ধর্ম, অন্তর্বাস, সেনা… যে যা খুশি বলে চলেছেন; কোথায় মডেল কোড অফ কন্ডাক্ট?

ভারতজুড়ে এখন চলছে নির্বাচনী জ্বর। সবেমাত্র একটি দফা এখনও পর্যন্ত সম্পন্ন হয়েছে; বাকিগুলির জন্যে প্রচার চলছে রমরমিয়ে। আর তার মধ্যেই মিলছে কুরুচিকর, বিকৃত মানসিকতার দেদার পরিচয়।

ভারতজুড়ে এখন চলছে নির্বাচনী জ্বর। সবেমাত্র একটি দফা এখনও পর্যন্ত সম্পন্ন হয়েছে; বাকিগুলির জন্যে প্রচার চলছে রমরমিয়ে। আর তার মধ্যেই মিলছে কুরুচিকর, বিকৃত মানসিকতার দেদার পরিচয়। ধর্ম নিয়ে উস্কানিমূলক মন্তব্য তো বটেই, পাশাপাশি মহিলা প্রতিপক্ষের অন্তর্বাসের রং নিয়েও খোঁচা দেওয়া হচ্ছে। নির্বাচন কমিশন সময়ে সময়ে ধাতানি দিচ্ছেন বটে অপরাধীদের, কিন্তু তার রেশ মিলিয়ে যেতে বিশেষ সময় লাগছে না।

নির্বাচন কমিশন প্রশংসিত হলেও নির্বাচনী বিধি কার্যকরী করতে নাজেহাল

নির্বাচন কমিশন প্রশংসিত হলেও নির্বাচনী বিধি কার্যকরী করতে নাজেহাল

বিশ্বের সর্ববৃহৎ গণতন্ত্রের নির্বাচন পরিচালনা করা সহজ কাজ নয় আর এই কাজটাই নিরন্তর করে চলে ভারতের নির্বাচন কমিশন দুনিয়ার কাছে বেশ প্রশংসিত। কিন্তু যে কাজে কমিশনকে এখনও অনেক কাজ করতে হবে তা হচ্ছে উস্কানি এবং বিদ্বেষমূলক প্রচারের উপরে রাশ টানা। যে নির্বাচনী বিধি বা 'মডেল কোড অফ কন্ডাক্ট' লাগু হয় নিবাচনের তারিখ ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে, তার প্রথম কিছু পরিচ্ছদে প্রার্থীদের বিদ্বেষমূলক আচরণের বিরুদ্ধে নিয়মনীতির কথা বলা হলেও বাস্তবে সেসবের তোয়াক্কা প্রায় কেউই করছেন না দেখা যাচ্ছে।

তোয়াক্কা নেই কারণ নেই আইনি জোর

তোয়াক্কা নেই কারণ নেই আইনি জোর

এই তোয়াক্কা না করার প্রধান কারণ হচ্ছে যে এই নিয়মনীতির কোনও আইনি ভিত্তি নেই অর্থাৎ এগুলি না মানলে কাউকে আইনের আওতায় আনা যাবে না। আর এব্যাপারে খোদ কমিশনই নির্বাচনীবিধিকে আইনি অর্থে কার্যকরী করার বিপক্ষে, কারণ এদেশের আইনের দীর্ঘসূত্রিতা। নির্বাচন বড়জোর এক থেকে দেড় মাস চলে কিন্তু সেখানে কোর্ট-কাছারির পাকে পড়ে দীর্ঘদিন সেই সমস্ত মামলার পিছনে পড়ে থাকা যথেষ্ট সময়সাপেক্ষ ব্যাপার। অতীতে মহারাষ্ট্রে ধর্মের ভিত্তিতে ভোট চাওয়ার জন্যে আদালত রমেশ প্রভুর নির্বাচন অবৈধ ঘোষণা করলেও সেই সিদ্ধান্ত এসেছিল নির্বাচনের আট বছরে পরে! অতএব, এমন দীর্ঘসূত্রিতা আদতে কোনও সমাধানের কাজই করে না।

প্রধানমন্ত্রীও বাদ যাচ্ছেন না তালিকা থেকে

প্রধানমন্ত্রীও বাদ যাচ্ছেন না তালিকা থেকে

অতীতে টি এন সেশনের মতো মুখ্য নির্বাচনী কমিশনার বিধি মানার ব্যাপারে কিছু কড়া পদক্ষেপ নিলেও বর্তমানে দেখা যাচ্ছে কেউই আর তার ধার ধরছেন না, এমনকী, স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও না। আর তিনি এবং তাঁর দলের সেনাপতিরা জোট সুর চড়াচ্ছেন, পাল্টা দিচ্ছেন বিরোধীপক্ষও। এই রোগের দাওয়াই আপাতত কমিশনের কাছে নেই আর সুদূর ভবিষ্যতে থাকবে বলেও আশা কম।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+