Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

দুই দশক পুরনো পশুখাদ্য মামলায় যে পথে হেঁটে লালুকে সাজা শোনাল আদালত

দুই দশক পুরনো পশুখাদ্য কেলেঙ্কারি মামলায় রায়দানের পর এদিন আরজেডি সুপ্রিমো লালুপ্রসাদ যাদবের বিরুদ্ধে সাজা ঘোষণা করল রাঁচির বিশেষ সিবিআই আদালত।

দুই দশক পুরনো পশুখাদ্য কেলেঙ্কারি মামলায় রায়দানের পর এদিন আরজেডি সুপ্রিমো লালুপ্রসাদ যাদবের বিরুদ্ধে সাজা ঘোষণা করল রাঁচির বিশেষ সিবিআই আদালত। লালুপ্রসাদ যাদবকে সাড়ে তিন বছরের সাজা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া পাঁচ লক্ষ টাকা জরিমানাও করা হয়েছে। এতদিন পুরনো এই মামলায় এতবছর ধরে কীভাবে এগিয়েছে গতিপ্রকৃতি তা দেখে নেওয়া যাক একনজরে।

১৯৯৬ সাল

১৯৯৬ সাল

সামনে আসে পশুখাদ্য কেলেঙ্কারির কথা। সেইসময়ের ডেপুটি কমিশনার অমিত খারে পশু প্রতিপালনের দফতরে হানা দেন ও নথি বাজেয়াপ্ত করেন। সেখানে দেখা যায় অস্তিত্ব নেই এমন কোম্পানিতে খাবার সরবরাহ হয়ে চলেছে দিনের পর দিন। সেইবছরের মার্চে পাটনা হাইকোর্ট সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দেয়। সিবিআই চাইবাসা ট্রেজারি মামলায় এফআইআর দায়ের করে।

১৯৯৭ সাল

১৯৯৭ সাল

জুন মাসে লালুপ্রসাদ যাদব সহ মোট ৫৫ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দেয় সিবিআই। ৬৩টি মামলা হয় জালিয়াতি, অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র ও দুর্নীতি বিরোধী আইনে। লালু সিবিআই আদালতের কাছে আত্মসমর্পন করেন। তাকে বিচারবিভারীয় হেফাজতে পাঠানো হয়।

২০০০ সাল

২০০০ সাল

সিবিআই আদালতে চার্জ গঠন করা হয়। রাবড়ি দেবীর নামও অভিযুক্তের তালিকায় ছিল। তবে তিনি জামিন পান। লালু জামিন পাননি। তাকে বিচারবিভাগীয় হেফাজতেই রাখা হয়।

২০০১ সাল

২০০১ সাল

২০০১ সালে নতুন রাজ্য ঝাড়খণ্ড তৈরি হলে এই মামলা ঝাড়খণ্ডে পাঠানো হয়। রাঁচির সিবিআই আদালতে ট্রায়াল শুরু হয়। হিসাব বহির্ভূত সম্পত্তি মামলায় বেকসুর খালাস পান লালু ও রাবড়ি দেবী।

২০০৭ সাল

২০০৭ সাল

চাইবাসা ট্রেজারি দুর্নীতি মামলায় সিবিআই আদালত ৫৮ জনকে সাজা শোনায়। ১৯৯০ সালের এই ঘটনায় ৪৮ কোটি টাকা নয়ছয় করা হয়েছিল। অভিযুক্তদের আড়াই বছর থেকে ছয় বছরের মধ্যে সাজা ঘোষণা হয়।

২০১২ সাল

২০১২ সাল

লালু ও জগন্নাথ মিশ্রর বিরুদ্ধে চার্জ গঠন হয়। মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন জাল বিল তৈরি করে ৪৭ লক্ষ টাকা হাতানোর অভিযোগ ওঠে লালুর বিরুদ্ধে। ২০১৩ সালে শুনানির পর রায় স্থগিত রাখা হয়।

২০১৩ সাল

২০১৩ সাল

লালুপ্রসাদ ও মিশ্র সহ ৪৫জনকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। লোকসভা থেকে সাংসদ পদ খারিজ হয় লালুর। মোট ছয় বছর লালু নির্বাচনে লড়তে পারবেন না বলে লোকসভার সিদ্ধান্ত অনুয়ায়ী জানিয়ে দেওয়া হয়।

২০১৪ সাল

২০১৪ সাল

লালুর বিরুদ্ধে পশুখাদ্য কেলেঙ্কারির অন্য মামলাগুলি রদ করা হয়েছিল। একই ব্যক্তিকে একই সাক্ষী ও প্রমাণ দিয়ে সাজা দেওয়া রদ করেছিল ঝাড়খণ্ড উচ্চ আদালত। সিবিআই তার বিরুদ্ধে আপিল করে মামলাগুলি চালু করে।

২০১৭ সাল

২০১৭ সাল

সুপ্রিম কোর্ট ঠিক করে লালু ও অন্যান্যদের বিরুদ্ধে দেওঘর ট্রেজারি কাণ্ডে আলাদা করে ৮৪.৫৩ লক্ষ টাকা জালিয়াতির মামলা চলবে। ডিসেম্বর মাসে এই মামলার শুনানি শেষ হয়। রাঁচির সিবিআই আদালত লালু সহ ১৫ জনকে দোষী সাব্যস্ত করে।

২০১৮ সাল

২০১৮ সাল

জানুয়ারি মাসে সাজা ঘোষণার কথা থাকলেও পরপর তিনদিন সাজা পিছিয়ে যায় রাঁচির সিবিআই আদালতে। এরপরে এদিন শনিবার অবশেষে সাজা ঘোষণা করেছে আদালত।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+