গরুর মাংস খেলে এই রোগগুলিতে আক্রান্ত হতে পারেন, দাবি এক সমীক্ষায়
আপনি কি গরুর মাংস খুব ভালবাসেন। ঘনঘন ওই মাংসই খান? যদি ঘনঘন খান তবে তা একেবারেই কমিয়ে ফেলুন আপনার নিজেরই স্বাস্থের কারণে। মাসে একবার চলতে পারে। কিন্তু তার থেকে বেশিবার কখনই নয়।
ভারত জুড়েই এখন গরু নিয়ে নানা বিতর্ক। অনেক রাজ্যেই নিষিদ্ধের তালিকায় রয়েছে এই মাংস। তা নিয়েও বিতর্ক কম নেই। বহু মানুষই এর বিরোধিতা করেছেন। হিন্দুত্ববাদীরা যেমন এই নিষিদ্ধকরণের পক্ষে, তেমনই বিরোধীরাও খাড়া করছেন নানা যুক্তি। ভিটামিন বি-টুয়েভ, উচ্চমাত্রায় প্রোটিন, জিঙ্ক এবং আয়রণ সমৃদ্ধ হলেও চিকিৎসা বিজ্ঞানী এবং ডায়াটেশিয়ানরা কিন্তু স্বাস্থ্যের কারণে গরুর মাংস থেকে দূরে থাকারই পরামর্শ দিচ্ছেন।

ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারতীয় বংশদ্ভূত গবেষকের গবেষণালব্ধ পরামর্শ গুলি একবার দেখে নেওয়া যাক-
- গরুর মাংসে খুব বেশি মাত্রায় স্যাচুরেটেড ফ্যাটি অ্যাসিড এবং কোলেস্টরল থাকায় তা হৃদরোগের সম্ভাবনা বাড়িয়ে দেয়।
- বৃহদন্ত্রের (কোলোরেক্টাল) ক্যান্সারের সম্ভাবনা বাড়িয়ে দেয় এই মাংস। এই মাংসের মধ্যে থাকা শর্করা (এনইউ ফাইভ জিসি) ক্যান্সারের সম্ভাবনা বাড়িয়ে দেয়।
- মাংসের মধ্যে থাকা কার্নিটাইন রক্তনালিকাগুলি শক্ত করে দেয়। যা রক্ত চলাচলে বাধার সৃষ্টি করে শরীরে নানা উপসর্গ বাড়িয়ে তোলে।
- উচ্চ রক্তচাপ, স্থূলতা, কিংবা গাটে ব্যথার কারণও হতে পারে মাংসের মধ্যে থাকা টক্সিন।
- এই মাংস রান্না করতে তেল বেশি লাগায় দেহের ওজন বাড়ার মতো সমস্যা দেখা দেওয়ার অস্বাভাবিক কিছু নয়।
- দুধের জন্য গরুগুলিকে হরমোন ইনজেকশন কিংবা অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া হয়। ফলে মাংসের মাধ্যমে তা মানব দেহে চলে আসে এবং হরমোনের অস্বাভাবিকতার মতো সমস্যা তৈরি করে।
- সংক্রামিত গরুর মাংস খেলে মাথার বিভিন্ন কোষে তা সংক্রামিত হয়ে ম্যাড কাউ ডিজিজও হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
- দীর্ঘদিন ধরে গরুর মাংস খেলে, মাথার বিভিন্ন কোষে তা আয়রণের পরিমাণ বাড়িয়ে অ্যালজেইমারের প্রবণতা বাড়িয়ে দেয়।
- গর্ভাবতী মহিলা, যাঁদের পূর্বেই হৃদরোগ সংক্রান্ত কোনও সমস্যা আছে, তাদের একেবারেই এই মাংসা খাওয়া উচিৎ নয়।












Click it and Unblock the Notifications