পার্টনারের ভালোবাসা পেতে এই জিনিস গুলি করে দেখুন, ফল মিলবেই
আপনার পার্টনার কী আপনাকে ভালোবাসে , আপনার মনে কি সবসময় এই ভাবনাচিন্তা চলে। আপনি যদি কয়েকটা ছোট ছোট জিনিসে নজর দেন তাহলেই আপনার পার্টনার নিশ্চিতভাবে বেশি ভালোবাসবে।
আপনি প্রেমিক বা প্রেমিকা যাই হোন, পার্টনারের ভালোবাসা নিয়ে নিশ্চিত নন। সবসময়েই মনে বিভিন্ন প্রশ্ন লেগেই থাকে। আসলে প্রেম বিষয়টাই এতটা জটিল যে তার তল পাওয়া কি মুখের কথা। কত বড় বড় মানুষ এই পথে ঘোল খেয়ে গেল। তাও কয়েকটা জিনিস করে দেখতে পারেন। তাতে প্রেম বারবে বই কমবে না।

ছোট ছোট বিষয়গুলির দিকে নজর দিন
সম্পর্কের ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ছোট ছোট বিষয়গুলির ওপর নজর দেওয়া। ধরুন আপনার গার্লফ্রেন্ড নেলপলিশের রঙটা বদলেছেন, কিম্বা আপনার বয়ফ্রেন্ডের পারফিউমের গন্ধটা আলাদা লাগছে। তাহলে বলুন আপনার পার্টনারকে। তিনি বুঝতে পারবেন আপনি তাঁকে গুরুত্ব দিচ্ছেন।

শুধু শুধুই টেক্সট করুন, কিম্বা ফোনই করে নিন
সবসময় যে কথা বলার কারণ লাগবে এমনটা কিন্তু নয়। অকারণেও একটা হাই লিখে মেসেজ করুন। কিম্বা আরও ভালো ফোনই করে নিন। যদি আপনার পার্টনার ব্যস্তও থাকেন তাও তার ভালো লাগবে আপনি তাঁর কথা ভাবছেন ভেবে।

অল্প একটু আদিখ্যেতা করুন
আরে হ্যাঁ হ্যাঁ মাঝেমধ্যে একটু আদিখ্যেতা করুন। ধরুন রাস্তায় বেরিয়ে আইসক্রিম খাচ্ছেন। আপনার পার্টনারকে আপনার থেকে একটু খাইয়ে দিন। দেখবেন তিনি ও এগিয়ে আসছেন। তিনিও একই কাজ করছেন।

একে অপরকে টিম হিসেবে দেখান
ব্যক্তি নয়, জুটি হিসেবে নিজেদের দেখান। একই রঙের পোশাক পড়তে পারেন। কিম্বা টি শার্টে লেখা থাকতে পারে কিং -কুইন এরকম আর কী। পুরো পৃথিবী একদিকে আর আপনারা একদিকে। আপনারা জুটি জগতকে দেখিয়ে দিন সেটা।

ভুল হলে ক্ষমাটা চেয়ে নিন
যে কোনও সম্পর্কেই গন্ডগোল হতেই পারে। ফলে চিৎকার -চেঁচামেচিও হতে পারে। তবে ভুল যে পক্ষের তিনি যদি ক্ষমা চেয়ে নেন তাহলে দেখবেন সব কিছু মিটে গেছে। সম্পর্কের মধ্যে ইগো আসতে দেবেন না। আপনি ভুল হলে আপনিই ক্ষমা চান।

অন্য পক্ষের ভুল থাকলে ধীরে সুস্থে বোঝান
মেজাজ শুধু আপনার নয়, আপনার পার্টনারেরও আছে। তাই তিনি যদি মেজাজ হারান তাহলে ধৈর্য্য ধরে অপেক্ষা করুন। তাঁর মাথা ঠান্ডা হলে তাঁকে বোঝান। বোঝান আপনি পার্টনারের সেরাটা চান। তাই কোনও কিছু খারাপ তার মধ্যে আপনি চাননা সেটা বুঝিয়ে দিন।

পার্টনারের অসুবিধা জানুন
পারিবারিক জীবন ও কাজের জায়গার হাজার ঝক্কির মধ্যে থাকেন আপনার পার্টনার। তাই আপনি সেই সব অসুবিধার কথা মন দিয়ে শুনুন। পারলে নিজের মতো করে সমাধান দিন। তাহলে আপনার পার্টনার বুঝতে পারবেন আপনি কতটা কেয়ারিং।

আপনার পার্টনার যেটা করছেন সেটা করুন
ধরুন আপনার পার্টনার এমন কিছু করছেন সেটা মেয়েলি বা পুরুষালি। তো কি হয়েছে সঙ্গীর সঙ্গে সময় কাটানোও দারুণ সৌভাগ্যের। ধরুন আপনার পার্টনার ফেশিয়াল করছেন, তাহলে আপনিও তাঁর ফেস প্যাকে একটু ভাগ বসান। আপনিও মুখে সেটা মেখে নিন। আরে ক্ষতি তো কিছু নেই। ত্বক তো ভালো বই মন্দ হবে না। আবার ধরুন আপনার পার্টনার টানটান একটা ফুটবল ম্যাচ দেখছেন। আপনিও পপকর্ন বানিয়ে তাঁর পাশে বসে পড়ুন।

অল আউট যান
পার্টনারের বিশেষ দিন, আপনি তাঁকে সবই দিয়েছেন , এরকম দিনে কী দেবেন ভাবছেন। তাহলে ১০০ গোলাপের একটা তোড়া পাঠিয়ে দিন, পাঠিয়ে দেন একটা মানুষ সমান টেডি বেয়ার। একশ শতাংশ নিশ্চিত থাকুন সঙ্গীর ভালো লাগবেই।

তেরি খুশি ম্যায় হো মেরি খুশি
এখন আর তোমার খুশিতেই আমার খুশি এমন বলার দিন আর নেই। দু'জন দুজনের মতো করে ভালো থাকেন। কিন্তু মাঝেমাঝেই একই জিনিসও ভালো লাগান। কখনও ধরুন দেখে নিলেন মারামারি-র সিনেমা, কখনও আবার দেখে নিলেন একেবারে আবেগপ্রবণ সিনেমা, যা দেখে চোখে জল এসে যাবে।

গলা শুনেই বুঝে যান কী হয়েছে
গলা শুনেই বুঝে যান ঠিক কী হয়েছে। একটা হ্যালোতেই কিন্তু ওপারের সব অনুভূতি বোঝা যায়। ধরুন আপনার পার্টনার উচ্ছ্বসিত হয়ে ফোনটা করেছেন আপনারা হ্যালোটাও হওয়া উচিত ঠিক সেরকমই। আবার ধরুন ওদিকের জন ভীষণ আপসেট তাহলে সেভাবেই তাঁর সঙ্গে কথা বলুন।

নিজের দিন কেমন কাটল জানান
অফিসে বা বাড়িতে সারাটা দিন কেমন কাটল পার্টনারকে সেটা জানান। সারা দিনে কী কী করলেন বিস্তারিত বলুন। এতে একে অপরের সম্পর্কে আরও বেশি জানতে পারবেন। ফলে জীবনের পথে এগিয়ে যেতে সুবিধা হবে।

ঘরের অন্য কোণ থেকেও আপনাকে দেখতে পান
ঘরের অন্য কোণে রয়েছেন আপনার পার্টনার। ঘরে পার্টি চলছে। ঠিক অন্য প্রান্ত থেকে আপনি তাঁকে এক নজের খুঁজে নিতে পারবেন। এতেই মন জিতে যাবেন আপনার পার্টনারের।

বিয়ের আগেই আলাপ করান
বিয়ে এখনও ঠিক হয়নি, কিন্তু তাতে কী আপনার জীবনের বিশেষ মানুষটিকে বন্ধু ও পরিবারদের সঙ্গে আলাপ করিয়ে দিন। তাঁকে যে বিশেষ ভাবছেন সেটা তাঁকে বোঝানোর জন্য এর চেয়ে ভালো ইশারা হতেই পারে না।

ফালতু জোকসে হাসুন
ধরুন একটা ফালতু জোকস শুনলে, যেটা এর আগে বহুবার শুনেছেন। তাতে কী যে মানুষটি বলছেন তার মুখ থেকে তো আর শোনেননি। ফলে এই অনুভূতিটা প্রথম, তাই প্রাণ খুলে হাসুন

আদরে -সোহাগে রাখুন
এটা হচ্ছে সবচেয়ে বড় টিপস এবং সেরা টিপস। হঠাৎই পার্টনারকে জড়িয়ে ধরুন। কিম্বা লুকিয়ে হালকা একটা চুম্বন। এতে সম্পর্কের গাঢ়ত্ব নিঃসন্দেহে বাড়বে।












Click it and Unblock the Notifications