার করা হয়েছে বাথরুমে। পাশাপাশি টয়লেটে কেউ গিয়েছেন কিনা সেই সংক্রান্ত ইন্ডিকেটরও রয়েছে কোচগুলিতে।

বিশ্বমানের ব্যবস্থা
এই কোচগুলিকে নিয়ে ইঞ্জিন ১৩০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা বেগে ছুটতে পারে। এই কোচগুলিতে অটোমেটিক কম্পার্টমেন্ট স্লাইডিং দরজা রয়েছে। তা দুদিকেই খোলে। এছাড়া ফোন চার্জ দেওয়ার জন্য ইউএসবি সকেটও রয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications