কয়েকদিন আগেই ভারতীয় দলের কিট স্পনসর হিসাবে যুক্ত হয়েছে অ্যাডিডাস। বিশ্বখ্যাত এই ক্রীড়া সরঞ্জাম প্রস্তুতকারক সংস্থাটি নতুন ডিজাইনের জার্সি ইতিমধ্যেই সামনে এনেছে। ভারতীয় দলের জার্সি বির্বতন নতুন ঘটনা নয়। কিট স্পনসর বদলের সঙ্গে সঙ্গেই টিম ইন্ডিয়ার জার্সিরও বদল ঘটে। বিশেষ করে সীমিত ওভারের ক্রিকেটে। বিশ্বকাপ হোক বা আইসিসি ট্রফি সীমিত ওভারের টুর্নামেন্টে সব দলেরই জার্সিই থাকে আর্কষণের কেন্দ্রবিন্দুতে।
কিন্তু জানেন কী একটা সময় সাদা জার্সিতে লাল বলেই হত একদিনের ক্রিকেট। ক্রিকেটে রঙিন জার্সির আর্বিভাব ১৯৯২ সালের বিশ্বকাপ থেকে। কিন্তু তারপরও বহু দিন কিন্তু সাদা জার্সিতে লাল বলে একদিনের ম্যাচ হয়েছে। ৯০-এর দশকে, এমনকি ২০০০ সালেও ওডিআই ম্যাচ হয়েছে সাদা পোশাকে লাল বলে।
ছবি সৌজন্য পিটিআই
সাদা বল এবং রঙিন পোশাক দিয়ে ক্রিকেট খেলা উচিত এমন কোনো বাধ্যতামূলক নিয়ম ছিল না। ওডিআই ম্যাচ, সাদা পোশাক এবং লাল বল দিয়েও অনুষ্ঠিত হয়েছিল। অস্ট্রেলিয়া এবং নিউজিল্যান্ডে ১৯৯২ সালের বিশ্বকাপের পর রঙিন পোশাক এবং সাদা বলের অনুশীলন ধীরে ধীরে অন্যান্য দেশ গ্রহণ করতে শুরু করে। পরের দিকে দিন রাতের ম্যাচ বেশি হওয়ায় সাদা বল এবং রঙিন জার্সিতেই একদিনের ম্যাচের চল শুরু হয়।
অধুনা বিলুপ্ত হলেও একটা সময় সাদা জার্সিতে লাল বলেই হত একদিনের ক্রিকেট। প্রথমে ৬০ ওভারে হত একদিনের ম্যাত, পরে তা কমিয়ে আনা হয় ৫০ ওভারে। কিন্তু ৯০-এর দশকেও রঙিন জার্সি বাধ্যতা মূলক ছিল না, এমনকি লাল বলেই হত একদিনের ম্যাচও।
ছবি-পিটিআই
ভারত সাদা জার্সিতে লাল বলে শেষ একদিনের ম্যাচটি খেলেছিল ২০০০ সালের ১৪ ডিসেম্বর। জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে এই ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয়েছিল রাজকোটে। ভারত সেই ম্যাচ জিতেছিল ৩৯ রানে। প্রথমে ব্যাট করে ৬ উইকেটে ৩০১ রান তুলেছিল ভারত। জবাবে ব্যাট করতে নেমে ২৬২ রানেই অল আউট হয়ে যায় হিথ স্ট্রিকের দল, ব্যাট হাতে ৬৭ রান করে এবং বোলিংয়ে তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচের সেরা হয়েছিলেন অজিত আগারকার।
ছবি-পিটিআই
৫ ম্যাচের এই সিরিজে দুরন্ত পারফরম্যান্স করেছিলেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। মোট ২৬৪ রান এবং ৫ উইকেট নিয়ে ম্যান অফ দ্য টুর্নামেন্ট হন মহারাজ। এই ম্যাচটিই সাদা জার্সিতে লাল বলে শেষ একদিনের ম্যাচ ছিল টিম ইন্ডিয়ার জন্য।