Indian Railways: দেশের একমাত্র ট্রেন, যেখানে কোনও টিকিট নেই! সারা বছর বিনামূল্যে ভ্রমণ
Indian Railways: প্রতিদিন লাখ লাখ মানুষ ভারতীয় রেলে যাতায়াত করেন। একদিক থেকে অন্যদিকে প্রতিদিন হাজার হাজার ট্রেন চলে। সেই সব ট্রেনে চড়তে গেলে টিকিট কাটতে হয়। আর দূরপাল্লার ট্রেনে যেতে গেলে দরকার সংরক্ষণ। সেখানে বিনা টিকিটে ভ্রমণ করা অপরাধ। ধরা পড়লে জেল কিংবা জরিমানা কিংবা উভয়ই হতে পারে।
এই মুহূর্তে এশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম এবং বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম রেল নেটওয়ার্কে এমন একটি ট্রেন রয়েছে, যেখানে ভ্রমণ করতে গেলে কোনও টিকিটের প্রয়োজন হয় না।

- একমাত্র ট্রেন, বিনামূল্যে যাতায়াতের সুযোগ
একমাত্র ট্রেন, যেখানে ভ্রমণ করতে গেলে কোনও রিজার্ভেশন করতে হয় না কিংবা টিকিটও কাটতে হয় না। এই ট্রেনে ভ্রমণ করা যায় বিনামূল্যে। গত প্রায় ৭৫ বছর ধরে মানুষ এই ট্রেনে বিনামূল্যেই যাতায়াত করছেন।
- ট্রেনটি চলে উত্তর ভারতে
ট্রেনটির নাম ভাকরা-নাঙ্গল ট্রেন। ট্রেনটি চলাচল করে হিমাচল প্রদেশ ও পঞ্জাব সীমান্তের মধ্যে। এই ট্রেনটি গত প্রায় ৭৫ বছর ধরে বিনা ভাড়ায় মানুষকে যাতায়াতে সাহায্য করে চলেছে। অর্থাৎ এই ট্রেনের যাত্রীদের কোনও টিকিট লাগে না। স্টেশন কিংবা ট্রেনে কোনও টিকিট চেকার থাকেন না। এই ট্রেন কাঠের তৈরি এবং ডিজেল ইঞ্জিন এই ট্রেনের তিনটি বগিকে টেনে নিয়ে যায়।
- ট্রেনের নিয়ন্ত্রণ কারা করে
ট্রেনটিকে নিয়ন্ত্রণ করে ভাকরা-বিয়াস ম্যানেজমেন্ট বোর্ড। ট্রেনের তিনটি বগির মধ্যে একটি পর্যটকদের জন্য, একটি মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত। এই ট্রেন চালাতে প্রতিদিন প্রায় ৫০ লিটার ডিজেল ব্যবহার করা হয়। ট্রেনটির যাত্রা পথ তেরো কিমি।
- কবে চালু হয়েছিল
ট্রেনটি ১৯৪৮ সালে ভাকরা-নাঙ্গল বাঁধ দেখার জন্য চালু করা হয়েছিল। মূলত বাঁধের শ্রমিক ও মেখিন নিয়ে যেতে তা চালু করা হয়। পরে তা সেখানকার সাধারণ মনুষ ও পর্যটকদের জন্য খুলে দেওয়া হয়। অর্থাৎ ভাকরা-নাঙ্গল বাঁধ দেখতে যাওয়া পর্যটকরাও এই ট্রেনে কোনও ভাড়া ছাড়াই ভ্রমণ করতে পারেন। দিনের পর দিন খরচ বাড়তে থাকায় ২০১১ সালে এই ট্রেনটিকে বন্ধ করে দেওয়া সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও ঐতিহ্যের কথা ভেবে পিছিয়ে আসে সরকার।
মূলত পাহাড় কেটে ট্রেনের রুট তৈরি করা হয়েছিল। পথে শুধু এই পথ পাহাড়ের মধ্যে দিতেই নয়, শতদ্রু নদীর মধ্যে দিয়েও যায়।












Click it and Unblock the Notifications