Wriddhiman Saha: অভিমান-বিতর্ক ভুলে মুখোমুখি সৌরভ-ঋদ্ধি, গলছে বরফ, বাংলায় ফিরছেন পাপালি?

বিতর্ক, অভিমান, রাগ। বৃষ্টির জলেই ধুয়ে গেল সব কিছু। কয়েক বছর পর আবার এক টেবিলে মুখোমুখি সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়-ঋদ্ধিমান সাহা। বিগত কয়েক বছর ধরেই এই দুই নাম বাংলা ক্রিকেটে পরস্পর বিরোধী দুই শব্দ হয়েই থেকেছে। কিন্তু সোমবার বর্ষণ মুখর একটা দিনে মধুরেন সমাপয়েৎ।

ভারতীয় দলে বাংলার মুখ বলতেই সাম্প্রতিক অতীতে দুই নামই ভেসে উঠে, সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় এবং ঋদ্ধিমান সাহা। বাংলার এই দুই ভূমিপুত্রই জাতীয় দলে বাংলার অন্যতম প্রতিনিধি। অথচ বছর কয়েক আগেই দুই তারকার সম্পর্কে ধরে প্রবল চিড়। যা ক্রমেই ফাটলের আকার নেয়। তারপর ইডেনের পাশের গঙ্গা দিয়ে বয়ে গিয়েছে অনেক জল। একাধিক ইস্যুতে অভিমানী ঋদ্ধি বাংলা ছেড়ে ত্রিপুরাতে নাম ‌লিখিয়েছেন।

Wriddhiman Saha

অভিমান ভুলে আবার কি ঘরে ফিরবেন পাপালি? এখনই চূড়ান্ত কিছু বলা না গেলেও হয়ত প্রক্রিয়াটা শুরু হল সোমবার থেকেই। সোমবার বেহালায় সৌরভের অফিসে আসেন স্বস্ত্রীক ঋদ্ধিমান সাহা। সঙ্গে ছিলেন তাঁর স্ত্রী রোমিও। দাদার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন। ঘনিষ্ঠ মহল বলছে সৌজন্য সাক্ষাৎ। সৌরভ-ঋদ্ধিকে এক টেবিলে বসানোর ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা নেন সঞ্জয় দাস।

কিন্তু নেহাতই কি সৌজন্য সাক্ষাৎ। গভীরে গেলে উত্তরটা হয়ত না। দাদার সঙ্গে রুদ্ধদ্বার এক ঘণ্টা বৈঠক করেন ঋদ্ধি। কী কথা হল সেটা এখনই প্রকাশ্যে আসছে না। তবে অদূর ভবিষ্যতে ঋদ্ধিকে বাংলার জার্সিতে দেখতে পাওয়া গেলে অবাক হওয়ার কিছুই থাকবে না। বরফ গলে গিয়েছে। এমনকি ফেসবুক পেজে ঘরে ফেরার ইঙ্গিতটাও দিয়ে দিলেন ঋদ্ধি। পাপালির যা বার্তা তাতে বাংলাতে ফিরছেন তিনি। তবে সিএবির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা পর্ব বাকি আছে। সেইসঙ্গে মনের মানুষদের কাছে ফিরতে পেরে যে তিনি খুশি সেটাও উল্লেখ করেন ঋদ্ধিমান।

২০২২ সালের গোড়ার দিকে সৌরভ বনাম ঋদ্ধিমান ইস্যু বাংলা ক্রিকেটের অন্যতম বিতর্কের এবং চর্চার বিষয় হয়ে উঠে। তখন সদ্য জাতীয় দল থেকে ব্রাত্য হয়েছেন। কালীঘাট মাঠে দাঁড়িয়েই পেয়েছিলেন সেই খবর। তারপরই গুটি কয়েক সাংবাদিকদের সামনে বরাবরের মুখ চোরা পাপালি তাঁর কেরিয়ারের কঠিন পরিনতির জন্য পরোক্ষেই দাদাকে দায়ী করে বসেন।

ঋদ্ধিমান সেদিন বাদ যাওয়ার পর বলেছিলেন, 'খারাপ তো অবশ্যই লাগছে। কিন্তু কী করা যাবে। কানপুরের ওই ইনিংসের পর দাদি (সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়) হোয়াটস অ্যাপ করেছিল। বলেছিল, আমি যত দিন আছি, ভাবতে হবে না। দাদির কথায় নতুন করে উৎসাহ পেয়েছিলাম।' বিতর্কের সূত্রপাত সেই শুরু।
অবশেষে কি মিটল বিতর্ক, ছবি অন্তত সেই ইঙ্গিতই দিচ্ছে।

মনোজ তিওয়ারি অবসর নিয়েছেন, আগামী দিনে বাংলার নেতৃত্বের দায়িত্বে দেখা যাবে ঋদ্ধিমানকে? উত্তর সময়ই দেবে।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+