বিজেপি গড়ে আঞ্চলিক দলের ধাক্কা, উত্তরপ্রদেশে উপনির্বাচনে হার কি তবে বিজেপির পতনের শুরু
এবার উত্তরপ্রদেশে দুটি লোকসভা আসনেই বিজেপি পিছিয়ে রয়েছে। দুটিতেই হার ঘোষণা হওয়া বাকী।
গুজরাতে ধাক্কা সামলে কোনওক্রমে জয়ের রাস্তায় হেঁটেছে বিজেপি। জিতে উঠে কপালের ঘাম মুছে কর্মী সমর্থকদের সামনে নরেন্দ্র মোদী নিজে স্বীকার করেছেন, পরপর দু'বার একই রাজ্যে জেতা আজকের দিনে বেশ শক্ত হয়ে গিয়েছে। এরপরে রাজস্থানে উপনির্বাচনে তিনটি আসনে কংগ্রেস সবকটিতেই বিজেপিকে হারিয়েছে। ত্রিপুরার মতো ছোট রাজ্য জয় করলেও বড় রাজ্যে উপনির্বাচনগুলিতে একেরপর এক ধাক্কা খেয়ে চলেছে বিজেপি। এদিনও সেই প্রথা বজায় থাকল।

এবার উত্তরপ্রদেশে দুটি লোকসভা আসনেই বিজেপি পিছিয়ে শেষ করল। দুটিতেই হার ঘোষণা হওয়া বাকী। গোরক্ষপুরে লোকসভা আসনে নতুন চালচিত্র সামনে এসেছে। জেতা আসনে পিছিয়ে পড়েছে বিজেপি। যোগী আদিত্যনাথের জিতে আসা আসনে লোকসভা উপনির্বাচনে ২৫ হাজারের বেশি ভোটে পিছিয়ে গেরুয়া শিবির। এই কেন্দ্রে জোট বেঁধে লড়েছে বহুজন সমাজবাদী পার্টি ও সমাজবাদী পার্টি। বসপা এই কেন্দ্র সপাকে ছেড়ে দিয়েছে।
এদিকে ফুলপুর লোকসভা কেন্দ্রেও সমাজবাদী পার্টি এগিয়ে শেষ করেছে। গোরক্ষপুরের চেয়ে ফুলপুরে জেতার ব্যবধান আরও অনেক বেড়েছে।
২০১৪ লোকসভা ভোটে ৮০টি আসনের মধ্যে বিজেপি ৭১টি জিতেছিল। টেনে নিচে নামিয়ে এনেছিল সপা ও কংগ্রেসকে। খাতা খুলতে দেয়নি বসপা-কে। ২০১৭ বিধানসভা ভোটেও বিজেপি ৪০৩টি আসনের মধ্যে ৩২৫টি আসন পেয়ে বিপুল ব্যবধানে জেতে। সপা ও কংগ্রেস জোট ২২৪টি আসন থেকে কমে ৫৪টিতে এসে দাঁড়ায়। এদিকে বসপা ৮০ থেকে কমে ১৯টি আসনে এসে থামে।
সেখান থেকে একবছরের মধ্যে দুটি গুরুত্বপূর্ণ লোকসভা আসনে বিজেপির পিছিয়ে পড়াকে শেষের শুরু হিসাবে দেখছেন বিরোধীরা। কারণ উত্তরপ্রদেশে যোগী ও মোদীর জনপ্রিয়তা বিজেপিকে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা এনে দিয়েছে। সেখানে এভাবে পা পিছলে পড়া আদতে ভয়ঙ্কর ইঙ্গিত। মোদী ঝড় থামার স্পষ্ট বার্তা দিয়ে গেল উত্তরপ্রদেশের নির্বাচন। আপাতত ইঙ্গিত তেমনই।












Click it and Unblock the Notifications