পতঞ্জলির সিইও-র সম্পত্তির পরিমাণ ২৫ হাজার কোটি টাকারও বেশি!
হরিদ্বার, ১৩ সেপ্টেম্বর : পতঞ্জলির পণ্যের বিষয়ে সকলেই প্রায় শুনেছেন। দেশের ঘরে ঘরে এখন পতঞ্জলির নানা পণ্য ব্যবহার করছেন মানুষ। ওয়াকিবহাল মহল জানাচ্ছে, দেশের সবচেয়ে দ্রুতলয়ে বৃদ্ধি পাওয়া এফএমসিজি ব্র্যান্ডের তালিকায় একনম্বরে রয়েছে পতঞ্জলির পণ্যগুলি। [যিশুখ্রিস্টের জন্মের আগের পুরনো মুদ্রা উদ্ধার হল ভারতে]
এহেন পতঞ্জলির বিজ্ঞাপনে মুখ দেখানো যোগগুরু বাবা রামদেবকেই সকলে এর প্রতিষ্ঠাতা বলে ধরে নিয়েছেন। কিন্তু আসলে পর্দার পিছনে রয়েছে অন্য কাহিনি। তথ্য বলছে, পতঞ্জলির ৯৪ শতাংশ মালিকানা রয়েছে আচার্য বালকৃষ্ণের নামে। যে লোকটির ছবি পতঞ্জলির বিজ্ঞাপনে অনেকে দেখে থাকবেন। [বন্ধ বইয়ের পাতাও এবার পড়ে নেওয়া যাবে সহজে! নেপথ্যে ভারতীয় বিজ্ঞানী]

৪৪ বছরের আচার্য বালকৃষ্ণই এখন ভারতের বড় বড় শিল্পপতিদের সম্পত্তির বিচারে কড়া চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন। আপাতত তাঁর সম্পত্তির পরিমাণ ভারতীয় টাকায় ২৫ হাজার ৬০০ কোটি টাকা। এক চিনা গবেষণা সংস্থা এক রিপোর্টে এমনটি উল্লেখ করেছে। [কবর থেক বের করে মৃত আত্মীয়ের "মেক-ওভার"! এটাই প্রথা এখানে!]
১৬০০ কোটি বা তার বেশি টাকা রয়েছে এমন ৩৩৯ জন ভারতীয়র মধ্যে ইতিমধ্যে ২৬ নম্বরে উঠে এসেছেন আচার্য বালকৃষ্ণ। এখনও পর্যন্ত পতঞ্জলির টার্নওভার বছরে ৫ হাজার কোটি টাকা। মনে করা হচ্ছে ২০১৭ আর্থিক বর্ষে তা দ্বিগুণ হয়ে ১০ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাবে। [কন্যার চেয়ে বেশি পুত্র ভ্রুণ হত্যা হচ্ছে ভারতে, জানাল সমীক্ষা]
জানা গিয়েছে, বামা রামদেবের অত্যন্ত কাছের মানুষ এই আচার্য বালকৃষ্ণ। নিজে আইফোন ব্যবহার করলেও অফিসে কম্পিউটার ব্যবহার করেন না। সাদা কুর্তা ও ধুতি পরেই নিজের বিশাল পতঞ্জলি ব্যবসা সামাল দেন তিনি।
দশ বছর আগে যখন তিনি পতঞ্জলির ব্যবসা শুরু করেন তখন আচার্য বালকৃষ্ণের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত ছিল না। এতদূর যে পৌঁছনো যাবে তা কোনওদিনও ভাবেননি তিনি। অফিসে বসে শুদ্ধ হিন্দিতে কথা বলতে বলতেই কাজকর্ম সামলান তিনি।
২০১১ সালে জালিয়াতির অভিযোগে সিবিআই তাঁকে গ্রেফতার করেছিল। তবে অভিযোগ প্রমাণ না হওয়ায় ২ বছর পরে অভিযোগ থেকে মুক্তি পান তিনি। ৪ অগাস্ট বালকৃষ্ণের জন্মদিনটিকে 'জড়িবুটি দিবস' হিসাবে পালন করে পতঞ্জলি পরিবার।












Click it and Unblock the Notifications