Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

BJP : রাজ্য বিজেপি কোন্দল মেটাবে কেমন করে? দিলীপ বলছেন, কথা শুনতে হবে

তাহলে কি প্রকাশ্যে চলে আসছে রাজ্য বিজেপির ভিতরের গোলমাল? অনুপম হাজরা গত কয়েকদিনে লাগাতার বোমা ফাটাচ্ছেন। ফেসবুক লাইভে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের বিরুদ্ধে একের পর এক মন্তব্য করেছেন তিনি। লোকসভা ভোটের আগে কোথায় দাঁড়িয়ে বঙ্গ বিজেপি নেতৃত্ব? কর্মী সমর্থকদের সামনে কোন বার্তা দেবে গেরুয়া শিবির? এই প্রশ্ন উঠছে।

অনুপম হাজরা নিজে মৃত্যুভয়ের আশঙ্কা করছেন। বীরভূমে তাঁর উপরে বিজেপির এক পক্ষ হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ। বিজেপির দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি, মারামারির ঘটনা রীতিমতো আলোচনায় উঠে এসেছে। এই অবস্থায় রাজ্য নেতৃত্ব কী বার্তা দেবে? সেই প্রশ্ন উঠছে বিজেপির অন্তরে। প্রশ্নে জেরবার দলীয় নেতৃত্ব।

BJP

বিজেপির খড়্গপুরের সাংসদ দিলীপ ঘোষ মনে করছেন অনুপম হাজরার এই ধরনের কথা বলা শোভা পায় না। দলের বাইরে এই ধরনের কথাবার্তা বলা হচ্ছে। শুধু তাই নয়, ফেসবুক লাইভে নেতৃত্বকে নিয়ে কথাবার্তা চলছে। এই জিনিস কখনওই কাম্য নয়। অভিযোগ থাকলে দলের অন্তরে তাই নিয়ে আলোচনা হওয়া উচিত।

রাজ্য নেতৃত্বের কার্যকারিতার বিষয় নিয়ে প্রশ্ন উঠছে বারবার। রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের কাজকর্ম নিয়ে প্রশ্ন তোলা হচ্ছে। দিলীপ ঘোষ মনে করেন রাজ্য নেতৃত্বের কথা বলা উচিত। অভিযোগ শোনা উচিত সব পক্ষের। নতুন ও পুরনোদের মধ্যে দ্বন্দ্ব বাড়ছে। সেই দ্বন্দ্ব কাটানো উচিত বিজেপির রাজ্য নেতৃত্বের।

বছর ঘুরলে লোকসভা নির্বাচনের বাদ্যি বাজবে। শুধু তাই নয়, অমিত শাহ বাংলা থেকে লোকসভায় ৩৫ টি আসন জিততে চান। বিজেপির রাজ্য নেতৃত্ব আগেই একথা জানেন। দল গঠন করার আগে দেখা যাচ্ছে প্রচুর খানাখন্দ। সেইসব ক্রমে ফাটলের আকার নিচ্ছে। এই দ্বন্দ্ব না মেটালে কীভাবে কর্মী সমর্থকদের কাছে নেতৃত্ব পৌঁছবে? সেই প্রশ্ন উঠছে।

একসময় দিলীপ ঘোষকে নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছিল। দিলীপ ঘোষ কি রাজ্য নেতৃত্বের বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠলেন? সেই প্রশ্ন ছিল লোকমুখে। যদিও খড়্গপুরের সাংসদ প্রকাশ্যে রাজ্য নেতৃত্ব সম্পর্কে কোনও কথাই এখন আর বলতে চান না। তবে কৌশলগত প্রসঙ্গ তিনি চর্চায় রেখেছেন।

এর আগে মুরলী ধর সেন লেনের বিজেপি রাজ্য অফিসের বাইরে বিক্ষোভ হয়েছিল। সুকান্ত মজুমদারদের ছবি নিয়ে বিক্ষুব্ধরা জড়ো হয়। রীতিমতো ধুন্ধুমার কাণ্ড হয়েছিল সেইসময়। প্রশ্ন উঠছে, বঙ্গ বিজেপি আসল রোগ কি চিনতে পারছে?

নেতৃত্ব বদল করে, কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব দিয়ে প্রচার করে কতটা মানুষের কাছে পৌঁছানো যাবে? দুর্বল নেতৃত্ব ও দুর্বল সংগঠন নিয়ে তৃণমূলের বিরুদ্ধে কতটা লড়াই সম্ভব? প্রশ্ন উঠেছে।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+