ইঞ্জিনহীন 'ট্রেন ১৮' ঝড়ের গতিতে মাতাবে ভারত, নতুন ইতিহাসের সন্ধিক্ষণে ভারতীয় রেল
ইঞ্জিনহীন ট্রেন মেট্রো ও সাবার্বান এলাকায় চালানো হবে ইন্টার-সিটি ভ্রমণের জন্য। এই ট্রেনের সর্বোচ্চ গতি হবে ঘণ্টায় ১৬০ কিলোমিটার।
প্রযুক্তিগত দিক থেকে এক নতুন অধ্যায় শুরু হতে চলেছে ভারতীয় রেলে। ইঞ্জিনহীন ট্রেন মেট্রো ও সাবার্বান এলাকায় চালানো হবে ইন্টার-সিটি ভ্রমণের জন্য। এই ট্রেনের সর্বোচ্চ গতি হবে ঘণ্টায় ১৬০ কিলোমিটার। ধীরে ধীরে তা ঐতিহ্যবাহী শতাব্দি ও রাজধানী ট্রেনের বদলি হিসাবে কাজ করবে। দুটি ট্রেনের নাম দেওয়া হয়েছে 'ট্রেন ১৮' ও 'ট্রেন ২০'। সেখানে একাধিক বিশ্বমানের সুযোগ-সুবিধা পাওয়া যাবে।
চেন্নাইয়ে তৈরি কোচ
ট্রেন ১৮ ও ট্রেন ২০ সম্পূর্ণ ভারতীয় প্রযুক্তিতে তৈরি। চেন্নাইয়ের আইসিএফ বা ইন্টেগ্রাল কোচ ফ্যাক্টরিতে এগুলি তৈরি হয়েছে। আইসিএফের দাবি, বিদেশে এই ট্রেন যে খরচে তৈরি হয়, তার অর্ধেক খরচে তা ভারতে তৈরি হয়েছে।

দুই ধরনের ব্যবস্থা
ট্রেনে চেয়ার কার কোচ থাকবে। এক্সিকিউটিভ ও নন এক্সিকিউটিভ। দুটো এক্সিকিউটিভ চেয়ার কার ও বাকী ১৪টি নন-এক্সিকিউটিভ চেয়ার কার। সবমিলিয়ে মোট ১৩৪জনের বসার ব্যবস্থা থাকবে।

স্টেইনলেস স্টিলে তৈরি
স্টেইনলেস স্টিলে এই ট্রেনের বডি তৈরি হবে। এই ট্রেনে একটানা জানালা থাকবে। ১৮০ কিমি প্রতি ঘণ্টা গতিতে ট্রেনটিকে পরীক্ষা করা হবে। পুরো ট্রেনটাই বাতানুকূল হবে।

ভিতরে জবরদস্ত ব্যবস্থা
ট্রেনের ভিতরে যাত্রী মনোরঞ্জনের জন্য ওয়াইফাই ও অন্য বিনোদনের ব্যবস্থা থাকবে। এছাড়া জিপিএস নির্ভর ইনফরমেশনও ট্রেনে বসেই পাওয়া যাবে। শারীরিকভাবে অক্ষমদের জন্যও ট্রেনে বিশেষ ব্যবস্থা থাকছে।

স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা
ট্রেনের দরজা স্বয়ংক্রিয় থাকবে। সঙ্গে থাকবে স্লাইডিং ফুটস্টেপ। ট্রেন প্ল্যাটফর্মে এসে দাঁড়ালে দরজা খুলে যাবে। তারপর আপনা থেকে লোক ভিতরে ঢুকলে বন্ধ হয়ে যাবে।

বায়ো ভ্যাকিউম টয়লেট
রাবার ফ্লোরিং, এলইডি লাইট, ইন্টারকানেক্টিং দরজা, সংযোগকারী জায়গা অনেক চওড়া হবে। চওড়া জানালা দিয়ে বাইরের জগত আরও ভালো করে দেখা যাবে। সঙ্গে থাকবে বায়ো ভ্যাকিউম টয়লেট।

উন্নত ব্যবস্থা
যাত্রীদের জন্য লাগেজ রাখার জায়গা আলাদা করে থাকবে। সেখানে যাত্রীরা লাগেজ রাখতে পারবেন। ট্রেনের দুদিকেই থাকবে ড্রাইভারের কেবিন। ট্রেনের প্রথম থেকে শেষ হেঁটে যাওয়া যাবে।
ছবি সৌ:ফিনানসিয়াল এক্সপ্রেস












Click it and Unblock the Notifications