Shikhar Dhawan: দীর্ঘদিন কাছে পাননি সন্তানকে, মানসিক যন্ত্রণার কথা প্রকাশ্যে আনলেন ধাওয়ান
স্ত্রী আয়েশা মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে আইনত বিবাহ বিচ্ছেদ হয়ে গিয়েছে। কিন্তু পুত্রের জন্য মন ব্যাকুল শিখর ধাওয়ানের। স্ত্রী-র সঙ্গে বিচ্ছেদের ফলে দূরে সরে গিয়েছে পুত্র জোরাবর। দীর্ঘদিন সন্তানের সঙ্গে দেখা না হওয়ায় মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন ভারতীয় দলের তারকা ক্রিকেটার। এক মাস আগেই ছেলে জন্মদিনে সমাজমাধ্যমে আবেগঘন বার্তা লিখেছিলেন গব্বর, এবার কষ্টের কথা নিজের মুখেই জানালেন ধাওয়ান।
গত বছর ২৬ ডিসেম্বর জ়োরাবরের জন্মদিন ছিল। সেই দিন ছেলের জন্য সমাজমাধ্যমে মনের কথা লিখেছিলেন ধাওয়ান। ভেবেছিলেন সেই লেখা ছেলে কাছে পৌঁছবে। কিন্তু তা হয়েছে কি না জানেন না ধাওয়ান। সন্তানের সঙ্গে দেখা না হওয়ার জেরে কতটা কষ্টে আছেন তা এবার খোলাখুলি জানালেন ধাওয়ান।

একইসঙ্গে ধাওয়ান উল্লেখ করেছেন, ' অনেক সময় এমন গিয়েছে যে আমি ভেবেছি, পরিকল্পনা করেছি অস্ট্রেলিয়াতে এক সপ্তাহের বেশি সময় কাটাতে। আমার একটাই ইচ্ছা, সন্তানের সঙ্গে দেখা করার এবং তাঁর সঙ্গে সময় কাটানোর। আমাদের মধ্যে দেখা খুব সামান্য সময়ের জন্য হত। মাঝেমধ্যে কয়েকদিনের জন্য দেখা হয়েছে। যার মধ্যে আমরা মাত্র ১-২ ঘণ্টা একে অপরের সঙ্গে দেখা করতে পেরেছি।'
এই পরিস্থিতিতে তিনি যে মানসিক কষ্টের মধ্য দিয়েই যাচ্ছেন তা স্বীকার করে নিয়েছেন ধাওয়ান। জাতীয় দলের ব্রাত্য, স্ত্রী-র সঙ্গে বিবাহ বিচ্ছেদ। এই পরিস্থিতিতে সন্তানের সঙ্গেও দেখা হয় না। ফলে কঠিন সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন ধাওয়ান।
২৬ ডিসেম্বর পুত্রের জন্মদিন উপলক্ষ্যে সোশ্যাল সাইটে ধাওয়ান লিখেছিলেন, পাপা তোমার সবসময় অভাব অনুভব করে। কিন্তু তোমাকে যোগাযোগ করার কোন উপায় নেই। সব জায়গাতেই আমায় ব্লক করে দেওয়া হয়েছে। তোমাযকে দীর্ঘদিন দেখিনি কিন্তু তোমার কথায় সব সময় আমার মনে পড়ে। দুষ্টুমি করো কিন্তু ধ্বংসাত্মক হয়ে যেও না। ধৈর্যশীল হও শক্তিশালী হও সবাইকে ভালোবেসো। তোমাকে জন্মদিনের অনেক শুভেচ্ছা।
স্ত্রী আয়েশা মুখোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ করে বিবাহবিচ্ছেদের মামলা করেছিলেন ধাওয়ান। তাঁর অভিযোগ ছিল, স্ত্রী তাঁর উপর মানসিক নির্যাতন করেন। একমাত্র সন্তানকেও দীর্ঘ দিন তাঁর সঙ্গে থাকতে দেন না। আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই আয়েশার সঙ্গে বিচ্ছেদ হয়ে গিয়েছে। বর্তমানে মায়ের কাছেই থাকেন ধাওয়ানের সন্তান।












Click it and Unblock the Notifications