কল্পারম্ভ থেকে সন্ধি পুজো: মাতৃবন্দনার নানা মাহেন্দ্রক্ষণ

কল্পারম্ভ: 'কল্প' অর্থাৎ সংকল্প। 'আরম্ভ' অর্থে শুরু। সুতরাং 'কল্পারম্ভ' হল এমন এক মুহূর্ত যখন সংকল্প নিতে হয় যে, পুজোর ক'দিন নিষ্ঠা সহকারে নিয়মাবলী পালন করা হবে। মহাষষ্ঠীর সকালে মণ্ডপের এক কোণে ঘট স্থাপন করতে হয়। দেবীর আরাধনায় যে পবিত্র সংকল্প করা হয়, ঘট হল তার সাক্ষী।
মহাষষ্ঠীর কল্পারম্ভকে বলা হয় 'ষষ্ঠ্যাদি কল্পারম্ভ'।
আরও পড়ুন: কলাবউ গণেশের বউ নয়, মহামায়ার ভিন্ন রূপ
আরও পড়ুন: ছিল রাজরাজড়ার পুজো, ১৭৯০ থেকে সর্বজনীন হয় দুর্গোৎসব
আরও পড়ুন: ব্রহ্মার বরে ছিল ফাঁক, ফাঁকিটাই বুঝতে পারেননি উচ্চাকাঙক্ষী মহিষাসুর
বোধন: পঞ্জিকা মতে, মহাষষ্ঠী পড়ে গেলে তার গোধূলি লগ্নে হয় বোধন। 'বোধন' অর্থে জাগরণ। মনে করা হয়, সূর্য পশ্চিমে হেলে পড়লেই দেবদেবীদের ঘুমোতে যাওয়ার সময় হয়। তাই মহাশক্তি মহামায়াকে জাগাতে এই আচার পালিত হয়।
আমন্ত্রণ ও অধিবাস: দেবীকে জাগানোর পরের পর্ব হল আমন্ত্রণ ও অধিবাস।
'আমন্ত্রণ' অর্থে পুজো গ্রহণ করার আবেদন। অর্থাৎ দেবীর উদ্দেশে যা উৎসর্গ করা হবে, তা যেন তিনি তুষ্ট মনে গ্রহণ করেন। নইলে অকল্যাণ হবে যে!
'অধিবাস' অর্থাৎ বসত করা। লাল সুতো দিয়ে চারটি কঞ্চির মাথা বেঁধে দেওয়া হয়। এটা হল এমন এক গণ্ডি, অশুভ শক্তি যার বাইরে থাকবে। অন্দরে থাকবেন মহাশক্তি। অধিবাসে বিল্বপত্র অর্থাৎ বেলপাতা আবশ্যিক। ২৬টি জিনিস মায়ের পায়ে ছুঁইয়ে পবিত্র করা হয়।
নবপত্রিকা স্নান: মহাসপ্তমীর সকালে এই আচারটি পালিত হয়। নবপত্রিকার আক্ষরিক অর্থ 'নয়টি পাতা'।
যদিও বাস্তবে ন'টি গাছের পাতার সঙ্গে শিকড়ও থাকে। এগুলি হল কলা, কচু, হলুদ, জয়ন্তী, বেল, দাড়িম, অশোক, মান ও ধান। একটি কলাগাছের সঙ্গে অপর আটটি উদ্ভিদের শিকড় ও পাতা বেঁধে দেওয়া হয়। অপরাজিতা লতা দিয়ে এই বাঁধুনির কাজ করা হয়। তার পর লাল পাড়ওয়ালা সাদা শাড়ি জড়িয়ে তাকে ঘোমটাপরা বধূর আকার দেওয়া হয়। সিঁদুর পরানো হয়। নবপত্রিকার প্রচলিত নাম হল 'কলাবউ'।
কুমারী পুজো: অবিবাহিতা কন্যাকে মহাশক্তি রূপে আরাধনা করা হয় কুমারী পুজোয়। কুমারীকে গঙ্গা জলে শুদ্ধ করে লাল শাড়ি পরানো হয়। পায়ে থাকে আলতা। অষ্টমীতে কুমারী পুজো হয়।
সন্ধি পুজো: দুর্গা পুজোর খুবই গুরুত্বপূর্ণ সময়। মহাষ্টমী ও মহানবমীর সন্ধিক্ষণে এই পুজো হয়, তাই একে বলা হয় 'সন্ধি পুজো'।
মহাষ্টমীর শেষ ২৪ মিনিট এবং মহানবমীর প্রথম ২৪ মিনিট অর্থাৎ ৪৮ মিনিট ধরে চলে সন্ধি পুজো। ১০৮টি পদ্ম এবং ১০৮টি মাটির প্রদীপ সন্ধি পুজোর ক্ষেত্রে আবশ্যিক।
সন্ধি পুজোয় দেবী দুর্গাকে পুজো করা হয় চামুণ্ডা রূপে। যখন মহিষাসুরের সঙ্গে দেবী যুদ্ধ করছিলেন, সেই সময় চণ্ড ও মুণ্ড আক্রমণ করে। চণ্ড ও মুণ্ড ছিল মহিষাসুরের দুই সেনাপতি। এদের দুর্গা বধ করেছিলেন, সেই থেকে তাঁর নাম হয় চামুণ্ডা। চণ্ড ও মুণ্ডকে যে সন্ধিক্ষণে বধ করা হয়েছিল, তাকে স্মরণে রেখে সন্ধি পুজোর আয়োজন করা হয়।
-
বাংলায় ভোট পরবর্তী হিংসা রুখতে অনির্দিষ্টকালের জন্য থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী -
'মালদহ কাণ্ডের মাস্টারমাইন্ড' মোফাক্কেরুল ইসলাম গ্রেফতার, পালানোর সময় বাগডোগরা থেকে ধৃত -
দাগি নেতাদের নিরাপত্তা কাটছাঁট কতটা মানল পুলিশ? স্টেটাস রিপোর্ট চাইল নির্বাচন কমিশন -
পুর-নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ভোটের আগে তৃণমূলের দুই হেভিওয়েট নেতাকে ইডির তলব -
ভোটের আগেই কমিশনের কড়া নির্দেশ! অনুমতি ছাড়া জমায়েত নয়, নিয়ম ভাঙলেই গ্রেফতার, রাজ্যজুড়ে জারি কঠোর নির্দেশ -
এপ্রিলে শক্তিশালী ত্রিগ্রহী যোগ, শনি-সূর্য-মঙ্গলের বিরল মিলনে কাদের থাকতে হবে সতর্ক? -
পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ! MRI Scan-এর খরচ আকাশছোঁয়া হতে পারে, বিপাকে পড়তে পারেন রোগীরা -
অমিত শাহের রাজ্যে থাকার ঘোষণায় তীব্র কটাক্ষ মমতার, বললেন, যত বেশি থাকবে, তত ভোট কমবে -
যুদ্ধ পরিস্থিতির মাঝেই বড় রদবদল! মার্কিন সেনা প্রধানকে সরাল ট্রাম্প প্রশাসন, কারণ কী, জল্পনা তুঙ্গে -
এপ্রিলেই বাড়ছে গরমের দাপট! আগামী সপ্তাহেই ৪-৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা বাড়ার আশঙ্কা, কী জানাচ্ছে হাওয়া অফিস -
চিপকে হার চেন্নাই সুপার কিংসের, সহজেই জিতল শ্রেয়স আইয়ারের পাঞ্জাব কিংস -
আরও একটি মার্কিন F-35 যুদ্ধবিমান ধ্বংসের দাবি ইরানের, কী বলছে আমেরিকা?












Click it and Unblock the Notifications