কাশ্মীরে ভারত বিরোধিতার নয়া মুখ এই ব্যক্তি? কে তিনি? জেনে নিন
শ্রীনগর, ৭ অগাস্ট : জম্মু ও কাশ্মীর নতুন করে অশান্তির পরিবেশ তৈরির চেষ্টা চলছে। আর তাতে একেবারে প্রথম সারিতে দেখা যাচ্ছে পুলিশের এনকাউন্টারে নিহত হিজবুল মুজাহিদিন জঙ্গি বুরহান ওয়ানির বাবা মুজফফর ওয়ানিকে। [কাশ্মীরে বিক্ষোভ মিছিলের নেতৃত্বে পাকিস্তান থেকে আসা লস্কর জঙ্গি আবু দুজানা!]
কাশ্মীর উপত্যকায় ভারতীয় সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে জনমত তৈরি করছেন এই ব্যক্তি। তার আহ্বানে দলে দলে কাশ্মীরি যুবক মিছিল করে ভারতীয় সেনার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাচ্ছে। আর এই ঘটনাই নয়া মাথাব্যথার কারণ হয়ে উঠতে চলেছে ভারতীয় প্রশাসনের কাছে। [টাওয়ার ছাড়াই কীভাবে মোবাইলে যোগাযোগ করে পাক জঙ্গিরা? জেনে নিন]

জানা গিয়েছে, মুজফফর ওয়ানির এই উত্থান রীতিমতো কোণঠাসা করে দিয়েছে কট্টরপন্থী হুরিয়ত নেতা সঈদ আলি শাহ গিলানি, মীরওয়াইজ উমর ফারুকদের। এদের ছাপিয়ে কাশ্মীরে ভারত বিরোধিতার নয়া মুখ এখন এই মুজফফর ওয়ানিই। [কাশ্মীরে অশান্তির জন্য কীভাবে কোটি কোটি টাকা পাঠিয়েছে পাকিস্তান]
শুক্রবার অশান্ত কাশ্মীরের পাম্পোরে এলাকায় একটি বিক্ষোভ মিছিলের নেতৃত্ব দেন মুজফফর ওয়ানি। সেইসময়ে শ্রীনগরে হুরিয়ত নেতাদের একটি অংশের জনসভা ছিল। কিন্তু সেখানে তেমন ভিড় হয়নি। বদলে মুজফফর ওয়ানির বক্তব্য শুনতে ভিড় উপচে পড়েছে বলে জানা গিয়েছে। [কাশ্মীরে নিহত হিজবুল কম্যান্ডার বুরহান ওয়ানির জঙ্গি হয়ে ওঠার কাহিনি]
সবচেয়ে আশ্চর্যের, শুক্রবারই সঈদ আলি শাহ গিলানি, মীরওয়াইজ উমর ফারুক ও ইয়াসিন মালিকের ডাকে একসঙ্গে 'দরগা চলো' বলে একটি কর্মকাণ্ড ছিল। সেখানে তেমন ভিড় হয়নি। বদলে দক্ষিণ কাশ্মীরে কার্ফু উপেক্ষা করে গোটা উপত্যকা যেন মুজফফর ওয়ানির বক্তব্য শুনতে ভিড় জমিয়েছিল।
জানা গিয়েছে, মুজফফর ওয়ানিকে ঘিরে ছিল সশস্ত্র জঙ্গিদের একটি দল। মিছিলে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন, ভারতের দখলদারির বিরুদ্ধে লড়তে গিয়ে তিনি তার দুই ছেলেকে হারিয়েছেন। তার একমাত্র মেয়েকেও তিনি বলিদান করতে পিছপা হবেন না। সেই সভা থেকে পুলিশের বিরুদ্ধে এমনকী ভারতীয় প্রশাসনের বিরুদ্ধেও কড়া লড়াইয়ের ডাক দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
প্রসঙ্গত, হিজবুল জঙ্গি বুরহান ওয়ানি গত মাসে পুলিশ এনকাউন্টারে মারা যাওয়ার আগে ২০১০ সালে কাশ্মীরের ত্রাল এলাকায় সেনা-জঙ্গি সংঘর্ষে তার এক জঙ্গি দাদাও প্রাণ হারিয়েছে। এরপরই জঙ্গি দলে নাম লেখায় যুবক বুরহান। এখন সেই পথেই হেঁটে বাবাও বিচ্ছিন্নতাবাদী দলে নাম লেখালেন কিনা তা আপাতত সময়ই বলবে।












Click it and Unblock the Notifications